মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১২

ঋষি কাশ্যপ ও এক পাকিস্তানি

কয়েকদিন আগে রাষ্ট্রসঙ্ঘে পাকিস্তানের তরফ থেকে কাশ্মীর নিয়ে আলোচনার দাবী জানানো হয়।
এর ঠিক পরেই ভারতীয় প্রতিনিধি তার বক্তব্য রাখতে উঠে দাঁড়ান। তিনি বক্তব্যের শুরুতেই বলেন, "অন্য কোনও কিছু বলার আগে, আমি আপনাদেরকে ঋষি কাশ্যপ সম্বন্ধে জানাতে চাই, যার নাম থেকেই কাশ্মীরের নামকরণ হয়েছে বলে মনে করা হয়। অনেকদিন আগের ঘটনা এটা। ঋষি কাশ্যপ কাশ্মীর বলে আজকাল যে এলাকা পরিচিত, সেই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। ঘুরতে ঘুরতে, একটা জায়গায় এক পাথরের ওপরে তিনি তাঁর লাঠি দিয়ে মারায় ফোয়ারার মতন জল বেরিয়ে আসে। ঋষি কাশ্যপ এই দেখে ভাবলেন যে এতো সুন্দর জলে একটু স্নান করে নেওয়া যাক। যেমন ভাবনা, তেমনি কাজ। কাশ্যপ জামা-কাপড় খুলে রেখে স্নান করতে লাগলেন। স্নান শেষ করে কাপড় পরতে গিয়ে দেখেন কাপড়চোপড় পুরো ভ্যানিশ। একটা পাকিস্তানি এক ফাঁকে কাশ্যপের কাপড়গুলো চুরি করে নিয়ে পালিয়েছে!"
এই শুনেই পাকিস্তানের প্রতিনিধি লাফিয়ে উঠে বললেন, "কি যাতা বলছেন! তখন পাকিস্তানই ছিলো না, তো পাকিস্তানি কোত্থেকে আসবে?"
ভারতীয় প্রতিনিধি মুচকি হেসে বললেন, "যাহোক, আমরা যখন বুঝতেই পারছি যে ব্যাপারটা কি, তখন আমি এবার বাকি বক্তৃতাটা শেষ করি!"
আর পাকিস্তানিরা "কাশ্মীর হামারা হ্যায়" বলে থাকে! :P


শুক্রবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১২

বান্টার ব্যথা

বান্টা সিং ডাক্তারের কাছে গিয়ে বললো, "বাঁচাও ডাক্তার! অসহ্য ব্যথা করছে। যেখানেই ধরি না কেনো, সেটাই মনে হচ্ছে ভেঙ্গে টুকরো হয়ে যাচ্ছে!"
ডাক্তার একটু অবাক হয়ে বললেন, "কি বলছো হে!"
সান্টা বললো, "এই দেখুন, আমি কাঁধে ছোঁয়ার সঙ্গে সঙ্গে অসহ্য ব্যথা করছে। এই দেখুন হাঁটুতে ধরলাম - আউচ!! তারপর দেখুন কপালে হাত দিলাম, ওফ কি ব্যথা!"
ডাক্তার একটা দীর্ঘঃশ্বাস ফেলে বললেন, "সান্টা সিং, অসুখটা আমি ধরতে পেরেছি। তোমার আঙ্গুলটা ভেঙ্গে গেছে!"


গরু আকাশে ওড়ে না!

সরদার সান্টা সিং বিকেলবেলা মর্ণিংওয়াক করতে বেরিয়েছিলো। পাড়ার মোড়ে দাঁড়িয়ে সান্টা আকাশ দেখছে, এমন সময় একটা পায়রা ঠিক সান্টার মুখের ওপর পটি করে বেরিয়ে গেলো।
সান্টা কোমরে হাত দিয়ে ওপরের দিকে তাকিয়ে বললো, "ভাগ্যিস, গরুগুলো আকাশে ওড়ে না!"

বুধবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১২

পচাদা আর ডেন্টিস্ট

পচাদা ডাক্তারের কাছে গেছিলো তার আক্কেল দাঁতটা ওঠানোর জন্য।
কিন্তু কেসটা একটু গুবলেট হয়ে গেলো যখন ডাক্তার পচাদার হাত-পা ধরে অনুরোধ করতে শুরু করলেন।
দাঁতের ডাক্তারবাবু পচাদাকে বললেন, "পচাদা, এবারকার মতন বাঁচিয়ে দাও না! কিচ্ছু না, ব্যাস গলা দিয়ে দু-তিনবার তোমার সবচেয়ে খতরনাক আর্তনাদটা বার করে দিও!"
পচাদা বললো, "কেনো রে ভাই?"
ডাক্তারবাবু বললেন, "এত্তো লোক ওয়েটিং এরিয়াতে বসে আছে। কিন্তু আমি কোনমতেই আই পি এল-এর ফাইন্যাল ম্যাচ না দেখে ছাড়ছি না!


ট্র্যাকসুটে গাধা

সান্টা সিং কে একটা গাধা হঠাৎ করে একটা লাথি কষিয়ে ছুটে পালালো!
সান্টাও সাথে সাথে "ও তেরিকা" বলে গাধাটাকে ধরতে পেছন-পেছন ছুটলো!
একটু দূরে গিয়েই সান্টা একটা জেব্রাকে দেখতে পেয়ে সেটাকেই পাকড়াও করলো।
এবার ঐ জেব্রাকে বেদম মার দেওয়া শুরু করে সান্টা বললো, "শাল্লা! ট্র্যাকস্যুট পরে আমাকে ধোঁকা দিবি বলে ভেবেছিলি?"


মঙ্গলবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১২

লুট লিয়া

সক্কাল-সক্কাল পাড়াতে হেবভি হইচই!
পাড়ার পার্মানেন্ট ভিখিরী দুখিয়া ফুটপাথে বসে কান্নাকাটি করছে, আর তার সেকেণ্ড ইন কম্যান্ড সুদর্শন তাকে শান্ত করার চেষ্টা করেই যাচ্ছে। 
আমি এগিয়ে গিয়ে ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করলাম।
দুখিয়া দেখি কপাল চাপড়াচ্ছে আর বলছে, "কি সর্বনাশ, আমার মাথায় তো আকাশ ভেঙ্গে পড়লো রে! কেউ শালা আমার সাইকেলটা চুরি করে নিয়ে গেছে আর ওর মোটরসাইকেলটা আমার জন্য ছেড়ে গেছে।"
সুদর্শনও দেখি একই রেটে মাথা চাপড়াচ্ছে আর বলছে, "আরে ভাই, তুই তো একদম বরবাদ হয়ে গেলি রে! এই বাইকটা তো শালা পেট্রলে চলে!"


সৌভাগ্য না দুর্ভাগ্য

পচাদার বন্ধু গৌতমদা ছবি আঁকে। পচাদা কাল বিকেলে পাড়ার আড্ডায় এসে এক হট নিউজ দিলো।
গৌতমদা গতকাল পচাদাকে নিয়ে যে গ্যালারিতে তার ছবির প্রদর্শনী হচ্ছে সেখানে গিয়েছিলো।
তা গৌতমদা গ্যালারির মালিককে জিজ্ঞেস করলো, "কি দাদা, কোনও ভালো খবর আছে কি?"
দাদা বললেন, "আরে গৌতম, তোমার জন্য ভালো আর খারাপ দুটো খবরই আছে! কোনটা আগে দেবো?"
গৌতমদা বললো, "দুটোই বলুন!"
মালিক ভদ্রলোক বললেন, "ভালো খবরটা হলো যে একজন লোক তোমার আঁকা সবকটা ছবি কিনে নিয়েছে।"
গৌতমদা এই না শুনে আহ্লাদে আটখানা হয়ে বললো, "তাই?! তা খারাপ খবরটা কি?"
মালিক, "সেই লোকটা না, তোমার ছবিগুলো কেনার আগে আমাকে জিজ্ঞেস করছিলো যে তুমি মারা গেলে ঐসব ছবির দাম বাড়বে কি না। আমি হ্যাঁ বলার পরই ও ছবিগুলো কিনলো। আর সবচেয়ে বাজে ব্যাপারটা হলো যে ঐ লোকটা তোমারই ডাক্তার!"


গাধা ডাকাত

একটা সম্পূর্ণ সত্যি ঘটনা।

আমেরিকার মেরিল্যাণ্ডে একজন ডাকাত একটা ব্যাঙ্কে ঢুকে ক্যাশিয়ারকে একটা চিরকুট দিয়ে বললো, "মামা, চিরকুটে যেরকম লেখা আছে, ঠিক সেরকমই করো!"
ক্যাশিয়ার ডাকাতের দেওয়া ব্যাগ টাকা দিয়ে পুরো ভর্তি করে দিলো, আর ডাকাতও মহানন্দে টাকা-পয়সা নিয়ে বাড়ি চলে গেলো। কিন্তু বাড়ি ফিরেই ডাকাত দেখলো যে ওর বাড়ি পুলিশ পুরো ঘিরে রেখেছে।
ব্যাপারটা হলো, যে ডাকাতবাবু যে কাগজে নিজের দাবী লিখেছিলো সেটা তারই ব্যাঙ্কের ডিপোজিট স্লিপ!

বুধবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১২

প্যান কার্ড আছে? না থাকলে সবজির বাজারে যাবেন না!

পচাদা বাজার থেকে ফিরে এসে ধপাস করে বসে পড়লো। বললো, "ভাই রে, যাতা অবস্থা। আজকেই বাজারে সবজি কিনতে গেলাম। তো সবজিওয়ালাকে জিজ্ঞেস করলাম যে আলু কত করে!"
সে ব্যাটা বলে কি না, "সবজি কিনবে? প্যান কার্ড দেখাও আগে!" 
আমি অবাক হয়ে বললাম, "প্যান কার্ড? কেনো?"
সবজিওয়ালা হেসে বললো, "ইনকাম ট্যাক্স যদি না ই দাও, তাহলে সবজি কিনতে এসো কোন সাহসে?"

সোমবার, ১২ নভেম্বর, ২০১২

ফোনালাপ

আমাদের পচাদা একটা টেলিফোন বুথের সামনে দশ মিনিট ধরে দাঁড়িয়ে আছে। বুথের ভেতরে একটা লোক ফোনটা ধরে কানে লাগিয়ে রেখেছে, কিন্তু কোন কথাই বলছে না। এদিকে আবার বিলও উঠেই যাচ্ছে।
অধৈর্য্য হয়ে পচাদা শেষপর্যন্ত বলেই ফেললো, "দাদা, কি হলো? এতক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছেন, কোন কথাই বলছেন না, বিলও উঠছে, আর আমরাও লাইনে দাঁড়িয়ে বোর হয়ে যাচ্ছি! কেসটা কি?"
লোকটা মাউথপিসের ওপর হাতচাপা দিয়ে বললো, "আরে দাদা, আমি আমার বৌয়ের সাথে কথা বলছি!"


