Campus joke লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Campus joke লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২৭ জুন, ২০১২

ইউপিএ-র পুরো নাম

গজাদের স্কুলের সোশ্যাল স্টাডিস টিচার গজাকে জিজ্ঞেস করলেন, "বলো তো গজা, ইউপিএ-র পুরো নাম কি?"
গজাও খুব স্মার্টলি বললো, "আণ্ডার প্রেসার এলায়েন্স, স্যার।"

বৃহস্পতিবার, ২১ জুন, ২০১২

চিরদিনের জোক

ছাত্ররা কোন জোকটা আগেও করতো, এখনো করে এবং ভবিষ্যতেও করবেই?
যখন তারা বলে, "অনেক মস্তি করে নিয়েছি বস, কাল থেকে সিরিয়াসলি পড়াশুনো করবো!"

রবিবার, ১৭ জুন, ২০১২

তাজমহল আর বান্টা সিং

আমাদের বান্টা সিং এর হঠাৎ করে শখ হলো যে সে ইংরেজি শিখবে। যেমন চিন্তা তেমনই কাজ। বান্টা গিয়ে একটা স্পোকেন ইংলিশের কোর্সে ভর্তি হয়ে গেলো।
তিন মাসের কোর্স শেষ হওয়ার পর, ওদের টিচার মৌখিক পরীক্ষা নিচ্ছিলেন।
বান্টা সিং এর পরীক্ষার সময় এলে, টিচার বললেন, "বান্টা সিং, দেখি কতটুকু ইংরেজি শিখলে। সংক্ষেপে ইংরেজিতে তাজমহলের বর্ণনা দাও তো।"
বান্টা সিং সাথে সাথে জবাব দিলো, "স্যার, এটা তো জলের মতন সোজা! Taj Mahal is the greatest erection of a man, for a woman - অর্থাৎ তাজমহল, একজন মহিলার উদ্দেশ্যে পুরুষের নির্মাণ করা সর্বশ্রেষ্ঠ স্থাপত্য।"
কিন্তু, বান্টার ইংরেজিটা যথারীতি একটু গোলমেলে হয়ে গেলো!!

শুক্রবার, ১৫ জুন, ২০১২

সফল ছাত্রের পেছনে

যেমনভাবে প্রত্যেক সফল পুরুষের সাফল্যের পেছনে একজন নারী থাকেন,
যেভাবে প্রত্যেক সফল ছাত্রের পেছনে একজন অত্যন্ত ভালো এবং অধ্যবসায়ী শিক্ষিকা থাকেন,
ঠিক 
সেই ভাবেই 
প্রত্যেক অসফল ছাত্রের পেছনে ...... 
একজন খুবই সুন্দরী শিক্ষিকা থাকবেনই!

সোমবার, ৪ জুন, ২০১২

পদে বিপদ

স্যার, "সে গাছ থেকে পড়লো। নরেন, বলতো এটা কোন পদ।"
" "
" "
" "
" "
ছাত্র, "বিপদ স্যার!!"

ট্রাফিক সিগন্যাল

এক মহিলা ট্রাফিক সিগন্যাল ভঙ্গ করে গাড়ি নিয়ে সরে পড়তে চেষ্টা করছিলেন।
পুলিশ হুইসেল বাজিয়ে বললো, "থামুন!"
মহিলা পুলিশকে অনুরোধ করলেন, "আমাকে যেতে দিন। আমি একজন টিচার।"
পুলিশ, "আহ! এই মুহুর্তটার জন্যই সারাজীবন অপেক্ষা করেছি। এখন আপনি খাতায় ১০০ বার লিখুন 'আমি জীবনেও আর কখনো ট্রাফিক সিগন্যাল ভঙ্গ করবো না'!"

নামে কি আসে যায়

শিক্ষক জিজ্ঞেস করলেন, "এমন একটি পদার্থর নাম বল যেটা বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন নামে রূপান্তরিত হয়।"
ছাত্র, "স্যার, চুল।"
শিক্ষক, "চুল? কিভাবে?"
ছাত্র, "স্যার যেমন ধরুন মাথায় থাকলে চুল, চোখের উপরে থাকলে ভুরু, চোখে থাকলে পাপড়ি, নাকের নিচে থাকলে গোঁফ, ঠোঁট এর নিচে থাকলে দাড়ি, বুকে থাকলে লোম আর ..."
শিক্ষক রেগেমেগে বললেন, "চুপ বেয়াদপ! আর নিচে যাবি না।"

শুক্রবার, ১ জুন, ২০১২

হৃদয় মন্দির

কলেজ ফেরতা অণিমাকে দেখে রাস্তার এক চ্যাংড়া ছোঁড়া বললো, "হে সুন্দরী, এসো, টুক করে আমার হৃদয়ে ঢুকে পড়ো।"
অণিমা বললো, "জুতো খুলবো?"
ছেলেটা একগাল হেসে বললো, "আরে পাগলি, আমার হৃদয়ে আসতে বলেছি, কোন মন্দিরে নয়।"

