রবিবার, ১২ জুলাই, ২০১৫

বনফুল: কিছু মজার ঘটনা

১) ডা. বলাইচাঁদকে ল্যাবরেটরির কাজে সাহায্য করত সীতাবি। দূর থেকে রুগীরা আসত। কেউ কেউ পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য আনত ইউরিন আর স্টুলের স্যাম্পেল। একবার এক রুগীর স্টুলের ভাঁড়ের সঙ্গে কারো মিষ্টির ভাঁড় অদল বদল হয়ে যায়। 
সীতাবি গোটা গোটা মিষ্টি দেখে দৌড়ে এসে ডাক্তারবাবুকে বলল, "বাবু ইয়ে মরিজ তো বাচেগা নেহি। ইসকো খানা তো একদম হজম নেহি হুয়া। যৈসে কি তৈসে রহ গিয়া।"

২) অমৃত বাজারের নিয়মিত লেখক আশুবাবু একবার বনফুলকে বললেন, "আপনি কত রকমের কুকুর দেখেছেন?"
বনফুল বললেন, "কেন বলুন তো?"
আশুবাবু, "আর বলেন কেন, এক ভদ্রলোকের ড্রয়িং রুমে পাপোশে পা মুছতে গেলুম, পাপোশটা খ্যাক করে কামড়ে দিল।"

৩) পরিমল গোস্বামী গেছেন ভাগলপুরে বনফুলের বাড়িতে। দুপুরে খেয়ে শুয়েছেন। বিকেলে উঠে বললেন, "আজ রাতে কিছু খাব না। পেটটা গুড় গুড় করছে।"
বনফুলের সন্দেহ হল। তিনি খাটের তলায় উঁকি মেরে দেখলেন, যা ভেবেছেন ঠিক তাই। খাটের তলায় কুকুরটা শুয়ে আছে আর থেকে থেকে গুড় গুড় করছে।

তথ্য : শিলাদিত্য


শনিবার, ৪ জুলাই, ২০১৫

আমি এখানে নতুন এসেছি ভাই!

একটা লোক পুরো বেহেড মাতাল হয়ে বার থেকে কোনোমতে টলতে টলতে বেরিয়ে এলো। বাইরে এসেই তার দেখা আরে বেহদ্দ মাতালের সাথে।

প্রথম মাতাল আকাশের দিকে তাকিয়ে দ্বিতীয়জনকে বললো, "ভাই, আকাশে ওটা কি চাঁদ না সূর্য্য?"

দ্বিতী্য মাতাল চোখমুখ কুঁচকে ওপরের দিকে তাকিয়ে বললো, "জানিনা ভাই! আমিও এখানে নূতন এসেছি।"

কোনটা ভালো লাগে?

আমাদের পচাদার বউ পচাদাকে জিজ্ঞেস করলো, "আচ্ছা, তোমাকে একটা প্রশ্ন করছি, সত্যি সত্যি উত্তর দেবে?"
বাংলা জোক, চুটকি জোক
পচাদা বললো, "কোন কথাটা আমি তোমাকে মিথ্যা বলি? পুছো তোমার কোশ্চেন!"
এস এম এস জোক, পচাদা জোকা, পচাবৌদি
পচাবৌদি বললো, "আচ্ছা, তোমার কোন জিনিসটা সবচেয়ে বেশী ভালো লাগে? আমার সৌন্দর্য্য, না আমার বুদ্ধি?"
অনাবিল হাসি, সুস্থ জোক, ফ্যামিলি জোক
পচাদা একটা মুচকি হাসি দিয়ে বললো, "আররে, তোমার এই জোক করার অভ্যেসটাই আমার সবচেয়ে ভালো লাগে!"
Bengali joke, bangla joke, sms joke
pochada, clean joke

শোধবোধ

একটা মিনিবাসের মধ্যে এক ভদ্রলোক বহু কষ্টে মাথা নিচু করে, ঘাড় গুঁজে দাঁড়িয়ে যাচ্ছিলেন। মিনিবাসের যেমন চরিত্র, উদ্দাম গতিতে কিছুক্ষণ চলার পর আচমকা ব্রেক কষে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। আর সেই দাঁড়ানো ভদ্রলোক টাল সামলাতে না পেরে সামনের সিটের উপর গিয়ে পড়ছেন। ভদ্রলোক যে সিটের উপর বারবার পড়ছিলেন সেই সিটে এক সুন্দরী মহিলা বসা আর পাশে ভদ্রমহিলার স্বামী। ভদ্রমহিলার কোলের উপর বারবার পরপুরুষ এসে পড়ছে, এতে ভদ্রমহিলার কোনও বিকার নেই। কিন্তু ভদ্রমহিলার স্বামী দেবতাটি প্রচণ্ড ক্রুদ্ধ। তিনি চেঁচামেচি, গালিগালাজ শুরু করলেন, "কি বদমায়েশ লোক আপনি মশায়, কি অসভ্য, বারবার আমার বৌয়ের গায়ের উপর পড়ছেন।"