টিকেট বুকিং @ ভারতীয় রেল

ভারতীয় রেলের আইআরসিটিসি সাইটে যারা টিকেট করার ভুলটা করেছেন, সেইসব ভুক্তভোগীরাই জানেন যে সে কি গ্যাঁড়াকল। এর ওপর টুইটারে বেশ ভালো কিছু টুইট পাওয়া গেলো, আর সেগুলোকেই এখানে তুলে ধরছি।
  • বেশীরভাগ ভারতীয়ই মনে করেন যে আইআরসিটিসি-র ট্যাগলাইন হলো, "এই ওয়েবপেজ এখন ডিসপ্লে করা যাচ্ছে না"।
  • আইআরসিটিসি আধুনিক ভারত এবং ভারতীয়দের প্রতীভূ। তাই এরা সংরক্ষণের ঘোর বিরোধী!
  • ব্রেকিং নিউজঃ এইমাত্র জানা গেলো যে দিল্লী হাইকোর্ট একজন ধারাবাহিক অপরাধীকে কঠিন শাস্তি দিয়েছে। কোর্টের নির্দেশে অপরাধীকে ৫০ (পঞ্চাশ) টা ততকাল টিকিট করতে হবে।
  • আপনি একজন লোককে একটা রেলের টিকিট দিন, সেই লোকটা টিকিটে একদিন সফর করবে। আপনি তাকে আইআরসিটিসি থেকে টিকিট বুক করা শিখিয়ে দিন এবং সে তার কম্পিউটারের সামনে থেকে নড়তেই পারবে না।
  • শচীন তেণ্ডুলকার কয়েকদিন আগে রেলওয়েজের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরী করেছিলেন। কোন ব্যাপার নয়। শচীন, আপনি আইআরসিটিসি থেকে একটা টিকিট বুক করে দেখান তো!
  • আইআরসিটিসি-র ওয়েবসাইট আমাদের প্রধানমন্ত্রীর চেয়েও স্লো!

বৃহস্পতিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১২

বাঙ্গালি রকস

মাইক্রোসফটের চেয়ারম্যান বিল গেটস তুরস্কের নতুন অফিসের জন্য দুজন সক্ষম লোক খুঁজছিলেন। প্রায় ২০,০০০ আবেদনপত্র জমা পড়লো, ওই দুটো পোস্টের জন্য।
gap
এই ২০,০০০ জনের মধ্যে, তরফদার নামের একজন বাংলাদেশী এবং দত্ত নামের একজন ভারতীয় বাঙ্গালিও আছেন।
gap
বিল গেটস ২০,০০০ আবেদনকারীকেই এক সাথে একটা বড় হল রুমে ডাকলেন এবং বললেন, "এখানে যারা জাভা প্রোগ্রামিং পারেন, শুধু তারা থাকবেন। বাকিরা, দয়া করে আসতে পারেন।"
gap
২০,০০০ এর মধ্যে ১০,০০০ জন হল ছেড়ে চলে গেলেন। তরফদার এবং দত্ত, দুজনেই মনে মনে ভাবলেন, "আমি বরং থেকেই যাই এখানে, হারানোর তো কিছু নেই আমার। আর জাভা প্রোগ্রামিং এমন কি জিনিস! চাকরিটা পেলে, দুই দিনে না’হয় শিখে নেবো।দাঁড়িয়েই থাকি বরং।"
gap
বিল গেটস এবার বললেন, "এখানে যাদের নেটওয়ার্কিং এ দক্ষতা আছে, শুধু তারা থাকবেন। বাকিরা দয়া করে আসতে পারেন।"
gap
১০,০০০ এর মধ্যে ৫,০০০ জন হল ছেড়ে চলে গেলেন। দুই বাঙালি মনে মনে ভাবলেন, "নেটওয়ার্কিংই বা কি এমন জিনিস। চাকরিটা পেলে, দুই দিনের মামলা এটাও।"
gap
বিল গেটস এবার বললেন, "এখানে যাদের উইণ্ডোজ আর ডটনেট এর ওপর দক্ষতা আছে, শুধু তারাই থাকবেন। বাকিরা দয়া করে আসতে পারেন।"
gap
আরো ৩,০০০ জন কেটে পড়লেন। দুই বাঙালি আবারো মনে মনে ভাবলেন, "টেনশন নেই। চাকরিটা পেলে, দুই দিনে শর্ট কোর্স করে ফেলবো।"
gap
বিল গেটস এবার বললেন, "যারা তুরস্কের ভাষা ফ্লুয়েন্টলি বলতে পারেন শুধু তারাই থাকবেন, আর বাকিরা দয়া করে আসুন এবার।"
gap
২,০০০ এর মধ্যে ১,৯৯৮ জনই বেরিয়ে গেলেন। শুধু দুইজন দাড়িয়ে রইলেন; তরফদার আর দত্ত।
gap
বিল গেটস বললেন, “গুড! তোমরা দুজন আমাদের সবকটা ক্রাইটেরিয়া ফুলফিল করেছো। যেহেতু পোস্ট দুটো, আর তোমরা দুজনই আছো, তাই আর কোন টেস্ট নেওয়া হবে না। তবে, তোমাদেরকে এপোয়েন্টমেন্ট লেটার দেওয়ার আগে, তোমরা নিজেদের মধ্যে তুরস্কের ভাষায় কিছু কথা বলো তো দেখি!"
gap
তরফদার সাহেব পাশের ভদ্রলোককে আমতা আমতা করে বললেন, "ভাইজান, কেমন আছেন?"
gap
দত্তবাবুও হাঁফ ছেড়ে, দাঁত বের করে বললেন, ‘এই তো, একদম ভালো! আপনার কি খবর?"

বুধবার, ৮ আগস্ট, ২০১২

বিমানে পচাদা

পচাদা এরোপ্লেনে করে বোম্বে যাবে। সকাল-সকাল উঠে একটা ট্যাক্সি ডাকিয়ে পচাদা এয়ারপোর্টে গেলো। ওমা! একটু পরেই দেখি পচাদা ব্যাজার মুখে বাড়ি এসে উপস্থিত।
তাড়াতাড়ি গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, "কিগো পচাদা, প্লেন ক্যানসেল বুঝি? তুমি ফিরে এলে যে?"
পচাদা করুণভাবে বললো, "মাইরি, অতো ঝামেলা জানলে প্লেনে চড়তামই না রে ভাই। প্লেনে ওঠার পর একজন বিমানবালা আমাদেরকে বোঝাতে লাগলো যে প্লেন এ্যাকসিডেন্ট হলে কি কি করতে হবে। আমার তো এ্যাকসিডেন্টের নাম শুনেই ভয়ে হাত-পা পেটে সেঁধিয়ে গেছে! সবশেষে বলে কি না, প্লেন যদি কোন নদী বা সাগরে ক্র্যাশ করে, তাহলে সিটের তলার কুশনটাকে নাকি নৌকোর মতন ব্যবহার করতে পারবো।"
পচাদা একটু দম নিয়ে বললো, "এই শুনেই না আমার মাথাটা চড়ে গেলো। রেগেমেগে আমি জিজ্ঞেসই করে বসলাম যে প্লেনটাই যদি উড়তে না পারে, তো সিটটা যে জলে ভাসবে তার গ্যারান্টি কোথায়? ব্যস, শুরু হয়ে গেলো তুমুল বাওয়াল! তারপর আমাকে প্লেন থেকে নামিয়ে দিলো। যাঃ, যাবোই না প্লেনে। রেলগাড়িতে চেপেই বোম্বে যাবো।"

সান্টা আর প্রীতো

সান্টা সিং আর তার বউ প্রীতো অনেকদিন ধরেই কানাডায় আছে। ওদের বিয়েরও অনেকদিন হয়ে গেছে, কিন্তু কোন ছেলেমেয়ে না হওয়ায় দুজনে মিলে ঠিক করে একটা বাচ্চা মেয়েকে দত্তক নিল।
এর কয়েকদিন পর সান্টার সাথে হঠাৎ তার বন্ধু বান্টার দেখা। বান্টা বললো, "আরে সান্টা, তোর বউ প্রীতো নাকি আজকাল সন্ধেবেলা স্প্যানিশ শেখার ক্লাসে ভর্তি হয়েছে?"
সান্টা বললো, "হ্যাঁরে বান্টা, ঠিকই শুনেছিস। আমিও সামনের সপ্তাহ থেকে ক্লাস করতে যাবো।"
বান্টা অবাক হয়ে বললো, "কিন্তু কেনো? কানাডায় তো ইংরেজি আর ফরাসী - এই দুটো ভাষা জানা থাকলেই হলো।"
সান্টা বললো, "আরে ভাই বান্টা, এটা তো জানিস যে আমরা একটা ছোট্ট মেয়েকে দত্তক নিয়েছি। এখানকার সরকারী সিস্টেমে যে মেয়েটাকে পেলাম, ওর বাবা-মা দুজনেই মেক্সিকোর লোক। বাচ্চাটা এখনো কথা বলতে শেখেনি। কিন্তু কথা বলতে শেখার পর যাতে ওর কথা আমরা বুঝতে পারি, তাই স্প্যানিশটা শিখে নিচ্ছি।"

পচাবউদির পিঠব্যথা

পচাবউদির সাথে মোড়ের মাথায় দেখা।
বউদি খুব দুঃখ করে বললো, "এই দেখনা, ডাক্তারের কাছে গেছিলাম। পিঠের ব্যথায় আর পারছি না।"
আমি বললাম, "হঠাৎ কিভাবে ব্যথা হয়ে গেলো?"
বউদি, "আর বলিস না, সকালবেলা ড্রইংরুমের সোফাটাকে একটু সরিয়ে ঠিক করে সাজিয়ে রাখতে গেলাম, আর ওই করতে গিয়েই হ্যাঁচকা টান লেগে গেলো।"
আমি, "আরে, একা একা এসব টানাটানি করতে গেলে কেনো? পচাদা বাড়ি ফিরে আসার পরই তো করতে পারতে!"
বউদি, "তা করতে পারতাম। তবে তোদের পচাদা না থাকলে সোফাটা সরানো একটু সোজা। মানে ওটার ওপর কেউ বসে না থাকলে ওজনটা তো একটু কম হয় আর কি!"

নেপোয় মারে দই

অনেকদিন আগের ঘটনা। বিহারের এক গ্রাম থেকে এক স্কুল-টিচার বোম্বেতে (তখনও মুম্বাই হয় নি) বেড়াতে এলো। বোম্বেতে তার এক তুতো দাদা থাকতো, যে বিখ্যাত শেয়ার দালাল আপনধন মেহতার গাড়ি চালাতো।
সবকিছু ঘুরিয়ে দেখানোর পর, দাদা ভাইকে নিয়ে বোম্বে জাহাজঘাটায় গেলো। ওখানে অনেকগুলো প্রাইভেট ইয়াট পাশাপাশি নোঙ্গর করে রাখা ছিলো।
দাদা ভাইকে ঐ ইয়াটগুলো দেখিয়ে বললো, "এই যে দেখছিস, এই সবকটা ইয়াটের মালিক হলো আমার সাহেবের মতন শেয়ার দালাল বা ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজাররা।"
স্কুল টিচার ভাই খুবই সরলভাবে জিজ্ঞেস করলো, "তাই নাকি! বাঃ বাঃ। আচ্ছা দাদা, ইনভেস্টর মানে বিনিয়োগকারীদের ইয়াটগুলো কোথায় গো?"

