বৃহস্পতিবার, ১২ মে, ২০১৬

সবই মিথ্যে

মদন অতিরিক্ত স্পিডে গাড়ি চালানোর দায়ে ট্রাফিক পুলিশ দাঁড় করালো।

পুলিশ, "কি ব্যাপার, এত জোরে গাড়ি চালাচ্ছিলেন কেন?"

মদন, "কি করবো? আমার তো লাইসেন্স নেই!"

পুলিশ, "সর্বনাশ! লাইসেন্স ছাড়াই গাড়ি নিয়ে বেরিয়েছেন?"

মদন, "আরে, আমার স্ত্রীকে হঠাৎ খুন করে ফেললাম। এবার লাশটাকে তো গুম করতে হবে।"

পুলিশ পুরো ভড়কে গিয়ে বললো, "লাশ কই?"

মদন, "বনেটে আছে"

সঙ্গে সঙ্গে ওয়্যারলেসে সব জায়গায় খবরটা জানিয়ে দিলেন ট্রাফিক পুলিশ। তার মনে একজন ভয়ংকর অপরাধী ধরার সাফল্যে প্রমোশনের আশা। পুলিশের বড় কর্তা সবাই এসে হাজির। আর তাদের সঙ্গে মিডিয়া। চারদিক লোকারণ্য।

বড় কর্তা এবার মদনকে জিজ্ঞেস করলেন, "তুমি নাকি খুন করেছো?"

মদন শুনে চেঁচিয়ে উঠল, "পুলিশ প্রচন্ড মিথ্যাবাদী। ঘুষ না পেয়ে আমাকে ফাঁসাতে চাইছে। আমি খুনটুন কিছু করিনি।"

বড় কর্তা লোকটির কথায় কান না দিয়ে গাড়ির বনেট তুললেন, কিন্ত সেখানে কিচ্ছুটি নেই। একদম ফাঁকা। রাগত দৃষ্টিতে তিনি এবার ট্রাফিক পুলিশের দিকে তাকালেন।

পুলিশ বেচারা আমতা আমতা করে বলতে লাগলেন, "লোকটা লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালাচ্ছে!"

মদন সঙ্গে সঙ্গে চেঁচিয়ে উঠল, "ব্যাটা মিথ্যাবাদী, এটা কি?'' এই বলে পকেট থেকে লাইসেন্সটা বের করে দিল। লাইসেন্স দেখে পুলিশ আমতা আমতা করে আরো কিছু বলতে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই মদন আবারো চেঁচিয়ে উঠলো, "বলুন,আরো বানিয়ে বানিয়ে বলুন! এবার নিশ্চয়ই বলবেন যে আমি বেশি স্পিডে গাড়ি চালাচ্ছিলাম?"


মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ, ২০১৬

হাজমোলা নাও

রোববার দুপুরবেলা আমাদের পচাদা বারান্দায় বসে বিড়িতে একটু সুখটান দিচ্ছিলো। এমন সময় এক ভিখিরি এসে বললো, "বাবা, তোমার প্রতিবেশী আমাকে পুরো পেট ভরে খাইয়েছে। তুমিও কিছু দাও বাবা!"

পচাদা সঙ্গে সঙ্গে পকেটে হাত ঢুকিয়ে একটা হাজমোলার প্যাকেট বার করে বললো, "পেট ভরে তো খেয়েইছো, এই নাও হাজমোলা। এটা খেলে হজমও হয়ে যাবে!"

জুন আই কাম ইন স্যার?

বাচ্চাদের স্কুলে ইংরেজিটা নতুন পড়ানো শুরু হয়েছে।

বল্টু ক্লাসের দরজায় দাঁড়িয়ে বললো, "জুন আই কাম ইন স্যার?"

স্যার একটু ভ্যাবাচাকা খেয়ে বললেন, "এই নতুন ইংরেজি কোত্থেকে আমদানি করলে?"

বল্টু বললো, "কেনো স্যার, আপনিই তো বলতে বলেছিলেন!"

স্যার, "আমি? আমি তো মে আই কাম ইন স্যার বলতে বলেছিলাম।"

বল্টু, "স্যার, ওটাতো আপনি গত মাসে বলেছিলেন। মে মাস তো শেষ। আজ থেকে তো জুন মাস শুরু।"

স্যার অজ্ঞান!

বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৫

মহারাণী এলিজাবেথ আর সুব্রমানিয়াম স্বামী

শোনা যাচ্ছে যে গতকাল রাতে মহারাণী এলিজাবেথ আমাদের সুব্রমানিয়াম স্বামী কে ফোন করেছিলেন। কথাবার্তা কি হলো, সেটা শোনা যাক!

স্বামী, "হ্যালো, কে বলছেন?"

রাণী এলিজাবেথ, "মিঃ স্বামী, আপনি এসব কি শুরু করেছেন? এই বুড়ো বয়সেও একটু শান্তিতে থাকতে দেবেন না?"

স্বামী, "ম্যাডাম, ঠিক বুঝতে পারলাম না..."

রাণী এলিজাবেথ, "এঃ, ন্যাকা! এখন বুঝতে পারছে না! বলছি কোহিনুর-টোহিনুর যা আছে সব আমি ফিরিয়ে দিচ্ছি। চাইলে কাল-পরশুর মধ্যেই পাঠিয়ে দেবো। কিন্তু বাছা, এটা কিন্তু তোমাকে বন্ধ করতে হবে।"

স্বামী, "কোনটা?"