পতনশীল ভদ্রলোকটি কিন্তু এত গালাগালি শুনেও নির্বিকার। এবং যথারীতি বাসের আচমকা থামার পর টাল সামালাতে না পেরে সেই মহিলার কোলের উপর হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। আর স্বামী দেবতাটি আরও তেলে বেগুনে জ্বলে উঠছেন। এর পরও ভদ্রলোক নির্বিকার ভাবে বাইরে তাকিয়ে রইলেন। এর মধ্যে তার গন্তব্য এসে গেছে। 

নামার সময় পকেট থেকে একটা ভিজিটিং কার্ড বের করে উত্তেজিত স্বামী দেবতার হাতে দিয়ে বললেন, "দাদা , নিজের অজান্তে, অনিচ্ছায় এবং বাসের ঝাঁকুনি সামলাতে না পেরে বেশ কয়েকবার আপনার স্ত্রীর গায়ে পড়ে গিয়েছিলাম। আপনি অনেক গালাগালি করেছেন। আপনার মুখ দেখে মনে হচ্ছে আপনি এখনো রেগে আছেন। এখনো যদি আপনার মনে শান্তি না হয়ে থাকে, এই কার্ডে আমার ঠিকানা আছে।"

ভদ্রলোকের এই অনুতাপদগ্ধ আচরণে স্বামী বেচারা একটু বিব্রত বোধ করতে লাগলেন। তিনি একটা ঢোঁক গিলে প্রশ্ন করলেন, "আপনার ভিজিটিং কার্ড আর ঠিকানা নিয়ে আমি কি করব?" 

গমনোদ্যত ভদ্রলোক বাসের সিঁড়িতে পা দিয়ে বললেন, "কি আর করবেন? কোনও রবিবার অথবা ছুটির দিনে দয়া করে একটু সময় বার করে আমার বাড়ীতে আসবেন। আমার স্ত্রীর কোলে আধ ঘণ্টা বসবেন। আমি কিছু মনে করব না। আমি যে আপনার স্ত্রীর কোলের উপর বারবার পড়েছিলাম, সেটা শোধবোধ হয়ে যাবে।"

( সংগৃহীত : শিব্রাম চক্কত্তি ও তারাপদ রায়ের যুগলবন্দী।)

বুধবার, ১৭ জুন, ২০১৫

পচাদার চিকিৎসা

আমাদের পচাদা গেছে ডাক্তারের কাছে। গিয়ে বললো, "ডাক্তারবাবু, আমার পেটে গ্যাসের অনেক সমস্যা। কিন্তু ভালো দিক এই যে আমার গ্যাসের গন্ধও হয় না, আওয়াজ ও হয় না। এখানে বসে আমি ১৫-২০ বার গ্যাস ছেড়েছি; কিন্তু কেউ টেরই পায় নি!"

ডাক্তারঃ "এই ওষুধটা খান, আর এক সপ্তাহ পরে আসবেন।"

এক সপ্তাহ পর ...

পচাদা ডাক্তারের কাছে গিয়ে প্রায় আর্তনাদ করে বলে উঠলো, "এ কি ওষুধ দিলেন ডাক্তার সাহেব, আমার গ্যাসে এখনো আওয়াজ নেই; কিন্তু জঘন্য গন্ধ বের হয়!"

ডাক্তারবাবু গম্ভীরভাবে বললেন, "গুড, আপনার নাক ঠিক হয়ে গেছে; এখন আপনার কানের চিকিৎসা করতে হবে!"


রবিবার, ৭ জুন, ২০১৫

ছাত্রদের সাহস

এক ইঞ্জিনিয়ারিং আর মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল, দুজনের মধ্যে তর্ক হচ্ছিলো যে কার ছাত্রদের সাহস বেশী।

মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল তাঁর ছাত্রদের ডেকে হাঙরে ভর্তি সমুদ্রের মধ্যে ঝাঁপ মারতে বললেন। ছাত্ররা কোনও প্রশ্ন না করে সোজা ঝাঁপ মেরে দিলো। প্রিন্সিপাল ঘুরে তাঁর বন্ধুকে বললেন, "দেখলে? আমার ছাত্রদের সাহস কতোখানি?"

ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রিন্সিপালও তাঁর ছাত্রদের ডেকে হাঙরে ভর্তি সমুদ্রের মধ্যে ঝাঁপ মারতে বললেন। ছাত্ররা সমুদ্রের দিকে একবার তাকিয়ে বললো, "আপনি আমাদের নিজের মতন পাগল ভেবেছেন নাকি?" ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রিন্সিপাল এবার তাঁর বন্ধুকে বললেন, "দেখলে? আমার ছাত্রদের সাহস!"


সোমবার, ১ জুন, ২০১৫

গুগল ছেলে না মেয়ে?

আমাদের পচাদা সন্ধেবেলা পাড়ার আড্ডায় এসেই বললো, "একটা জিনিস বল দেখি, গুগল ছেলে না মেয়ে?"

আমরা এর-ওর দিকে মুখ চাওয়াচাওয়ি করছি দেখে পচাদা একটা করুণার হাসি হেসে বললো, "এতো সোজা জিনিসটাও বলতে পারলি না! গুগল হলো মেয়ে।"

এবার আমরা পচাদাকে ধরলাম, "যাতা বললেই হলো? গুগল মেয়ে হলো কিকরে?"

পচাদা খুবই তাচ্ছিল্যের সঙ্গে বললো, "দেখ বাওয়া, গুগল মেয়েই। কারন, তোকে কোন কথাই শেষ করতে দেবে না, আর তার আগেই পঞ্চাশটা সাজেশন দিয়ে বসবে! এবার বুঝলি?" বলেই কেটে পড়লো।


সান্টা সিং এর প্রার্থনা

সান্টা সিং এর গ্রামের অনেকেই কানাডা চলে যাওয়ায় তারও ইচ্ছা হলো ভারত ছেড়ে কানাডা চলে যাবে। এদিকে তার কাছে অতো টাকাও নেই যে এরোপ্লেনের টিকেট কেটে কানাডা যেতে পারবে।
বাংলা জোক
অনেক ভেবেচিন্তে সান্টা শেষমেষ ভগবানের কাছে কাতর প্রার্থনা শুরু করলো। প্রার্থনায় সাড়া দিয়ে ভগবান এসে বললেন, "বলরে সান্টা, কি চাস তুই?"
সান্টা সিং জোক
সান্টা বললো, "প্রভু আমার বাড়ি থেকে কানাডা পর্যন্ত একটা রাস্তা বানিয়ে দাও, যাতে আমি ট্রাক চালিয়েই কানাডা চলে যেতে পারি।"
সবার জন্য জোক
ভগবান আঁৎকে উঠে বললেন, "অসম্ভব! তুই অন্য কিছু চা।"
এস এম এস জোক
একটু ভেবে নিয়ে সান্টা বললো, "ঠিক আছে। তাহলে আমাকে এমন একজন মেয়ের সাথে মিলিয়ে দাও যে শুধু আমাকেই ভালোবাসবে।"
সর্দার জোক
একটা হেঁচকি তুলে ভগবান জিজ্ঞেস করলেন, "বেটা সান্টা, রাস্তাটা সিঙ্গল লেন হবে না ডাবল লেন?"
চালু জোক
ফ্রেশ জোক

প্রথম অপারেশন

ডাক্তারবাবু জীবনের প্রথম অপারেশন করতে চলেছেন। খুবই উৎকণ্ঠিত। অপারেশন একসময় শেষও হয়ে গেলো এবং রোগীও কিছুক্ষণ বাদেই অক্কা পেলেন।
বাংলা জোক
রোগী মরে যাওয়ার পর ডাক্তারবাবু দেওয়ালে টাঙ্গানো ভগবানের ছবির সামনে গিয়ে হাতজোড় করে, মাথা নীচু করে খুবই ভক্তিভরে বললেন, "হে প্রভু, জগতের প্রাণদাতা, আমার তরফ থেকে এই প্রথম নৈবেদ্য দয়া করে গ্রহণ করুন!"
ডাক্তার
অপারেশন

সেলফি


(এটা পাগলা দাশুর ডায়েরি থেকে সংগৃহীত।)

বেঁকেচুরে সেলফি তুলি, তাহাতে এফেক্ট ডালি,
স্ট্যাটাস মাখিয়া দিয়া তাতে,
ন্যাকা ন্যাকা বোকা শব্দ,
চারিদিক উত্তপ্ত,
জনগণ লাইক মারিয়া যায় তাতে।