মুখটা চেনা চেনা লাগছে

আসামীকে এজলাসে নিয়ে আসার পর তার দিকে তাকিয়ে বিচারক বললেন, "তোমার মুখটা খুব চেনা চেনা লাগছে। তোমায় আগে কোথাও দেখেছি কি?"
আসামী আশান্বিত হয়ে জজসাহেবের দিকে তাকিয়ে বললো, "হ্যাঁ, ধর্মাবতার। আমি আপনার ছেলেকে গতবছর শীতের সময়টায় গান শিখিয়েছিলাম।"
"আঃহা! ঠিক, ঠিক", জজসাহেবের মনে পড়ে গেলো। তারপর আর কোনও কথা না বাড়িয়েই বললেন, "যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হলো।"

পচাদার রাতের ঘুম গুম


পচাদার বাড়ির পাশের মাঠটাতেই রাজ্যের সব কুকুরের রাত্রিকালীন মহাসভা বসে। তুমুল ঘেউ ঘেউ আওয়াজে পচাদার ঘুম মাটি। শেষমেষ পচাদা ডাক্তারের কাছে গেলো।
বাংলা পচাদা জোকস
পচাদা ডাক্তারবাবুকে বললো, "বাড়ির পাশের রাস্তায় কুকুরগুলো রোজ রাতে নিয়ম করে হল্লা করে। কিছুতেই ঘুমোতে পারি না।"
ডাক্তার পচাদাকে পরীক্ষা করে বললেন, "এই ঘুমের বড়িটা নতুন এসেছে। খুব ভালো কাজ দেয়।"
ডাক্তার, পচাদা, কুকুর, ঘুমের ওষুধ
পচাদা ডাক্তারের ভিজিট দিয়ে, অনেক ধন্যবাদ জানিয়ে এবং ওষুধ নিয়ে চলে গেল। কিন্তু এক সপ্তাহ বাদেই ফিরে এসে বলল, "এখনো আমার ঘুমের সমস্যা হচ্ছে।"
ডাক্তার প্রশ্ন করেন, "কিন্তু ওষুধটা তো বেশ ভালো। অনেকেরই কাজ হয়েছে।"
ঘেউ ঘেউ ভৌ ভৌ
পচাদা এবার বেশ বিরক্তভাবে বললো, "তাতে কি মশাই? সারা রাত কুকুরগুলোকে ধাওয়া করে একটা যদিও ধরতে পারি, কিছুতেই বদমাশটাকে ওষুধ গেলানো যায় না।"

রবিবার, ১৫ জুলাই, ২০১২

নতুন টেস্টার

একটা মদের ফ্যাক্টরির টেস্টার লিভার সিরোসিস হয়ে সোজা ওপরে চলে গেলো। কোম্পানির মালিক একজন নতুন টেস্টারের জন্য কাগজে বিজ্ঞাপন দিলেন।
পরদিন একটা মোদো-মাতাল টাইপের লোক ছেঁড়া-নোংরা কাপড় চোপড় পরে ইন্টারভিউ দিতে চলে এলো।
মালিকের লোকটাকে দেখে একদমই পছন্দ হয় নি, কিন্তু পরীক্ষা না নিয়ে ওকে তাড়ানোও যায় না। তাই সবাই মিলে ঠিক করলেন যে পরীক্ষায় লোকটা নিশ্চয়ই ফেল করবে আর তখন ওকে তাড়িয়ে দেওয়া যাবে।
লোকটাকে প্রথমে একটা ওয়াইনের গ্লাস দেওয়া হলো। সে ওটা খেয়ে বললো, "রেড ওয়াইন। ম্যাসকট, তিন বছর পুরোনো, উত্তরের ঢালে হওয়া আঙ্গুর থেকে তৈরী, আর স্টিলের পিপেতে রেখে এটাকে ম্যাচিওর করা হয়েছে।" বস দেখলেন যে লোকটা একদম ঠিকঠাক উত্তর দিয়েছে।
তাই ওকে আরো একটা গ্লাস ভর্তি পানীয় দেওয়া হলো। লোকটা একটু খেয়ে বললো, "রেড ওয়াইন। ক্যাবেরনেট, আট বছরের পুরোনো, দক্ষিণের ঢালের আঙ্গুর দিয়ে তৈরী আর ওক কাঠের পিপেতে ম্যাচিওর করা হয়েছে।" বস একটু অবাক হয়ে বললেন, "একদম ঠিক!"
এরকম আরো কিছুক্ষণ চললো, আর লোকটার প্রত্যেকটা উত্তরই সঠিক হচ্ছিলো।
হঠাৎ মালিক তার সেক্রেটারির দিকে তাকিয়ে চোখ টিপলেন। মিনিট পাঁচেক পর সেক্রেটারি একটা গ্লাসে করে কিছু একটা তরল পদার্থ নিয়ে ঢুকলো আর লোকটার হাতে দিলো।
লোকটা গ্লাসে এক চুমুক দিয়েই বললো, "মেয়েটা একটা ব্লণ্ড। ২৬ বছর বয়সী, মাস তিনেকের প্রেগনেন্ট, আর যদি আমাকে চাকরীটা না দাও, তাহলে এটাও বলে দেবো যে বাচ্চাটার বাবা কে!"
সেদিন থেকেই মাতাল লোকটার চাকরী হয়ে গেলো।

বুধবার, ১১ জুলাই, ২০১২

ব্যাডলাকই খারাপ

যখন ব্যাডলাকটাই খারাপ হয়, তখন কোনও কিছুই ঠিকঠাক হয় না!
পরেশবাবু একটা বারের টেবিলে পেপসির বোতল সামনে রেখে উদাস হয়ে বসেছিলেন।
হঠাৎ করে ওখানে ওর এক বন্ধু এলো। পেপসিটা দেখে, এক চুমুকে সেটা শেষ করে বললো, "কি রে পরেশ! এতো উদাসভাবে বসে আছিস কেনো?"
পরেশ হতাশভাবে বললো, "সকালবেলা বউ এর সাথে প্রচণ্ড ঝগড়া হয়ে গেছে। তারপর ব্রেকফাস্ট না করেই অফিসের জন্য বেরিয়ে পড়লাম। এমন কপাল, শালা, রাস্তায় গাড়িটা নষ্ট হয়ে গেলো। অফিসে পৌঁছতে লেট হয়ে গেলো। ওদিকে আজকে আবার খুব জরুরী ক্লায়েন্ট মিটিং ছিলো। লেটে পৌঁছানোয় বস রেগেমেগে এমন সব কথা বললো, যে চাকরীটাই ছেড়ে দিলাম। ...
আর এখন, (হতাশভাবে ফোঁস ফোঁস করে কয়েকটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে) সুইসাইড করবো বলে পেপসিতে বিষ মিশিয়ে খাবো ভাবছিলাম, সেটাও শালা তুই খেয়ে ফেললি!"

স্মার্টনেস

সালটা ২০১২। 
পচাদার ছেলে গজাও পচাদার মতনই ডেঞ্জারাস হয়েছে।
ওদের স্কুল থেকে পচাদাকে ডাকিয়েছিল। ফেরত এসে পচাদা গল্প করছে, "বুঝলি, ঘটনাটা হেবভি হয়েছে রে!"
গজা ওদের ক্লাসের মিসকে বলেছে, "মিস, আমাকে তোমার কেমন লাগে?"
মিস, "সো সুইট! মিষ্টি ছেলে!" এই বলে গাল টিপে দিলো।
গজা, "তাহলে মিস, আমি বাবা-মাকে তোমার বাড়িতে যেতে বলি?"
মিস, একটু অবাক হয়ে, "কেনো?"
গজা, "কেনো আবার! ওরা তোমার বাড়িতে গিয়ে আমাদের কথাটা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে।"
মিস, এবার রেগে গিয়ে, "কি উল্টোপাল্টা কথা বলছো?"
গজা, এবার আগের বাক্যটাকে শেষ করলো, "... টিউশন পড়ানোর জন্য!" :P

কঠিন কথা

পচাদা সন্ধেবেলা পাড়ার আড্ডায় এসে বললো, "হ্যাঁরে, একটা কথা বলতো। কোন চারটে শব্দ একসাথে উচ্চারণ করাটা সবচেয়ে কঠিন?"
সব্বাই এ ওর মুখ চাওয়া-চাওয়ি করছে দেখে পচাদা নিজেই বললো, "পারলি না তো! পেট্রোল পাম্পে গিয়ে এ্যাটেনডেন্টকে বলা, 'ট্যাংকটা ফুল করে দাও ... ভাই'!"

মঙ্গলবার, ১০ জুলাই, ২০১২

পাগলা গারদ থেকে পলায়ন

বিখ্যাত বংশানুক্রমে পাগল দাশু পাগলা গারদে ফোন করলো।
রিসেপসনিস্ট মহিলা ফোন ধরে বললেন, "হ্যাঁ, বলুন?"
দাশু বললো, "ম্যাডাম, একটু কষ্ট করে সাতাশ (২৭) নম্বর রুমে গিয়ে দেখে আসবেন যে ওখানে কে আছে?"
রিসেপসনিস্ট, "একটু ধরুন স্যার। আমি গিয়ে দেখে আসছি।"
ভদ্রমহিলা ফিরে এসে বললেন, "না স্যার, ঐ রুমে তো কেউই নেই।"
এই শুনে দাশু খুবই আনন্দিত হয়ে বললো, "আঃ, শান্তি হলো। রুমে যখন কেউ নেই, তার মানে আমি সত্যিই পালাতে পেরেছি।"

১৯৪৭ সালের সেরা এস এম এস

আমাদের পচাদা, সন্ধেবেলার আড্ডাতে এসেই বললো, "তোরা জানিস কি, ১৯৪৭ সালের সেরা এস এম এস কোনটা ছিলো?"
সব্বাই এ-ওর মুখের দিকে চাওয়াচাওয়ি করছে।
পচাদা মিনিট পাঁচেক আমাদের অবস্থাটা উপভোগ করে আনার বললো, "গর্দভের দল। ১৯৪৭ সালে মোবাইল ফোন বলে কোনও জিনিস ছিলো কি?"
আমাদের হাঁ মুখের দিকে তাকিয়ে, মুচকি হেসে পচাদা আবার বললো, "মাঝেমাঝে তোদের ব্রেনটাকেও একটু ব্যবহার করিস! নাহলে জং ধরে যাবে। ব্যস, এস এম এসের কথা শুনলি, আর অমনি ভাবতে বসলি। এস এম এস পড়ার জন্য জিভ লকলক করছে! যত্তোসব!"

রাম-রাবণ আর রজনীকান্ত

রাম আর রাবণের মধ্যে তুমুল যুদ্ধ হচ্ছিলো। যুদ্ধ আর শেষই হয় না।
হঠাৎ রাম যুদ্ধ থামিয়ে দিয়ে বললো, "চল বাই। আমি গেলাম।"
রাবণ বললো, "কেনো রে, ভয় পেয়ে গেলি?"
রাম বললো, "আরে না! তোর পেছন দিকটায় তাকিয়ে দেখ। রজনীকান্ত আসছে!"