বুধবার, ৩০ মে, ২০১২

সান্টা সিং এর মেয়ে

একজোড়া প্রেমিক-প্রেমিকা রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলো।
হঠাৎ একটা দশতলা বাড়ির ছাদে এক সর্দারকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ছেলেটা বললো, "একটা মজার জিনিস দেখবে? ঐ ওপরে দেখো সর্দার দাঁড়িয়ে আছে। ওকে খ্যাপাচ্ছি দেখো!"
এই বলেই ছেলেট ওপরে সর্দারের দিকে তাকিয়ে বললো, "ওয়ে সান্টা সিং, দেখো, আমি তোমার মেয়েকে ভাগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।"
সর্দার এই কথা শুনেই রেগে গিয়ে বললো, "ওয়ে, তেরী তো! তু আবভি রুক জা, ওয়ারনা বহুত পছতায়েগা।"
এই কথা বলেই তাড়াতাড়ি ওদেরকে ধরার জন্য দশতলার ওপর থেকেই দিলো এক ঝাঁপ।
সর্দার এবার ওপর থেকে নীচে পড়ছে।  
আটনম্বর ফ্লোর ক্রস করার সময় সর্দারের মনে পড়লো, "আরে, আমার তো কোনও মেয়ে নেই।"
আরো দু-তিনটে ফ্লোর পড়ার পর তার আবারো মনে পড়লো, "আরে আমার তো বিয়েই হয় নি।"
এইবার আর মাত্র একটা ফ্লোর বাকি, তারপরেই সর্দার মাটিতে আছড়ে পরবে, এমন সময় তার মনে পড়লো, "আরে, ছেলেটা আমাকে বুদ্ধু বানিয়ে গেলো! আমার নাম তো সান্টা সিং-ই নয়!"
তারপরেই ধপাস এবং হাসপাতাল!

বুধবার, ২৩ মে, ২০১২

প্রফেসরের অফার

আমেরিকার এক ইউনিভার্সিটিতে অরগ্যানিক কেমিস্ট্রির একজন প্রফেসর তাঁর কুড়িজন সিনিয়র ছাত্রছাত্রীকে বললেন, "শোনো, আজকে তোমাদের ফাইন্যাল একজাম। আমি চাই না যে এই পরীক্ষার ফলের ওপর নির্ভর করে তোমাদের গ্রেড কমে যাক। যেহেতু গত সপ্তাহদুয়েক ধরে মোটামুটিভাবে উৎসবই চলছে, তাই আমি তোমাদেরকে একটা অফার দিচ্ছি। পরীক্ষা শুরু করার আগে তোমাদের মধ্যে যারা যারা বেরিয়ে যেতে চাও, তারা এক্ষুণি বেরিয়ে যেতে পারো। এই পরীক্ষায় তোমাদেরকে তাহলে বি-গ্রেড দিয়ে দেবো। যাওয়ার সময়, তোমাদের নাম আর রোল নম্বর আমার টেবিলের রেজিস্টারে লিখে দিয়ে যেও।"
ছাত্রছাত্রীরা লাফিয়ে উঠলো এবং বেশীরভাগই প্রফেসরকে ধন্যবাদ দিয়ে হল থেকে বেরিয়ে গেলো।
হলে থাকা বাকী ছাত্রছাত্রীদের দিকে তাকিয়ে প্রফেসর আবারও বললেন, "এই শেষ সুযোগ। এখনো কেউ যদি বেরিয়ে যেতে চাও তো পারো।"
আরো একজন ছাত্র একথা শুনে বেরিয়ে গেলো/
প্রফেসর হলের দরজা বন্ধ করে দিয়ে যারা তখনো রয়ে গেছে তাদের রোলকল করলেন। তারপর রেজিস্টার বন্ধ করতে করতে তিনি বললেন, "কনগ্রাচুলেশন্স! এটা দেখে ভালো লাগছে যে তোমরা নিজেদের ওপর বিশ্বাস করেছো। তাই, তোমরা সবাই এই পরীক্ষাতে এ-গ্রেড পাবে। ক্লাস ওভার।"
হায়, আমাদের প্রফেসররাও যদি এমন হতেন .....

বৃহস্পতিবার, ১৭ মে, ২০১২

মদ খেলে কৃমি হয় না খোকা

আমরা যখন এগারো কেলাসে পড়তাম, তখন থেকে আমাদের এক (সু)/(কু)বিখ্যাত বন্ধু হয়েছিলো উদয়। মানে, তার নামই উদয়!
তার কীর্তিকাহিনী অপার এবং অনেক অনেক গল্পের দাদাকেও ছাড়িয়ে যায়। একবার গাঁজা খেয়ে সে ক্লাসের মধ্যে প্রেজেন্ট স্যার না বলে, চন্দ্রকান্তা সিরিয়ালের ক্রুর সিং-এর স্টাইলে বলেছিলো, "ইয়াক্কু স্যার!"
এই ঘটনাটাও একদম চোখে দেখা সত্যি ঘটনা। কেমিস্ট্রির ল্যাবে স্যার একটা প্লেটে করে দুটো কেঁচো নিয়ে ঢুকলেন। এ্যালকোহলের কি জানি ইয়ে দেখানো হবে।
স্যার দুটো ছোট বিকারের একটাতে আধভর্তি জল নিলেন, অন্যটাতে আধখানা বিকার এ্যালকোহলে ভর্তি করলেন।
এবার কেঁচো দুটোর একটাকে জলে, আরেকটাকে এ্যালকোহলে ঢাললেন। জলে থাকা কেঁচোটা দিব্যি নড়াচড়া করছে, কিন্তু এ্যালকোহলে ঢালা কেঁচো বেচারা একটুক্ষণ ছটফট করেই মারা গেলো।
স্যার সবার দিকে তাকিয়ে বললেন, "তাহলে, তোমরা এটা থেকে কি বুঝলে?"
স্যার আমার মাথার পেছনে একটা উঠে থাকা হাতের দিকে তাকিয়ে বললেন, "হ্যাঁ, বলো।"
উদয়কে একটু ফাঁক করে দেওয়ার পরে বললো, "স্যার, আপনার এই এক্সপেরিমেন্ট থেকে বোঝা গেলো যে মদ খেলে কোনওদিনও আমাদের কৃমি হবে না!"