শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৪

কহানী ইন্টারভিউ কি

একবার বিল গেটস্ নিজের কোম্পানির দুজন জেনারেল ম্যানেজার চেয়ে ইন্টারভিউয়ের জন্য কাগজে বিজ্ঞাপন দিলেন। ইন্টারভিউয়ের দিন সকালবেলা দেখা গেলো প্রায় ৫০০০ জন এসে হাজির। পাটনার প্রতাপ কুমার তার মধ্যে একজন। এত্তো লোকের ভিড় দেখে বিল গেটসের মাথা খারাপ হওয়ার জোগাড়। ক্যাণ্ডিডেটদের সংখ্যা কমানোর জন্য সব্বাই মিলে একটা প্ল্যান বানানো হলো। 
বাংলা জোক, বিহারী জোক, বিল গেটস, মাইক্রোসফট
সেইমতো বিল গেটস এসে প্রথমেই বললেন, "আপনাদের ধন্যবাদ জানাই, এখানে আসার জন্য। যারা 'ডটনেট' জানেন না, তাঁরা চলে যেতে পারেন।" এই ঘোষণা শুনে ২০০০ জন চলে গেলেন। আমাদের প্রতাপ ভাবলো, "ডটনেট কেনো, কোনকিছুই তো জানি না, থেকেই যাই।"
বাংলা জোক, বিহারী জোক, বিল গেটস, মাইক্রোসফট
এরপর বিল গেটস্ আবার বললেন, "যাঁরা ১০০ জনের ওপর কর্মীকে ম্যানেজ করতে পেরেছেন, তাঁরাই থাকুন, বাকীরা চলে যেতে পারেন।" এটা শুনে আরো ১০০০ জন চলে গেলেন। প্রতাপ আবারো ভাবলো, "আমি তো নিজেই নিজেকে ম্যানেজ করতে পারি না। তবুও থেকেই যাই।"
বাংলা জোক, বিহারী জোক, বিল গেটস, মাইক্রোসফট
বিল গেটস্ এবার তিন নম্বর কণ্ডিশন দিলেন, "যাঁদের ম্যানেজমেন্ট ডিগ্রি নেই, তাঁরা যেতে পারেন।" আরো ১০০০ জন চলে গেলেন। প্রতাপ ভাবলো, "আমি তো মাধ্যমিক পাশ, তবে চাকরীটা পেলে ভাগলপুর থেকে একটা এমবিএ নাহয় নিয়েই নেবো। থেকেই যাই।"
বাংলা জোক, বিহারী জোক, বিল গেটস, মাইক্রোসফট
আবার বিল গেটস্ বললেন, "যাঁরা জাপানী ভাষা জানেন, তাঁরাই থাকুন আর বাকিরা চলে যান।" আরো ৫০০ জন চলে গেলেন। প্রতাপ ভাবলো, "আমি তো হিন্দি ছাড়া কিছুই জানি না। দেখি কি হয়! থেকেই যাই।"
বাংলা জোক, বিহারী জোক, বিল গেটস, মাইক্রোসফট
এই করে করে একটা সময় দেখা গেল দুজন ক্যুল্যে আছেন। এবার বিল গেটস বললেন, "ভেরি গুড! যেহেতু আমাদের দুজনকে দরকার আর তোমরা দুজনই আছো যারা দরকারী সব কণ্ডিশন ফুলফিল করেছো, তাই তোমাদের আর কোনও ইন্টারভিউ নেওয়া হবে না। ওয়েলকাম টু মাইক্রোসফট! কাল থেকে তোমাদের ট্রেনিং শুরু হবে। কনগ্রাচুলেশ্যন!"
বাংলা জোক, বিহারী জোক, বিল গেটস, মাইক্রোসফট
বিল গেটস চলে যাওয়ার পর ফাঁক পেয়ে প্রতাপ সেই একজনকে জিজ্ঞেস করল, "কৌন জিলা ঘর পঢ়ি হো?" উত্তর পাওয়া গেলো, "ছাপড়া। তোহার?"


রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৪

বিজ্ঞাপন

প্রতিদিন সংবাদপত্রের সাথে কিছু বিজ্ঞাপনের কাগজ থাকে। সেই রকমই একটা প্রচার পত্র ছিল, আজ।
বাংলা জোক, চুটকি
বড়োবড়ো অক্ষরে লেখা আছে, "আপনি কি মদ্যপান করেন ? তাহলে আমাদের ফোন করুন, আমরা সাহায্য করতে পারি।"
পচাদা জোক, sms bengali joke
পচাবৌদি পচাদাকে বাধ্য করলো ফোন করতে। বোধহয় এটা মদ্যপান ছাড়ানোর কিছু হবে ভেবে।
bangla joke
পচাদা জোরাজুরিতে ফোন করলো। ওপার থেকে উত্তর এলো, "তিনটে হুইস্কির বোতল কিনুন , একটা বিনামূল্যে।"


জুয়া খেলার জন্য


পুলিশ জুয়ার ঠেকে রেড করে এক জুয়াড়িকে ধরে থানায় নিয়ে এলো।
চুটকি, বাংলা জোক
থানায় এসেই জুয়াড়ি বড়বাবুকে জিজ্ঞেস করলো, "স্যার, আমাকে কেনো ধরে আনা হলো জানতে পারি কি?"
এস এম এস জোক
বড়বাবু, "শালা, ন্যাকামো হচ্ছে? জানিস না তোকে জুয়া খেলার জন্য ধরে এনেছি?"
বাংলা জোক, চুটকি
জুয়াড়ি, উল্লসিত হয়ে, "তাহলে স্যার আর দেরী করা হচ্ছে কেনো? তাড়াতাড়ি শুরু করে দিন।"



রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

চাঁদে জল নেই

আমাদের পচাদা গেছে সুলভ শৌচালয়ে। শৌচালয়ের ভিতরে ঢোকার পর পচাদার নজরে পড়লো যে সামনের দেওয়ালে কেউ লিখে গেছে - 
"দুনিয়াটা কোত্থেকে কোথায় চলে গেছে, মানুষ চাঁদে পা রেখেছে, আর তুই ... তুই এখনো এখানেই বসে আছিস?"
কাজকর্ম সেরে বেরিয়ে আসার আগে পচাদা ওই লাইনের ঠিক তলায় লিখে দিয়ে এলো,
"চাঁদে গেছিলাম ভাই, কিন্তু ওখানে জল নেই, তাই এখানেই বসে আছি!"

 

বুধবার, ১৬ জুলাই, ২০১৪

ইঞ্জিনিয়ারিং না মেডিকেল?

সান্টা সিং তার বন্ধু বান্টাকে বললো, "আরে ইয়ার বান্টা, এই নারকেল গাছটাতে চড়লে ঐ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের মেয়েগুলোকে দেখতে পাবো, তাই না?"

বান্টা একটু হেসে বললো, "নিশ্চয়! আর ওপরে উঠে হাত স্লিপ করলে মেডিকেল কলেজের মেয়েগুলোকেও দেখতে পাবি!"

বাংলা জোক, হাসির জোক, মজার জোক

সদা সত্য কথা বলিবে

পৃথিবীর মোটামুটি সব পেট্রোল পাম্পেই সতর্কতার জন্য নোটিস লাগানো থাকে যে এখানে ধূমপান করা নিষেধ। কিন্তু ভারতের এক পেট্রোল পাম্পের মালিক
পেট্রোল পাম্পের সেই নোটিসের ছবি
"সদা সত্যকথা বলিবে" এই আপ্তবাক্যটি একটু বেশী সিরিয়াসভাবে নিয়ে নিজের পেট্রোল পাম্পে লিখে রেখেছেন - 
এখানে ধূমপান করা নিষেধ। আপনাদের জীবনের কোনও দাম না-ই থাকতে পারে, কিন্তু আমাদের পাম্পের পেট্রোল খুবই দামী জিনিস!"

মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪

ভগবান তৈরী করেছেন

পচাদার ছেলে বিল্টু যেমন দস্যি, তেমনি বিচ্ছু। একদিন দাদুর সাথে বিকেলে পার্কে বেড়াতে বেরিয়েছে। বেশ খানিকক্ষণ পর সে দাদুর কাছে জানতে চাইলো, "আচ্ছা দাদু তোমাকে কে তৈরী করেছেন?" দাদু বললেন, "ভগবান করেছেন দাদাভাই।" বিল্টু এরপর জিজ্ঞেস করলো, "আর আমাকে কে তৈরী করেছেন?" দাদু বললেন, "তোমাকেও ভগবানই তৈরী করেছেন।"

এই না শুনে বিল্টু বললো, "ভাগ্যিস, ভগবান এখন আগের চেয়ে অনেক ভালো কাজ শিখে গেছেন।"


বাঙ্গালিবাবুর শায়েরি চর্চা

এক বাঙ্গালিবাবুর শখ হলো তিনি শের-শায়েরি শিখবেন। তিনি গিয়ে হাজির হলেন গুলজারসাহেবের কাছে। সব শুনে গুলজারসাহেব বললেন, "ঠিক আছে। আমি একটা শের বলছি, আর আপনি সেটা শুনে আমার পর বলবেন।" বাঙ্গালিবাবু বললেন, "ঠিক আছে।"

গুলজারসাহেব বললেন, "না গিলা করুঙ্গা / না শিকওয়া করুঙ্গা / তু সলামত রহে ইস দুনিয়া মে / রব সে ইয়েহী দুয়া করুঙ্গা।"

বাঙ্গালিবাবু এই শুনে বললেন, "না গীলা কোরেগা / না শুখা কোরেগা / তু শালা মত রহো ইস দুনিয়া মে / রোব সে ইয়েহী দোয়া কোরেগা।"

গুলজার মূর্চ্ছা গেলেন!


চেক বাউন্স

আমাদের পচাদা পাড়ার ডাক্তারবাবুকে চেকে ফিজের টাকাটা দিয়ে এসেছিলো।

কয়েকদিন পর, ডাক্তারবাবু পচাদাকে দেখতে পেয়ে ডেকে বললেন, "এইযে পচাবাবু, আপনার দেওয়া চেকটা কিন্তু ফেরত এসেছে।"

পচাদা বললো, "সেতো আসবেই।" এতে ডাক্তারবাবু আরো রেগে গিয়ে বললেন, "মানে?"

পচাদা খুব ঠাণ্ডাভাবে বললো, "আপনার কাছে যে রোগটা সারাতে গেছিলাম, সেটাও তো আবার ফিরে এসেছে।"


সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪

বুদ্ধু বানাচ্ছি

পাপ্পু একটা কুকিং কনটেস্টে নাম দিলো।

প্রতিযোগীতা শুরু হওয়ার পর দেখা গেলো যে সবাই যে যার রেসিপি অনুযায়ী রান্না করছে, আর পাপ্পু একটা সসপ্যানে চামচ দিয়ে নাড়াচাড়া করেই যাচ্ছে। এই দেখে একজন বিচারক পাপ্পুকে জিজ্ঞেস করলেন, "এটা আপনি কি বানাচ্ছেন?"

পাপ্পু খুব গম্ভীরভাবে বললো, "বুদ্ধু বানাচ্ছি।"


কোথায় আছো?

আমাদের পল্টু হোয়াটস আপে তার বান্ধবীকে মেসেজ দিলো, "হাই, কোথায় আছো?"