শনিবার, ৩০ জুন, ২০১২

রজনীকান্তের মহিমা অপার

একবার জয়ললিতার সাথে রজনীকান্ত বসে গল্প করছিলেন। কথাচ্ছলে রজনী জয়ললিতাকে বললেন, "আশা করি তুমি এটা জানো যে যেকোন বিখ্যাত লোকের সাথেই আমার পরিচয় আছে। যেকোন লোকের নাম বলো, সে আমাকে চিনবেই!"
রজনীর কথা শুনে জয়ললিতা বললেন, "অনেক হয়েছে রজনী। টম ক্রুজের ব্যাপারে কি বলবে?"
রজনীকান্ত, "টম আর আমি অনেকদিনের বন্ধু। আমি এটার প্রমাণও দিতে পারি।"
এরপর রজনীকান্ত আর জয়ললিতা হলিউডে গেলেন আর টম ক্রুজের বাড়ির দরজায় নক করলেন। ভেতর থেকে টম ক্রুজ বেরিয়ে এসে, রজনীকে দেখেই বললেন, "থালাইভার! কি আশ্চর্য! হঠাৎ এখানে এসেছো, তোমাকে দেখে কি যে ভালো লাগছে! তুমি আর তোমার বন্ধু আজকে এখানেই লাঞ্চ করবে!"
যদিও জয়ললিতা যথেষ্ট অবাক হলেন, কিন্তু তবুও পুরো সন্দেহমুক্ত হতে পারলেন না।
তাই আবার রজনীকে বললেন, "ঠিক আছে। মানলাম যে তুমি টম ক্রুজকে চেনো। এটা বাই চান্সও হতে পারে। বারাক ওবামার সম্বন্ধে কি বলবে?"
রজনী, একটু হেসে, "আরে, আমি ওকেও খুব ভালোভাবে চিনি। চলো, আমরা ওয়াশিংটন যাই।"
দুজনে এবার ওয়াশিংটনের প্লেনে চড়ে বসলেন। হোয়াইট হাউসে গিয়ে অন্যদের সাথে এই দুজনও গাইডের সাথে ট্যুরে ঢুকে পড়লেন।
হঠাৎ ওবামা ভিড়ের মধ্যেও রজনীকান্তকে দেখতে পেয়ে গেলেন। সাথে সাথে ওবামা রজনীকে ডেকে বললেন, "হাই রজনী! অনেকদিন পর তোমার সাথে দেখা। আমি আসলে একটা মিটিংয়ে যাচ্ছিলাম, কিন্তু তুমি যখন এখানে এসেছো, তখন আগে চলো তোমাদের সাথে এক কাপ কফি খেয়ে একটু আড্ডা মেরে নেই।"
এবার জয়ললিতা বেশ একটু টেন্সড হয়ে গেলেন। তবুও পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারছিলেন না।
তাই আবার রজনীকে বললেন, "তুমি কি পোপকে চেনো?"
রজনীকান্ত হেসে বললেন, "এখনো তোমার সন্দেহ যায় নি? ঠিক আছে। চলো আমরা ভ্যাটিকানে যাই।"
ভ্যাটিকানে গিয়ে দুজনেই অন্য সব দর্শনার্থীদের সঙ্গে সামনের খোলা মাঠে দাঁড়িয়ে পোপের জন্য অপেক্ষা করছেন, এমন সময় রজনীকান্ত জয়ললিতাকে বললেন, "এভাবে হবে না। এখানে দাঁড়ালে পোপ আমাকে দেখতেই পাবে না। আমি এখানকার সব রক্ষীকেই চিনি। তুমি এখানেই দাঁড়াও। আমি ভেতরে গিয়ে পোপের সাথে একসাথে ব্যালকনিতে আসবো।"
সত্যিই, আধঘন্টা পর ব্যালকনিতে পোপের সাথে রজনীকান্ত ব্যালকনিতে এসে দাঁড়ালেন।
আরো কিছুক্ষণ পর রজনীকান্ত যখন বেরিয়ে জয়ললিতার কাছে ফেরত এলেন, ততক্ষণে জয়ললিতা মাথা ঘুরে পড়ে গেছেন।
রজনীকান্ত জয়ললিতাকে জিজ্ঞেস করলেন, "আরে কি হলো? তুমি হঠাৎ কিভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে?"
জয়ললিতা বললেন, "আরে, তুমি যখন পোপের সাথে ব্যালকনিতে বেরিয়ে এলে, ঠিক তখনই আমার পাশের লোকটা বললো, 'আরে রজনীকান্তের পাশে ব্যালকনিতে ঐ লোকটা কে?"

সবই রজনীকান্তের লীলা

একবার রজনীকান্তের সাথে ভগবানের কোন একটা ছোটখাটো ব্যাপারে প্রথমে তর্কাতর্কি, সেটা থেকে হাতাহাতি হয়ে সব শেষে পুরোদস্তুর যুদ্ধ লেগে যায়।
gap
তারপর কি হলো?
gap
তারপর আর কি! আজকের দিনে ভগবান তো ওপরেই আছেন! তাই না?

বুধবার, ২৭ জুন, ২০১২

ইউপিএ-র পুরো নাম

গজাদের স্কুলের সোশ্যাল স্টাডিস টিচার গজাকে জিজ্ঞেস করলেন, "বলো তো গজা, ইউপিএ-র পুরো নাম কি?"
গজাও খুব স্মার্টলি বললো, "আণ্ডার প্রেসার এলায়েন্স, স্যার।"

মঙ্গলবার, ২৬ জুন, ২০১২

সান্টা সিং এর হেলিকপ্টার ক্র্যাশ

সান্টা সিং হেলিকপ্টারে করে যাচ্ছিল। হঠাৎ করে ইঞ্জিনে গোলমাল হওয়ায় হেলিকপ্টার খুব দ্রুত নীচে নেমে আসতে লাগলো। পাইলট অনেক কসরত করে হেলিকপ্টারটাকে জলের ওপরে কোনও বিশেষ ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই নামিয়ে আনতে পারলো।
জলের ওপর নামার পর পাইলট যাত্রীদেরকে বললো, "আপনারা যে যার জায়গায় বসে থাকুন এবং কোনও ভাবেই দরজা খোলার চেষ্টা করবেন না। এই হেলিকপ্টার এমনভাবে তৈরী যে কোন আপাতকালীন পরিস্থিতিতে জলের ওপর নামলেও এটা আধঘন্টা-চল্লিশ মিনিট পর্যন্ত ওপরে ভেসে থাকবে। এর ফলে উদ্ধারকারী দল আমাদের কাছে এসে পৌঁছুনোর সুযোগ পাবে। কিন্তু এর জন্য আমাদের সবকটা দরজাই ভালোভাবে বন্ধ করে রাখতে হবে।"
পাইলটের কথা শেষ হওয়া মাত্রই সান্টা সিং সিট থেকে উঠে দরজার দিকে দৌড়ে গিয়ে হাতল ধরে টানাটানি শুরু করে দিলো।
পাইলট প্রচণ্ড রেগে গিয়ে সান্টাকে টেনে সিটের দিকে নিয়ে বললো, "কি ব্যাপার, তুমি কি আমার কথা শুনতে বা বুঝতে পারো নি?"
সান্টা সিং বললো, "এই হেলিকপ্টারটা তো ওড়ার জন্যও তৈরী হয়েছিল। তা নিজেই তো দেখলাম কি অবস্থা হলো!"

সান্টা সিং এর লাইফ ইন্স্যুরেন্স

সান্টা সিং এর বউ প্রীতো তার বরের চেয়েও বেশী বুদ্ধিমান ছিলো।
সান্টা সিং এর একটা এলআইসি-র লাইফ ইন্স্যুরেন্স পলিসি ছিলো। একদিন হঠাৎ এলআইসি-র অফিসে প্রীতোর একটা চিঠি এলো। চিঠিতে এলআইসিকে অনুরোধ করা হয়েছিল যে তার বরের পলিসিটা দুর্ভাগ্যবশতঃ ক্যানসেল করতে হবে।
প্রীতো লিখেছিল, "আমরা সবসময়ই আমাদের ইন্স্যুরেন্স পলিসির প্রিমিয়াম সময়মতো দিয়েছি, কিন্তু আমার বর, সান্টা সিং গতবছর মারা যাওয়ার পর থেকে আমাদের আর্থিক অবস্থা খুব একটা ভালো যাচ্ছে না, তাই আমরা আপনাদের কাছে অনুরোধ করছি, যাতে আমাদের এই প্রিমিয়াম আর দিতে হয় না।"

হিসেব করা কাকে বলে

একজন এ্যাকচুয়ারি (মানে যারা ইন্স্যুরেন্স পলিসি বানায়) এবং একজন চাষী ট্রেনে করে দিল্লী যাচ্ছিলো। ট্রেনটা একটা বিশাল মাঠের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মাঠে অনেকগুলো ভেড়া চরতে দেখে এ্যাকচুয়ারি বললো, "এই দেখো, ওখানে ১২৪৮ টা ভেড়া আছে।"
এটা শুনে চাষী অবাক হয়ে বললো, "অসাধারণ! এই ভেড়াগুলোর মালিককে আমি চিনি, তাই বলতে পারছি যে তোমার কথা একশ শতাংশ সত্য! কিন্তু, একটা কথা বলোতো, এত তাড়াতাড়ি তুমি কোন পদ্ধতিতে এতগুলো ভেড়াগুলোকে গুনতে পারলে?"
এ্যাকচুয়ারি বললো, "আরে, এটা তো খুবই সহজ। আমি শুধু ভেড়াগুলোর পা গুনেছি, আর তারপর মোট যোগফলকে চার দিয়ে ভাগ করে দিয়েছি!"

সোমবার, ২৫ জুন, ২০১২

লোডশেডিং

আমাদের পচাদার ছেলে গজা দি গ্রেট একদিন স্কুলের হোমওয়ার্ক করে নিয়ে যায় নি। ব্যস, আর যায় কোথায়! ক্লাস টিচার ওকে পাকড়াও করলেন।
টিচার, "হোমওয়ার্ক করোনি কেন?"
গজা, "স্যার, লোডশেডিং ছিলো।"
টিচার, "তা মোমবাতি জ্বালিয়ে নিতে।"
গজা, "স্যার, দেশলাই ছিলো না।"
টিচার, "দেশলাই ছিলো না কেন?"
গজা, "ঠাকুরঘরে রাখা ছিলো স্যার।"
টিচার, "আচ্ছা, ঠাকুরঘর থেকে নিলে না কেনো?"
গজা, "স্নান করিনি, ঠাকুরঘরে ঢুকবো কি করে?"
টিচার, "ওফ! তা স্নান করতে কে বারণ করেছিলো?"
গজা, "জল ছিলো না স্যার।"
টিচার, "জল কেন ছিলো না?"
গজা, "পাম্পের মোটর চলছিলো না স্যার।"
টিচার, এবারে ধৈর্য্যের  শেষ  সীমায় পৌঁছে গিয়ে, দাঁত  কিড়মিড়  করে বললেন, "আরে উল্লুক, মোটরটা কেন  চলছিলো না?"
গজা, "স্যার, আপনাকে তো প্রথমেই বললাম যে লোডশেডিং ছিলো!"