রাণী এলিজাবেথ, "যীশুর দিব্যি, তোমার ভগবানের দিব্যি, তোমার ছেলে বউয়ের আল্লার দিব্যি, তুমি এক্ষুণি বলা বন্ধ করো যে রাহুল গান্ধী বৃটিশ নাগরিক!"

বুধবার, ১১ নভেম্বর, ২০১৫

রাবণের অভিমান

রাম আর রাবণ খুব সিরিয়াসলি যুদ্ধ করছেন।  হঠাৎ করে রাবণ লক্ষ্য করলেন যে রামের পেছনে কে একজন দাড়িয়ে আছেন।

ভালো করে লোকটাকে দেখে রাবণ রামকে বললেন, "চল ইয়ার Bye!" এই শুনে রাম আশ্চর্য্য হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "কেন, কি হলো?" রাবণ বললেন, "কিছু না, যা সীতাকে নিয়ে যা...Bye।" রাম তো পুরো হতভম্ব হয়ে আবারো জিজ্ঞেস করলেন, "দাঁড়া না, আরে কি হয়েছে, বলবি তো?" রাবণ বললেন, "নেহি ইয়ার..আচ্ছা..I am sorry ...OK?"

রামের কাতর জিজ্ঞাসা, "আরে বল না ভাই, কি হয়েছে?" রাবণের অভিমানভরা কন্ঠস্বর, "না রে ভাই কিছু না। এর পর আর কোন কথাই হয় না ... no tension ...Bye!" রামের আবেগভরা স্বর, "না, এটা হয় না! আগে বল কি হয়েছে? আমার দিব্যি, বল কি হয়েছে?"

অভিমানে রাবনের চোখে তখন জল নেমে এসেছে। কাঁদোকাঁদো স্বরে রামকে বললেন, "ছাড় না ভাই! এটুকু সামান্য ব্যাপার নিয়ে তুই কিনা রজনীকান্তকে ডেকে নিয়ে এলি?"

সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০১৫

কি বলেছিলাম?

এক রিপোর্টার মোদিজিকে জিজ্ঞেস করলো, "মোদিজি, আপনি এর আগে কখনো ২০০ টাকা কিলোর ডাল খেয়েছেন?"

মোদিজি বললেন, "আমি কি বলেছিলাম সেটা মনে আছে তো? যে কাজ কংগ্রেস ষাট বছরে করতে পারে নি, আমি এক বছরের মধ্যে করে দেখিয়ে দিলাম। বলেছিলাম না, নিজেও খাবোনা, কাউকে খেতেও দেবো না! হুঁহুঁ বাবা, আমি এক কথার মানুষ!"

আমি তোমার কোক থেকে বেরিয়েছি মা!

একটা মেয়ে বসে কোক খাচ্ছিলো। 

হঠাৎ করে একটা মশা ঐ কোকের গ্লাস থেকে বেরিয়ে এসে বললো, "মা, মা ..."

মেয়েটা রেগেমেগে বললো, "এই শালা মশা, আমি তোর মা নই!"

মশাটা কাঁদোকাঁদো গলায় বললো, "এরকম বলো না মা! আমি তোমার কোক থেকে বেরিয়েছি!"

টুয়ুর জন্মদিন

সান্টা বান্টাকে জিজ্ঞেস করলো, "আরে ভাই, পাশের বাড়ি থেকে অতো আওয়াজ আসছে, ব্যাপারটা কি?"

বান্টা বললো, "আজকে ওদের বাড়িতে জন্মদিনের উৎসব চলছে রে।"

সান্টা, "কার জন্মদিন?"

বান্টা, "টুয়ুর..."

সান্টা অবাক হয়ে বললো, "টুয়ু?"

বান্টা বললো, "হ্যাঁ, তাইতো শুনতে পেলাম। সব্বাই বলছিলো হ্যাপি বার্থডে টুয়ু!"

শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৫

কাল এনে দেবো

পচাদা নিজের দোকানের নতুন কর্মচারি বান্টাকে বলল "আমি বাড়ি থেকে আসছি, কোন খদ্দের ফেরাবি না। যা চাইছে তা দোকানে না থাকলে অন্য কোম্পানির কিছু একটা দিয়ে বলবি আজকের মত চালিয়ে নিতে, কাল এনে দেবো"।

খদ্দের :"ভাই টয়লেট পেপার আছে?"

বান্টা: " না দাদা, শিরিষ কাগজ আছে, আজকের মত চালিয়ে নিন, কাল এনে দেবো"।

বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০১৫

বেশী পড়া স্বাস্থ্যের পক্ষে হানিকারক

এক বিশাল পড়াকু টাইপের ছেলে তার গার্লফ্রেণ্ডকে নিয়ে জীবনে প্রথমবার ডিনার ডেটে গেছে।

ওয়েটার এসে পাশে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলো, "কি অর্ডার করবেন স্যার ... ম্যাডাম?"

তো ছেলেটা ভাবলো একবার মেনুকার্ডটা দেখে নেওয়া যাক। কিন্তু পড়তে পড়তে বেচারার মাথার হাল তো অলরেডি বেহাল। কিছুতেই মেনু নামটা মনে আসছে না।

মিনিট দুয়েক মাথা-টাথা চুলকে বললো, "ভাই, একটু সিলেবাসটা নিয়ে এসো তো!"