বান্ধবী উত্তর দিলো, "হ্যাললো! আমি এখন বাবার বিএমডব্লিউ চড়ে ক্লাবে যাচ্ছি। ড্রাইভার আমাকে ক্লাবে ছেড়ে চলে যাবে। ক্লাব থেকে বেরিয়ে আমি মলে শপিং করতে যাবো। তখন তোমায় ফোন করবো। তুমি কোথায়?"

পল্টু মেসেজ করলো, "আমি ৪০৩ নম্বর বাসে করে যাচ্ছি। তোমার সিটের ঠিক পেছনেই দাঁড়িয়ে আছি। তুমি টিকিট করো না। আমি তোমার টিকিটও কেটে নিয়েছি।"


সরকারী দফতর

এক সরকারী দফতরের দরজাতে বড় বড় অক্ষরে লেখা ছিলো, "দয়া করে এখানে শোরগোল করবেন না।"

আমাদের পচাদা তার তলায় লিখে দিলো, "করলে আমরা জেগে যাবো!"


শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪

ফুল নিয়ে যান

এক ফুলওয়ালা একজন লোককে দেখে বললো, "সাহেব, আপনার গার্লফ্রেণ্ডের জন্য একটা ফুলের বোকে নিয়ে যান।"

লোকটা বললো, "আমার গার্লফ্রেণ্ড নেই।"

ফুলওয়ালা আবার বললো, "তাহলে আপনার বাগদত্তার জন্য নিয়ে যান।"

লোকটা বললো, "আমার বাগদত্তাও নেই।"

ফুলওয়ালা শেষ চেষ্টা করলো, "তাহলে আপনার স্ত্রীর জন্য ফুল নিয়ে যান।"

লোকটা আবারো বললো, "আমার স্ত্রীও নেই রে ভাই।"

ফুলওয়ালা এবার বললো, "তাই নাকি বস! তাহলে আমার তরফ থেকে এই ফুলের গোছাটা তোমায় দিলাম। কারন তোমার চেয়ে সৌভাগ্যশালী লোক এই পৃথিবীতে আছে বলে মনে হয় না।"


জীবনের দাম

পচাদা পাড়ার আড্ডায় এসেই বললো, "বুঝলি, জীবনের দামটা মরার পরেই বোঝা যায়।"

আমাদের অবিশ্বাসী মুখগুলোর দিকে তাকিয়ে আবার বললো, "বিশ্বাস করলি না তো! আচ্ছা ধর, একটা জীবিত মুরগীর দাম বেশী হলে দেড়শো টাকা। এবার মুরগীটা মরার পর যেই চিকেন তন্দুরি বানালি, সেটার দাম হয়ে গেলো সাড়ে-তিনশো টাকা। বুঝলি?"


কিচেন থেকে নুন নিয়ে এসো

পচাবৌদি পচাদাকে ডেকে বললো, "হ্যাঁগো, কিচেন থেকে একটু নুনের কৌটোটা নিয়ে এসো।"

পচাদা কিচেন থেকে উত্তর দিলো, "এখানে তো নুনের কৌটো নেই।"

বৌদি বলে উঠলো, "জানতাম তুমি খুঁজে পাবে না। কোনও কাজই তো ঠিকঠাক করতে পারো না। কিছু করতে বললেই হয়ে গেলো! তাই আমি আগেই নুনের কৌটোটা কিচেন থেকে নিয়ে এসেছিলাম।"

পচাদা শুনে "থ" এবং "দ"।


ভ্যালেন্টাইনস ডে

বিয়ের পাঁচ বছর পরের ভ্যালেন্টাইনস ডে তে পচাদা বৌদির জন্য একতোড়া সাদা গোলাপ নিয়ে বাড়ি ফিরলো।

বৌদি অবাক হয়ে পচাদাকে জিজ্ঞেস করলো, "একি, সাদা গোলাপ কেনো? ভ্যালেন্টাইনস ডে তে লোকে তো লাল গোলাপ দেয়।"

পচাদা বললো, "শোনো, জীবনে এখন ভালবাসার চেয়ে শান্তিটাই বেশী জরুরী!"