রবিবার, ২৪ জুন, ২০১২

১৬ জন মেয়েকে বিয়ে করা উচিত

মিঃ বিন তার এক বন্ধুর সাথে গলফ খেলছিলেন।
হঠাৎ বন্ধু ভদ্রলোক মিঃ বিনকে জিজ্ঞেস করলেন, "তোমার কি মনে হয়, একজন ছেলের ক'জন মেয়ের সাথে বিয়ে করা উচিত?"
মিঃ বিন, মাথা-টাথা চুলকে অনেকক্ষণ ভেবে বললেন, "ষোলো (১৬)!"
বন্ধু খুবই আশ্চর্য্য হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "সে কি, কেন?"
মিঃ বিন একগাল হেসে বললেন, "কেনো, দেখোনি চার্চের পাদরি কি বলেন? চারজন ধনী (for richer), চারজন গরীব (for poorer), চারজন ভালো (for better) এবং চারজন খারাপ (for worse)।"

শনিবার, ২৩ জুন, ২০১২

মাতাদোর এবং ষাঁড়

মেক্সিকো সিটির পুলিশ একজন বাইশ বছর বয়সী মাতাদোরকে (যে ষাঁড়ের সঙ্গে লড়াই করে) রাস্তায় অনেক ছুটোছুটির পর ধরতে পারে। এই মাতাদোর ষাঁড়ের সঙ্গে লড়াই মাঝপথে ফেলে রেখে, হঠাৎ করে এরিনা থেকে লাফিয়ে জনতার মধ্যে দিয়ে দৌড়ে গিয়ে স্টেডিয়ামের বাইরের রাস্তায় চলে যায়।
তো মাতাদোরকে যখন জজ-এর সামনে আনা হলো, তখন মাতাদোরের উকিল বললেন, "হুজুর, ধর্মাবতার, আমার মক্কেলের পক্ষে আমি টেম্পোরারি স্যানিটির এ্যাপিল করছি।" জজ মোটেও সন্তুষ্ট হলেন না!

সান্টা সিং এম বি বি এস

সান্টা সিং এর বাবার খুব ইচ্ছা ছিলো যে তার ছেলে ডাক্তার হবে। তাই হায়ার সেকেণ্ডারির পর সান্টা সিং বাবার ইচ্ছা পূরণের জন্য মেডিকাল এন্ট্রান্সে বসে পড়লো। আমাদের ভাগ্য ভালো যে সান্টা এন্ট্রান্সে পাশ করতে পারেনি! কিন্তু কেনো, সেটা আপনার জানেন কি?
অত্যন্ত গোপন সূত্রে আমাদের কাছে সান্টা সিং এর মেডিকাল এন্ট্রান্সের খাতাটা এসেছে। সান্টার দেওয়া উত্তরগুলো নীচে তুলে দিলাম।
এন্টিবডি (Antibody) - যে সবার বিরুদ্ধে।
আর্টারি (Artery) - পেইন্টিং, অর্থাৎ আর্ট সম্বন্ধে পড়াশুনা।
ব্যাক্টেরিয়া (Bacteria) - ক্যাফেটেরিয়ার ব্যাকডোর অর্থাৎ পেছনের দরজা।
সিজারিয়ান সেকশন (Caesarean section) - সিজারের দেশ রোমের একটি অংশ।
কার্ডিওলজি (Cardilogy) - পোকার খেলা শেখার ওপর এ্যাডভান্সড ট্রেনিং।
ক্যাটস্ক্যান (Cat scan) - ক্যাট, মানে বেড়ালকে খুঁজে বের করা।
ক্রনিক (Chronic) - কাকের (ক্রো) ঘাড় (নেক)।
কোমা (Coma) - যতিচিহ্ণ।
কর্টিজন (Cortisone) - কোর্টের আশপাশের এলাকা।
সিস্ট (Cyst) - সিস্টারকে ছোট করে ডাকা।
ডায়াগনসিস (Diagnosis) - যে লোকের নাক (নোজ) ব্যাঁকা।
ডায়ালেট (Dilate) - লেট প্রিন্সেস ডায়ানা।
ডিসলোকেশন (Dislocation) - এই জায়গা।
ডুয়োডেনাম (Duodenum) - ডেনিম জিনস পরিহিত দুজন।

শুক্রবার, ২২ জুন, ২০১২

র‍্যাশ ড্রাইভার সান্টা সিং

সান্টা সিং শনিবার রাতে পার্টিতে গিয়ে একটু বেশীমাত্রায় পান করে ফেলেছিলো। তারপর ঐ অবস্থায় গাড়ি চালাতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যায়। পরদিন পুলিশ সান্টাকে কোর্টে পেশ করে।
মামলা শুরু হওয়ার একটু আগে হঠাৎ করে আদালতের ভেতরে বেশ উঁচু গলায় কথা কাটাকাটি শুরু হয়ে যায়। জজসাহেব তাতে বিরক্ত হয়ে তাঁর হাতুড়িটা টেবলে ঠুকে বললেন, "অর্ডার, অর্ডার।"
কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা সান্টা সিং সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠলো, "থ্যাংক ইউ, থ্যাংক ইউ, ইয়োর অনার! আমি একটা লার্জ স্কচ আর সোডা নেবো।"

বৃহস্পতিবার, ২১ জুন, ২০১২

এক বিহারী ছিলো

একজন বিহারী একটা বাসস্টপে দাঁড়িয়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলো। বেশ কিছুক্ষণ পর বাস এলে সে বাসটাতে উঠে পড়লো। বাসে ওঠার পর তো বিহারীবাবুর চক্ষু চড়কগাছ! পুরো বাসটাতে একমাত্র সে নিজে ছাড়া বাকি সব প্যাসেঞ্জারই সর্দার।
একজন একটু বয়স্ক সর্দারজি বিহারীকে বললো, "হ্যাঁরে ভাই, আমাদের কয়েকটা জোক শোনাও তো।"
এবার তো বিহারীর টেনশনে হাত-পা কাঁপতে আরম্ভ করলো। কারন সে যতগুলো জোক জানতো, সবকটাই সর্দারদের ওপর। বেশ কিছুক্ষণ ভাবার পর সে একটা উপায় বের করলো। যে যে জায়গাগুলোয় সর্দার আছে, ঐ জায়গায় সে বিহারী বসিয়ে দেবে বলে ঠিক করলো।
এই ভেবে সে বলতে আরম্ভ করলো, "অমুক শহরে তমুক সময়ে এক বিহারী থাকতো ..."।
এটুকু বলার পরই তার মাথায় সজোরে একটা চাঁটা পড়লো। বিহারী পেছনে তাকিয়ে দেখে যে তার পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা সর্দারই তাকে মেরেছে।
বিহারীকে ঘুরে তাকাতে দেখে ঐ সর্দার বেশ রাগতভাবে বললো, "বিহারী কেনো? সব সর্দার কি মরে গেছে?? অ্যাঁ??"

চিরদিনের জোক

ছাত্ররা কোন জোকটা আগেও করতো, এখনো করে এবং ভবিষ্যতেও করবেই?
যখন তারা বলে, "অনেক মস্তি করে নিয়েছি বস, কাল থেকে সিরিয়াসলি পড়াশুনো করবো!"

ছারপোকা মারার অব্যর্থ কল

আমাদের পচাদার বাড়িতে একটা, বংশানুক্রমে হাতবদল হতে থাকা, অনেক পুরোনো ইজিচেয়ার আছে। সেটাতে কিছুদিন ধরে অসম্ভব ছারপোকার উপদ্রব হচ্ছে। পচাদা সাধের এই চেয়ারের দুরবস্থায় ক্ষেপে গিয়ে ছারপোকার বংশ ধ্বংস করার উপায় খুঁজছিলো।
হঠাৎ করে পচাদা কাগজে একটা বিজ্ঞাপন দেখতে পেলো। বিজ্ঞাপনে লেখা আছে, "আমরা ছারপোকা মারার অব্যর্থ কল বানাই। এই কল কিনিতে হইলে মানি অর্ডার যোগে আড়াইশত টাকা আমাদের ঠিকানায় পাঠাইয়া দিন।"
এই দেখে পচাদা আড়াইশো টাকা ঐ ঠিকানায় পাঠিয়ে দিলো। সপ্তাহখানেক পর পচাদার ঠিকানায় একটা পার্সেল এলো। পার্সেলটা খুলে দেখা গেলো যে ওটার ভেতরে দুটো কাঠের টুকরো আর একটা কাগজ আছে। এই না দেখে পচাদার তো মাথা খারাপ! যাইহোক, কাগজটা হাতে নিয়ে দেখলো যে তাতে লেখা আছে, "ছারপোকা ধরে কাষ্ঠের একটি খণ্ডের উপরে রাখুন। তারপর কাষ্ঠের অপর খণ্ডটি দিয়া তার উপরে চাপা দিন। এইবার হাত দিয়া জোরে চাপিয়া কাষ্ঠখণ্ড দুটিকে দুই-তিন মিনিট পর্যন্ত ধরিয়া রাখুন। এই পদ্ধতিতে ছারপোকার মৃত্যু অনিবার্য। আমরা গ্যারান্টি  সহকারে এই যন্ত্র বিক্রয় করি। যদি ঐভাবে চাপিয়া রাখার পরেও ছারপোকার মৃত্যু না হয়, তাহা হইলে আমরা মূল্য ফেরত দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ থাকিলাম।"
পচাদার ইজিচেয়ারের ছারপোকারা আজও বহাল তবিয়তে আছে।

বুধবার, ২০ জুন, ২০১২

ধুম - ৩ সিনেমায় রজনীকান্ত


ধুম এর তৃতীয় পার্টে রজনীকান্তকে একটা বিশেষ রোলে নেওয়া হয়েছে, যদিও এই খবরটা এখনও পর্যন্ত বাইরে ফাঁস করা হয় নি। কিন্তু আমরা এক বিশেষ নির্ভরযোগ্য সূত্রে এই খবরটা পেয়েছি।
রজনীকান্ত বাংলা জোক
যাই হোক, ধুম - তিন এর একটা চেজ সিকুয়েন্স শুট করা হচ্ছিলো। দৃশ্যটাতে অভিষেক বচ্চন, উদয় চোপড়া আর আমির খান মোটরসাইকেলে করে ২০০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা স্পিডে যাচ্ছিলেন। ঐ দৃশ্যে রজনীকান্তের থাকার কথাই নয়। কিন্তু হঠাৎ করে দেখা গেলো যে রজনীকান্ত একটা সাইকেল চালিয়ে তিনজনকেই ওভারটেক করে চলে গেলেন। আর যেতে যেতে বললেন, "মাইণ্ড ইট ভাইসব! সাইকেল চালাও, পেট্রোল বাঁচাও, পরিবেশ দূষণও কমাও!"

