মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

বাঙ্গালিবাবুর শায়েরি চর্চা

এক বাঙ্গালিবাবুর শখ হলো তিনি শের-শায়েরি শিখবেন। তিনি গিয়ে হাজির হলেন গুলজারসাহেবের কাছে। সব শুনে গুলজারসাহেব বললেন, "ঠিক আছে। আমি একটা শের বলছি, আর আপনি সেটা শুনে আমার পর বলবেন।" বাঙ্গালিবাবু বললেন, "ঠিক আছে।"

গুলজারসাহেব বললেন, "না গিলা করুঙ্গা / না শিকওয়া করুঙ্গা / তু সলামত রহে ইস দুনিয়া মে / রব সে ইয়েহী দুয়া করুঙ্গা।"

বাঙ্গালিবাবু এই শুনে বললেন, "না গীলা কোরেগা / না শুখা কোরেগা / তু শালা মত রহো ইস দুনিয়া মে / রোব সে ইয়েহী দোয়া কোরেগা।"

গুলজার মূর্চ্ছা গেলেন!


চেক বাউন্স

আমাদের পচাদা পাড়ার ডাক্তারবাবুকে চেকে ফিজের টাকাটা দিয়ে এসেছিলো।

কয়েকদিন পর, ডাক্তারবাবু পচাদাকে দেখতে পেয়ে ডেকে বললেন, "এইযে পচাবাবু, আপনার দেওয়া চেকটা কিন্তু ফেরত এসেছে।"

পচাদা বললো, "সেতো আসবেই।" এতে ডাক্তারবাবু আরো রেগে গিয়ে বললেন, "মানে?"

পচাদা খুব ঠাণ্ডাভাবে বললো, "আপনার কাছে যে রোগটা সারাতে গেছিলাম, সেটাও তো আবার ফিরে এসেছে।"


সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

বুদ্ধু বানাচ্ছি

পাপ্পু একটা কুকিং কনটেস্টে নাম দিলো।

প্রতিযোগীতা শুরু হওয়ার পর দেখা গেলো যে সবাই যে যার রেসিপি অনুযায়ী রান্না করছে, আর পাপ্পু একটা সসপ্যানে চামচ দিয়ে নাড়াচাড়া করেই যাচ্ছে। এই দেখে একজন বিচারক পাপ্পুকে জিজ্ঞেস করলেন, "এটা আপনি কি বানাচ্ছেন?"

পাপ্পু খুব গম্ভীরভাবে বললো, "বুদ্ধু বানাচ্ছি।"


কোথায় আছো?

আমাদের পল্টু হোয়াটস আপে তার বান্ধবীকে মেসেজ দিলো, "হাই, কোথায় আছো?"

বান্ধবী উত্তর দিলো, "হ্যাললো! আমি এখন বাবার বিএমডব্লিউ চড়ে ক্লাবে যাচ্ছি। ড্রাইভার আমাকে ক্লাবে ছেড়ে চলে যাবে। ক্লাব থেকে বেরিয়ে আমি মলে শপিং করতে যাবো। তখন তোমায় ফোন করবো। তুমি কোথায়?"

পল্টু মেসেজ করলো, "আমি ৪০৩ নম্বর বাসে করে যাচ্ছি। তোমার সিটের ঠিক পেছনেই দাঁড়িয়ে আছি। তুমি টিকিট করো না। আমি তোমার টিকিটও কেটে নিয়েছি।"


সরকারী দফতর

এক সরকারী দফতরের দরজাতে বড় বড় অক্ষরে লেখা ছিলো, "দয়া করে এখানে শোরগোল করবেন না।"

আমাদের পচাদা তার তলায় লিখে দিলো, "করলে আমরা জেগে যাবো!"


শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

ফুল নিয়ে যান

এক ফুলওয়ালা একজন লোককে দেখে বললো, "সাহেব, আপনার গার্লফ্রেণ্ডের জন্য একটা ফুলের বোকে নিয়ে যান।"

লোকটা বললো, "আমার গার্লফ্রেণ্ড নেই।"

ফুলওয়ালা আবার বললো, "তাহলে আপনার বাগদত্তার জন্য নিয়ে যান।"

লোকটা বললো, "আমার বাগদত্তাও নেই।"

ফুলওয়ালা শেষ চেষ্টা করলো, "তাহলে আপনার স্ত্রীর জন্য ফুল নিয়ে যান।"

লোকটা আবারো বললো, "আমার স্ত্রীও নেই রে ভাই।"

ফুলওয়ালা এবার বললো, "তাই নাকি বস! তাহলে আমার তরফ থেকে এই ফুলের গোছাটা তোমায় দিলাম। কারন তোমার চেয়ে সৌভাগ্যশালী লোক এই পৃথিবীতে আছে বলে মনে হয় না।"


জীবনের দাম

পচাদা পাড়ার আড্ডায় এসেই বললো, "বুঝলি, জীবনের দামটা মরার পরেই বোঝা যায়।"

আমাদের অবিশ্বাসী মুখগুলোর দিকে তাকিয়ে আবার বললো, "বিশ্বাস করলি না তো! আচ্ছা ধর, একটা জীবিত মুরগীর দাম বেশী হলে দেড়শো টাকা। এবার মুরগীটা মরার পর যেই চিকেন তন্দুরি বানালি, সেটার দাম হয়ে গেলো সাড়ে-তিনশো টাকা। বুঝলি?"


কিচেন থেকে নুন নিয়ে এসো

পচাবৌদি পচাদাকে ডেকে বললো, "হ্যাঁগো, কিচেন থেকে একটু নুনের কৌটোটা নিয়ে এসো।"

পচাদা কিচেন থেকে উত্তর দিলো, "এখানে তো নুনের কৌটো নেই।"

বৌদি বলে উঠলো, "জানতাম তুমি খুঁজে পাবে না। কোনও কাজই তো ঠিকঠাক করতে পারো না। কিছু করতে বললেই হয়ে গেলো! তাই আমি আগেই নুনের কৌটোটা কিচেন থেকে নিয়ে এসেছিলাম।"

পচাদা শুনে "থ" এবং "দ"।


ভ্যালেন্টাইনস ডে

বিয়ের পাঁচ বছর পরের ভ্যালেন্টাইনস ডে তে পচাদা বৌদির জন্য একতোড়া সাদা গোলাপ নিয়ে বাড়ি ফিরলো।

বৌদি অবাক হয়ে পচাদাকে জিজ্ঞেস করলো, "একি, সাদা গোলাপ কেনো? ভ্যালেন্টাইনস ডে তে লোকে তো লাল গোলাপ দেয়।"

পচাদা বললো, "শোনো, জীবনে এখন ভালবাসার চেয়ে শান্তিটাই বেশী জরুরী!"


মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৩

জলের রাসায়নিক ফর্মুলা

টীচার পাপ্পুকে জিজ্ঞেস করলেন, "পাপ্পু বলো তো জলের রাসায়নিক ফর্মুলা কি?"

পাপ্পু, "স্যার, H2MgCl2NaClHNO3CaCO3Ca(OH)2SnTNHgNiHCL(COOH)!"

টীচার (একটু ঘাবড়ে গিয়ে), "এটা আবার কি?"

পাপ্পু, "স্যার, মিউনিসিপালিটি যে জলটা দেয়, সেটার কেমিক্যাল ফর্মুলা!"