মঙ্গলবার, ১৯ জুন, ২০১২

ফেসবুকে রজনীকান্ত

এইমাত্র পাওয়া খবরে জানা গেছে যে ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকেরবার্গ ভীষণভাবে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
''
''
''
''
''
এইমাত্র মার্ক জুকেরবার্গের আহত হওয়ার কারন জানা গেলো। আসলে রজনীকান্ত জুকেরবার্গকে ফেসবুকে পোক (Poke) করেছিলেন।

প্রণব মুখার্জি ঠিকই বলেছিলেন

প্রণব মুখার্জি একদম ঠিক কথাই বলেছিলেন, যখন এই বছরের প্রথম দিকে এক বিবৃতিতে তিনি জানিয়েছিলেন, "এই বছরে জিডিপি (GDP) বাড়বে।"
আমরা আসলে ওনাকে জিজ্ঞেস করিনি যে জিডিপি-র পুরো মানেটা কি।
এই বছরে জিডিপি-র বৃদ্ধি দেখে আমরা বুঝলাম যে ওটার মানে হলো গ্যাস, ডিজেল আর পেট্রোল। (Gas, Diesel, Petrol)

সান্টা বান্টা আর এটিএম পিন

বান্টা সিং এটিএম থেকে টাকা তুলছিলো। সান্টা সিং ঠিক তার পেছনেই লাইনে দাঁড়িয়েছিলো।
বান্টার টাকা তোলা শেষ হওয়ার পর সান্টা বললো, "হাঃ, হাঃ। আমি তোর পাসওয়ার্ড দেখে ফেলেছি! তোর পাসওয়ার্ড হলো চারটে তারা (*)।"
বান্টা সিং বললো, "আব্বে ছাড় ছাড়! হাঃ, হাঃ, হাঃ! তুই শালা একটা ভোঁদড়! তুই পুরো ভুল বলছিস। ওটা চারটে তারা নয়, ১২৫৮।"

যমালয়ে ক্লিন্টন

ভূতপূর্ব প্রেসিডেন্ট ক্লিন্টন মারা যাওয়ার পর যমালয়ের দরজায় এসে দাড়ালেন। গেট বন্ধ দেখে তিনি জোরে কয়েকবার নক করলেন।
ভেতর থেকে আওয়াজ ভেসে এলো, "কে ওখানে?"
ক্লিন্টন বললেন, "আমি, বিল ক্লিন্টন!"
একজন বুড়ো মতন লোক, চোখে চশমা, এককানে গোঁজা পেনসিল আর আরেককানে আধপোড়া একটা বিড়ি, হাতে একটা মোটাসোটা খাতা নিয়ে দরজাটা খুলে বেরিয়ে এলেন। বললেন, "আচ্ছা, বিল। তা তুমি পৃথিবীতে কি কি খারাপ কাজ করেছো বলোতো।"
ক্লিন্টন একটু সময় চিন্তা করে বললেন, "দেখুন, আমি যখন ছাত্র ছিলাম, তখন গাঁজা-টাজা খেয়েছি, কিন্তু সেটাকে আপনি খুব একটা দোষ হিসেবে ধরতে পারবেন না, কারন আমি ধোঁয়াটা পুরো গিলিনি। আমি মিথ্যে কথাও বলেছি, কিন্তু আমি কখনও শপথ নিয়ে মিথ্যা কথা বলিনি।"
বুড়ো লোকটা, মানে মিঃ সি. গুপ্ত (আজকাল চিত্রগুপ্তও আধুনিক হয়েছেন) বেশ কিছুক্ষণ ভেবে বললেন, "ঠিক আছে। তা শোনো বাবা, আমি তোমাকে একটা প্রচণ্ড গরম জায়গায় পাঠাচ্ছি, কিন্তু ওটাকে আমি নরক বলবো না। সেখানে তুমি অনির্দিষ্টকাল থাকবে, কিন্তু আমরা ওটাকে অনন্ত সময় বলবো না। আর ওখানে পৌঁছে, সেখানকার অবস্থা দেখে আশা হারিয়ে ফেলো না, শুধু কখন সবকিছু পালটে যায় সেইজন্য অপেক্ষা করে বসে থেকো না।" :)

রবিবার, ১৭ জুন, ২০১২

তাজমহল আর বান্টা সিং

আমাদের বান্টা সিং এর হঠাৎ করে শখ হলো যে সে ইংরেজি শিখবে। যেমন চিন্তা তেমনই কাজ। বান্টা গিয়ে একটা স্পোকেন ইংলিশের কোর্সে ভর্তি হয়ে গেলো।
তিন মাসের কোর্স শেষ হওয়ার পর, ওদের টিচার মৌখিক পরীক্ষা নিচ্ছিলেন।
বান্টা সিং এর পরীক্ষার সময় এলে, টিচার বললেন, "বান্টা সিং, দেখি কতটুকু ইংরেজি শিখলে। সংক্ষেপে ইংরেজিতে তাজমহলের বর্ণনা দাও তো।"
বান্টা সিং সাথে সাথে জবাব দিলো, "স্যার, এটা তো জলের মতন সোজা! Taj Mahal is the greatest erection of a man, for a woman - অর্থাৎ তাজমহল, একজন মহিলার উদ্দেশ্যে পুরুষের নির্মাণ করা সর্বশ্রেষ্ঠ স্থাপত্য।"
কিন্তু, বান্টার ইংরেজিটা যথারীতি একটু গোলমেলে হয়ে গেলো!!

স্ত্রীর বিরুদ্ধে এফ আই আর

মিঃ নাইডু সকালবেলাই থানায় গিয়ে হাজির। বড়বাবুকে বললেন যে তিনি নাকি তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ আনতে চান।
বড়বাবু মিঃ নাইডুকে চেয়ারে বসিয়ে ঠাণ্ডা হওয়ার সময় দিয়ে, তারপর বললেন, "তা অভিযোগটা ঠিক কি হবে?"
মিঃ নাইডু, "যেকোনও ছোটখাটো কথা কাটাকাটির মধ্যেও আমার স্ত্রী আমাকে চপ্পল ছুঁড়ে মারে!"
বড়বাবু, "এই অত্যাচার কদ্দিন ধরে চলছে?"
নাইডু, "পাঁচ বছর।"
বড়বাবু, "পাঁচ বছর? আর আপনি এখন কমপ্লেন লেখাতে এসেছেন?"
নাইডু, "কি বলবো স্যার! পাঁচ বছর ধরে প্র্যাকটিস করতে করতে ওর টিপ এখন অব্যর্থ হয়ে গেছে। আজকাল একবারও টার্গেট মিস করে না!"

শনিবার, ১৬ জুন, ২০১২

নরকে ফোন কল


ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী সৌজন্য সফরে গেলেন পাকিস্তানে।
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট অতি আনন্দের সঙ্গে তাঁকে দেখালেন যে তাঁদের দেশের টেলি-কমিউনিকেশনের কেমন প্রভূত উন্নতি হয়েছে। 
ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী তৎক্ষণাৎ নরকে ডায়াল করে যমরাজের সঙ্গে কিছুক্ষণ বাক্যালাপ করে নিলেন। টেলিফোন বিল উঠল মাত্র ১ টাকা।
পাকি জোক
কিছুদিন পরে, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট এলেন নয়াদিল্লি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বললেন তাঁরাও টেলি-কমিউনিকেশনে প্রচুর উন্নতি করেছেন।
সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ডায়াল করলেন দোজখে। কথা বললেন ইবলিশ নামক এক শয়তানের সঙ্গে। কিন্তু সামান্য এক মিনিটের কথায় বিল উঠল ১০০ টাকা।
জোক
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট তো অবাক! বললেন, "এটা কি হলো? আপনাদের ভারতে টেলিফোন তো খুবই ব্যয়বহুল!"
ভারতের প্রধানমন্ত্রী সবিনয়ে বললেন, "আপনাদের দেশ থেকে নরক -লোকাল কল। তাই এক মিনিটে মাত্র এক টাকা বিল হয়। কিন্তু আমাদের দেশ থেকে নরকে ফোন করতে হলে আই এস ডি চার্জ দিতে হয়।"

জন্মদিনের উপহার


জন্মদিনে পচাদার ছেলে গজাকে একটা হুইশল উপহার দিয়েছিলাম।
কিছুদিন পরে গজা আমাকে ফোনে অনেক ধন্যবাদ জানাতে লাগল। 
আমি বললাম, "এত উচ্ছ্বাসের কী আছে রে?"
গজার চটজলদি জবাব, "জানো না কাকু, যখন এটা দিনের বেলা বাজাই, তখন মা আমাকে রোজ ১০ টাকা দেয় তাড়াতাড়ি থামাবার জন্য। আর যখন রাতের বেলা বাবা অফিস থেকে ফেরে, ফিরেই আমাকে ১০ টাকা দেয় না বাজানোর জন্য।"
পুরো বাপ কা ব্যাটা হয়েছে!

লাইনে আসুন


আমাদের পচাদার মর্নিং ওয়াক করাটা প্রায় নেশার মতন। রাতভোর থাকতেই বেরিয়ে পড়ে আর মোটামুটি ঘন্টা দেড়েক হাঁটাহাঁটি করে তারপর বাজারটাজার সেরে একসাথে বাড়ি ফেরে। তা আজ সকালবেলা বেরিয়ে পচাদা দেখলো, দুটো খাটিয়ায় করে এক জোড়া মৃতদেহ চলেছে শ্মশানের দিকে। খাটিয়া দুটোর সামনে একজন মাঝবয়সী ভদ্রলোক একটা বড়সড় কুকুরকে নিয়ে চলেছেন, আর তার পেছনেই একগাদা লোকের লম্বা মিছিল। 
জোক
পচাদা ভাবলো যে কোন বড়সড় লোকের মৃত্যু হয়েছে। তাই সে এগিয়ে গিয়ে মিছিলের একেবারে সামনের ভদ্রলোককে বললো, "কিছু মনে করবেন না, আপনাদের এই শোকের সময় বিরক্ত করছি। এই মৃতদেহ দুটো কার?"
বাংলা
ভদ্রলোক বললেন, "সামনের খাটিয়াতে আছেন আমার স্ত্রী। আর পিছনে আমার শাশুড়ি।"
পচাদা, একটু অবাক হয়ে, জিজ্ঞেস করলো "কি করে মারা গেলেন ওঁরা?"
ভদ্রলোক বললেন, "আমাদের কুকুরটা প্রথমে আমার শ্বাশুড়িকে কামড়ায়। তারপর আমার স্ত্রী তাঁকে বাঁচাতে এলে তেড়ে গিয়ে আমার শাশুড়িকেও কামড়ে দেয়।"
পচাদা সাথে সাথে বলে উঠলো, "ওই কুকুরটা আমাকে একদিনের জন্য ভাড়া দিতে পারেন?"
ভদ্রলোক স্মিত হেসে বললেন, "হ্যাঁ পারি । তবে আপনাকে লাইনে আসতে হবে। দেখতেই তো পাচ্ছেন, পেছনের ওরা আপনার আগে থেকেই লাইনে আছেন!"

সান্টা সিং বনাম পাকিস্তানী সৈনিক


ভারত থেকে লাহোরের দিকে চলেছে সমঝোতা এক্সপ্রেস। এক কামরায় মাত্র ৪ জন যাত্রী। একজন দারুণ সুন্দরী তরুণী। অন্যজন মাঝবয়সী মহিলা। আর আছে একজন পাকিস্তানী সৈনিক। চতুর্থ জন পাঞ্জাবের বিখ্যাত সান্টা সিং।
জোক
ট্রেন হঠাৎ ঢুকল একটা অন্ধকার টানেলের ভিতর। কামরার ভেতরটা নিমেষে অন্ধকার হয়ে গেলো। সেই অন্ধকারের ভেতর থেকে, ট্রেনের শব্দ ছাপিয়ে, শোনা গেল চুম্বনের শব্দ। ঠিক তারপরই একটা জোরাল থাপ্পড়ের আওয়াজ।
বাংলা
পরমুহূর্তে ট্রেন টানেল পেরিয়ে আলোর মধ্যে চলে এল। দেখা গেল, পাকিস্তানী সেনাটি গালে হাত দিয়ে বসে আছে। আর সান্টা সিং জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকার চেষ্টা করছে।
সান্টা জোক
মাঝবয়সী মহিলা ভাবছে, পাকিস্তানী সেনা ওই সুন্দরী তরুণীকে চুমু খেয়েছে বলে মেয়েটি তাকে খুব জোর থাপ্পড় মেরেছে!
পাকিস্তান
তরুণী ভাবছে, আচ্ছা বেয়াকুব পাকিস্তানী সেনা। কাণ্ডজ্ঞান নেই, মাঝবয়সী মহিলাকে চুমু খেয়ে থাপ্পড় খেলো!
চুমু
পাকিস্তানী সেনা ভাবছে, কী বদমাস ওই ভারতীয় শিখ, সটান চুমু খেল সুন্দরীকে, আর থাপ্পড় খেলাম আমি!!
গাধা
আর আমাদের সান্টা সিং ভাবছে, কী স্মার্ট আমি! চুমু খেলাম আমার নিজের হাতের তালুতে, তারপর সপাটে চড় কষিয়ে দিলাম পাকিস্তানীটার গালে!!!

সুখী জীবনের রহস্য

একটা বাড়ির বারান্দায় এক বৃদ্ধকে বসে থাকতে দেখে জিজ্ঞেস করলাম, "বাঃ, এই বয়সেও তো আপনি বেশ হাসিমুখে জীবন কাটাচ্ছেন। তা আপনার এই সুখী জীবনের রহস্য কি? আপনি কি খেতে ভালবাসেন বা কিরকম জীবনযাপন করেন?"
joke
বৃদ্ধ বললেন, "আমি রোজ তিন বোতল হুইস্কি খাই। রোজ তিন প্যাকেট সিগারেট খাই। রোজ চর্বিওয়ালা রেডমিট খাই তিন কিলো। ব্যায়াম করি না কোনদিন।"
"বাঃ! বাঃ!! দারুণ ব্যাপার!!!" আমি বিস্ময়ে চমকিত হই। 
জিজ্ঞেস করি, "আপনার বয়স কত?"
bengali
বৃদ্ধ বললেন, "আমার বয়স সাঁইত্রিশ বছর।"

শুক্রবার, ১৫ জুন, ২০১২

মন্নু উকিলের বয়স

সুপ্রিম কোর্টের উকিল, এ্যাডভোকেট মন্নু হঠাৎ করে পঁয়তাল্লিশ বছর (৪৫) বয়সে এ্যাকসিডেন্টে মারা গেলো। মারা যাওয়ার পর উকিলবাবু যমদ্বারে গিয়ে পৌছালে, সেখানে বসে থাকা চিত্রগুপ্ত বললেন, "আঃহা! এসো, এসো। তোমার জন্য আমরা অনেক দিন ধরে অপেক্ষা করছি।"
এই কথা শুনে মন্নু অবাক হয়ে বললো, "কি বলছেন? অনেক দিন মানে? আমি তো মাত্র ৪৫ বছর বয়সী! এতো তাড়াতাড়ি আমাকে মরতে হলো কেনো?"
চিত্রগুপ্ত বললেন, "৪৫! তোমার বয়স ৪৫ নয়। তোমার বয়স তো ৮২ বছর।"
মন্নু বললো, "এক মিনিট! আপনি বলছেন যে আমার বয়স ৮২ বছর, তার মানে আপনারা ভুল লোককে ধরে এনেছেন।"
চিত্রগুপ্ত বললেন, "এক মিনিট দাঁড়াও। আমি রেকর্ডটা দেখছি।"
একটু পরে ঘুরে এসে চিত্রগুপ্ত বললেন, "কোন ভুল হয় নি। আমাদের রেকর্ড অনুযায়ী তোমার বয়স ৮২ বছরই। আমি পুরো রেকর্ড আবারও দেখে এলাম। তুমি আজ পর্যন্ত তোমার মক্কেলদের যত ঘন্টা বিলিং করেছো, সেই হিসেবে তোমার বয়স ৮২ বছরের এক দিনও কম নয়।"

সিংহ থেকে ইঁদুর

পশুরাজ সিংহ বিয়ে করছে। তাই জঙ্গলে খুব ধুমধাম করে পার্টির আয়োজন করা হয়েছে। সবাই আনন্দে আর উৎসাহে টগবগ করছে। পুরো জঙ্গলের সব জন্তু-জানোয়ারকেই এই পার্টিতে নিমন্ত্রণ করা হয়েছে।
gap
প্যাণ্ডেলের ভেতরে একটা স্পেশ্যাল মঞ্চ করা হয়েছে যেখানে শুধুমাত্র সিংহরাই নাচতে পারবে। হঠাৎ করে বর দেখলো যে ঐ স্টেজে একটা ইঁদুর নাচছে।
gap
এই দেখে খুব অবাক হয়ে বর সিংহ গিয়ে ইঁদুরকে জিজ্ঞেস করলো, "তুমি কি জানো না যে এই স্টেজটা শুধুই সিংহদের জন্য? অন্য কোন জন্তু এই স্টেজে উঠে নাচতে পারবে না।"
gap
ইঁদুরটা এই শুনে বললো, "আমি জানি রে ভাই। খুব ভালোভাবেই জানি। বিয়ের আগে আমিও সিংহই ছিলাম। বিয়ের পর, দেখতেই পাচ্ছো, ইঁদুর হয়ে গেছি।"

গাধা, দাদা, বউদি


আমাদের পল্টু রাস্তা দিয়ে হেঁটে যেতে যেতে হঠাৎ করে একটা গাধার সামনে আছাড় খেয়ে পড়ে গেলো।
gap
ঠিক ঐসময়েই রাস্তা দিয়ে দুজন মেয়ে যাচ্ছিলো। তারা পল্টুর ঐ অবস্থা দেখে হেসে কুটোপাটি। পল্টুকে খ্যাপানোর জন্য দুজনেই বললো, "কিগো, তোমার দাদার আশীর্বাদ নিচ্ছো না কি?"
gap
পল্টুও সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠলো, "হ্যাঁগো বউদি, একদম ঠিক বলেছো।"

মেয়েদের মনের কথা

একজন লোক ন্যাশনাল হাইওয়ে ধরে তার নতুন কেনা হার্লে-ডেভিডসন মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলো। হঠাৎ করে মাথার ওপর কালো মেঘ জমে উঠলো আর তার মাঝখান থেকে দৈববাণী শোনা গেলো।
gap
ভগবান বললেন, "তুমি এই কলিকালেও ভগবানে বিশ্বাস রেখে ভালো কাজ করেছো। তাই আমি তোমাকে একটা বর দিতে চাই।"
মোটরসাইকেলের আরোহী, আমাদের বান্টা সিং, বাইকটাকে রাস্তার সাইডে নিয়ে থামিয়ে বললো, "ভগবান, আপনি তাহলে একটা এক্সপ্রেস হাইওয়ে বানিয়ে দিন, যাতে করে আমি যেকোন সময় কলকাতা থেকে দিল্লী বাইক চালিয়ে চলে যেতে পারি।"
ভগবান বললেন, "তোমার এই প্রার্থনা থেকে লোকের কি লাভ হবে? ভাবোতো, এরকম একটা এক্সপ্রেসওয়ে তৈরী করতে কতখানি কাঁচামাল লাগবে, কতো গাছ, বন-জঙ্গল কাটতে হবে, কতো লোকের ঘরবাড়ি ভেঙ্গে সরাতে হবে। আমি এটা বানিয়ে দিতেই পারি। কিন্তু আমি তোমাকে আরো একটু ভেবে বলতে বলবো। এমন একটা কিছুর প্রার্থনা করো যার ফলে পুরো সমাজের উপকার হয়।"
বান্টা বেশ কিছুক্ষণ ভেবে বললো, "হ্যাঁ ভগবান, আপনি ঠিকই বলেছেন। আমি চাই যে পৃথিবীর সব পুরুষেরা যেনো মেয়েদের মনের কথা, মনের ভাব বুঝতে পারে। যখন মেয়েরা মুখে কিছু একটা বলে, আর ভেতরে ভেতরে অন্য কিছু ভাবে, তখন আমরা যেনো ওদের মনের ইচ্ছেটা বুঝতে পারি আর মেয়েদের যেনো সত্যিকারের সুখী করতে পারি।"
gap
ভগবান একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে জবাব দিলেন, "বান্টা সিং, বলোতো ঐ এক্সপ্রেসওয়েতে ক'টা লেন চাও। দুটো, না চারটে?"

কখন ফোন করবো

পল্টুর কিছুদিন হলো একটা কেস হয়েছে। কেস মানে ইয়ে, ঐ আর কি, গার্লফ্রেণ্ড। মেয়েটার নাম রেশমী।
paltu
তা পল্টু রেশমীকে জিজ্ঞেস করলো, "ডার্লিং তোমাকে কোন সময় ফোন করতে পারবো?"
রেশমী বললো, "তোমার যখন ইচ্ছে তখনই করতে পারো।"
পল্টু, "গতকাল তো আমি তোমাকে ফোন করেছিলাম।"
রেশমী, "ওঃহো! তখন তো আমি শুয়ে ছিলাম। অতো তাড়াতাড়ি আমি ঘুম থেকে উঠিই না।"
পল্টু, "আচ্ছা! তাহলে কাল এগারোটার সময় ফোন করবো।"
রেশমী, "না না! তখন বাবা ঘরে থাকবেন।"
পল্টু, "তাহলে তিনটার সময় করবো।"
রেশমী, "আরে না। তখন তো লাঞ্চ টাইম।"
পল্টু, "তাহলে পাঁচটার সময়?"
রেশমী, "না না! তখন তো আমার ফেভারিট সিরিয়ালটা দেখায়।"
পল্টু, "ঠিক আছে। তাহলে আমি রাতে ফোন করবো।"
রেশমী, "না। রাতে সবাই ঘরে থাকবে।"
পল্টু, এবার বিরক্ত হয়ে, "তাহলে ফোনটা করবো কখন?"
রেশমী, "যখন তোমার ইচ্ছে হয় তখনই করে নিয়ো!"
paltu
শুনলাম পল্টু এরপর তার লাভ স্টোরিকে আর এগিয়ে নিয়ে যায় নি। ওখানেই দি এণ্ড করে দিয়েছে!

থ্রি ইডিয়টসের শিক্ষা

আপনারা জানেন যে থ্রি ইডিয়টস ছায়াছবিটা খুবই হিট হয়েছিলো।
shovon
তা গজাদের স্কুলের ক্লাসটিচার ম্যাডাম ছাত্রছাত্রীদের সাথে থ্রি ইডিয়টস নিয়ে কথা বলছিলেন। সবশেষে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, "তোমরা যারা থ্রি ইডিয়টস দেখেছো, তারা বলতো যে ঐ সিনেমাটা থেকে তোমরা কি শিখলে।"
3 idiots
গজার বন্ধু পাপ্পু সবার প্রথমে দাঁড়িয়ে বললো, "মিস, এটা থেকে বোঝা গেলো যে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েও মেডিক্যাল কলেজের মেয়েকে পটানো যায়।"
মিস, অবাক হয়ে এবং রাগতভাবে, "শাট আপ পাপ্পু! ক্লাস থেকে বেরিয়ে যাও!"
french kiss
এবার বাবলু বললো, "মিস আমি বলবো?"
মিস, "ভেরি গুড বাবলু, বলো।"
বাবলু, "মিস, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রথম দিন আণ্ডারওয়ার না পরলে খুবই বিপদ।"
মিস, আবারো রেগে গিয়ে, "চুপ! বেরোও ক্লাস থেকে।"
miss
এবার প্রিয়াংকা বললো, "মিস, আমি বলি?"
মিস, "প্রিয়াংকা, তুমি তো ভালো ছাত্রী। তুমিই বলো।"
প্রিয়াংকা, "শুধু ডাক্তাররাই নয়, ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্ররাও বাচ্চার ডেলিভারি করতে পারে।'
মিস, রাগের চোটে মোটামুটি চুল ছিঁড়তে বাকি রেখে, "প্রিয়াংকা, তুমিও বেরোও!"
lesson
এবার আমাদের গজা, "মিস, এরা কিছুই জানে না। আমি বলবো?"
মিস বললেন, "ঠিক আছে, তুমিই বলো।"
গজা, "মিস, ছবিটা দেখে শিখলাম যে ফ্রেঞ্চ কিস করতে গেলে নাক দুজনের মাঝখানে চলে আসে না।"
মিস ধপাস করে চেয়ারে বসে পড়লেন! আজকালকার বাচ্চাগুলো সত্যিই স্মার্ট! :)

সান্টা সিং এর বাবা

সান্টা সিং তখন স্কুলে পড়তো। বুঝতেই পারছেন, বেশ কিছুদিন আগের কথা।
santa
স্কুলের টিচার সান্টা সিংকে জিজ্ঞেস করলেন, "বেটা সান্টা, তোমার বাবা কি করেন?"
সান্টা বুক ফুলিয়ে বললো, "স্যার, পাপা এইচডিএফসি-র (HDFC) মালিক।"
টিচার অবাক হয়ে বললেন, "আরে বাহ! তোমার বাবা এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের মালিক?"
সান্টা বললো, "না স্যার! হীরালাল দহিবড়ে এ্যাণ্ড ফালুদা সেন্টার এর মালিক।"

আমেরিকা আবিষ্কার

পচাদার ছেলে গজা একটা বেশ নামকরা ইংরেজি মিডিয়ামের স্কুলে পড়ে।
জোক, দারুণ
একদিন স্কুলে জিওগ্রাফি, মানে ভূগোলের ক্লাসে টিচার গজাকে ডাকলেন। ডেকে বললেন, "গজা, তুমি ঐ ম্যাপের সামনে যাও, আর গিয়ে উত্তর আমেরিকা কোথায় আছে সেটা দেখাও।"
গজা খুব স্মার্টলি ম্যাপের সামনে গিয়ে হাত দিয়ে উত্তর আমেরিকাকে দেখিয়ে বললো, "স্যার, এইতো, উত্তর আমেরিকা ম্যাপের এখানটায় আছে।"
টিচার খুশী হয়ে বললেন, "একদম ঠিক বলেছো গজা! সাবাশ!" তারপর ক্লাসের বাকি ছাত্র-ছাত্রীদের দিকে তাকিয়ে বললেন, "এখন তোমরা বলোতো আমেরিকা আবিষ্কার কে করেছিলেন?"
সব ছাত্র-ছাত্রীরা একসাথে বলে উঠলো, "গজা, স্যার!"

সফল ছাত্রের পেছনে

যেমনভাবে প্রত্যেক সফল পুরুষের সাফল্যের পেছনে একজন নারী থাকেন,
যেভাবে প্রত্যেক সফল ছাত্রের পেছনে একজন অত্যন্ত ভালো এবং অধ্যবসায়ী শিক্ষিকা থাকেন,
ঠিক 
সেই ভাবেই 
প্রত্যেক অসফল ছাত্রের পেছনে ...... 
একজন খুবই সুন্দরী শিক্ষিকা থাকবেনই!

আয়ু লম্বা হওয়ার রাস্তা

আমাদের পল্টুর নাকি কদিন ধরে শরীরটা খারাপ যাচ্ছে। তাই গতকাল পল্টু ডাক্তারের কাছে গেছিলো। সেখানে যা ঘটেছে, সেটা হুবহু তুলে দিচ্ছি।

চেম্বারে ঢোকার সাথে সাথে ডাক্তারবাবু পল্টুকে জিজ্ঞেস করলেন, "আপনার কি হয়েছে?"
পল্টু বললো, "কদিন থেকে শরীরটা ভালো যাচ্ছে না। কেমন জানি দুর্বলও লাগছে।"
ডাক্তার, "আচ্ছা। শুয়ে পড়ুন দেখি। আপনার চেক-আপ করতে হবে।"
চেক-আপ হয়ে যাওয়ার পর ডাক্তার যখন প্রেসক্রিপশন লিখছেন, তখন পল্টু জিজ্ঞেস করলো, "আচ্ছা ডাক্তারবাবু, আমার আয়ু যাতে লম্বা হয়, তার জন্য কোন রাস্তা আছে কি?"
ডাক্তারবাবু, "বিয়ে করেছেন?"
পল্টু, "না।"
ডাক্তার, "বিয়েটা করে ফেলুন।"
পল্টু, "বিয়ে করলে আয়ু লম্বা হবে?"
ডাক্তার, "নাঃ! তবে আয়ু লম্বা হওয়ার ইচ্ছেটাও আর থাকবে না।"

লাখ টাকা ফেঁসে আছে

আমাদের পাড়ায় একটা বাঁধাধরা ভিখিরী আছে। রোক সকালে তাকে বাড়ি বাড়ি ঘুরে ভিক্ষা করতে দেখা যায়।
গাপ
গতকাল হঠাৎ দেখি পচাদাকে ভিখিরিটা ধরেছে।
ভিখিরি বললো, "স্যার, পচাস্যার, দুটো টাকা ভিক্ষে দিন না!"
পচাদা ওকে কাটাতে চেয়ে বললো, "ভাই, কালকে আসিস। কাল সকালে দিয়ে দেবো।"
এই না শুনে ভিখিরিটা খুবই বিরক্ত হয়ে বললো, "এই আগামীকাল, আগামীকালের চক্করে এই পাড়ার মধ্যে আমার কয়েক লাখ টাকা ফেঁসে আছে!"

লালুর ইংরেজি শিক্ষা

জর্জ বুশ ভারতে আসার পর তার সাথে আমাদের লালু প্রসাদের খুব ভালো বন্ধুত্ব হয়ে যায়। জর্জ বুশ লালুকে বলেন, "মিঃ লালু, আপনার কথা বলার স্টাইল এতো সুন্দর আর মজাদার, কিন্তু ইংরেজিটা না বলতে পারায় আপনার প্রচুর লস হয়ে যাচ্ছে। চলুন, আমার সাথে আমেরিকায়। আপনাকে আমার বাড়িতে রেখে ইংরেজি শিখিয়ে দেবো।"
gap
লালু ফ্রি-তে আমেরিকা বেড়ানোর চান্স মিস করতে চাইলেন না। তাই বুশের সাথে সোজা হোয়াইট হাউসে গিয়ে উঠলেন। তারপর অনেক দিন কেটে গেলো, কিন্তু লালুর কোনও খবর নেই। রাবড়ি দেবী বেশ চিন্তিত হয়ে উঠলেন। মাস চারেক কেটে যাওয়ার পর আর থাকতে না পেরে রাবড়ি দেবী হোয়াইট হাউসে ফোন করলেন।
gap
রাবড়ি দেবী, "আচ্ছা আমি মিসেস লালু প্রসাদ বলছি। লালুজী ওখানে আছেন কি? ওনাকে একটু ডেকে দিন না।"
gap
ওদিক থেকে যে লোকটা ফোন ধরেছিলো, সে বলে উঠলো, "আররে, আপ! নমস্তে ভৌজী। হাম জর্জওয়া বোল রহা হুন!"

বিয়ের প্রোপোজাল

এই চিঠিটা আসল চিঠি। কোনও বানানো জোক নয়। টাইমস অফ ইণ্ডিয়া পত্রিকায় বেরোনো একটা বিয়ের বিজ্ঞাপনের জবাবে যে চিঠি লেখা হয়েছিলো, সেটাই এখানে হুবহু তুলে দেওয়া হলো। যেহেতু চিঠিটা ইংরেজিতে লেখা হয়েছিলো, তাই সেটাকে আর বাংলায় অনুবাদ করলাম না। কারন অনুবাদ করলে চিঠির মজা পুরো নষ্ট হয়ে যাবে।
shovon
Madam,
shovon
I am an olden young uncle living only with myself in Lahore. Having seen your advertisement for marriage purposes, I decided to press myself on you and hope you will take me nicely.
shovon
I am a soiled son from inside Punjab. I am nice and big, six foot tall, and six inches long. My body is filled with hardness, as because I am working hardly. I am playing hardly also. Especially I like cricket, and I am a good batter and I am a fast baller. Whenever I come running in for balling, other batters start running. Everybody is scared of my rapid balls that bounce a lot.
shovon

২০৫০ সালে ভারতের সংবাদপত্রের কিছু হেডলাইন

কোনদিন কি আপনি ভেবে দেখেছেন, ভবিষ্যতে খবরের কাগজের হেডলাইনে কি লেখা থাকবে?
চলুন, চট করে দেখে নেই যে ২০৫০ সাল নাগাদ আমাদের দেশের, অর্থাৎ ভারতের সংবাদপত্রের হেডলাইনে কি লেখা থাকতে পারে - 
  • আজমল কাসব ৭৫ বছর বয়সে আর্থার রোড জেলে মারা গেছে। মৃত্যুর কারণ হলো অত্যন্ত বেশী মাত্রায় বিরিয়ানি খাওয়ার ফলে কোলেস্টরল বেড়ে যাওয়া।
  • গোলমাল - পার্ট ২৭ গতকাল, শুক্রবারে রিলিজ হয়েছে। তুষার কাপুর এখনও কথা বলতে বা অভিনয় করতে শেখেন নি।
  • শরদ পাওয়ারের মেয়ে সুপ্রিয়া সুলে আর ভাইপো অজিত পাওয়ার আদ্ধেক মুম্বাই এর মালিকানা নিজেদের নামে করে নিয়েছেন।উদ্ধব আর রাজ দুটো আলাদা সাংবাদিক সম্মেলন করে এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
  • রাষ্ট্রসঙ্ঘ গতকাল এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে ফেসবুককে একটা দেশ বলে ঘোষণা করেছে।
  • এ. রাজার ছেলেকে ১৬জি ঘোটালার জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
  • দিল্লীতে একটি মেয়ে নিরাপদে পঞ্চাশ ফুট দূরত্ব অতিক্রম করেছে।
  • লাক্ষাদ্বীপ ক্যাটস তেষট্টিতম দল হিসেবে এই বছর থেকে আইপিএল কম্পিটিশনে খেলবে।
  • রাহুল গান্ধীকে ভারতের সবথেকে বেশী এলিজিবল ব্যাচেলার হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
  • রাখী সাওয়ান্তের নতুন রিয়াল্যিটি শো, রাখী কা ডিভোর্স - অষ্টম সিজনের টেলিকাস্ট সামনের সপ্তাহ থেকে শুরু হচ্ছে।
  • শচীন তেণ্ডুলকার আগামী বছরের আইপিএলের পরে রিটায়ার করতে পারেন বলে জানিয়েছেন।
  • ভারতীয় রেল গিনেস বুক অফ রেকর্ডসে জায়গা করে নিয়েছে। বিগত চব্বিশ ঘন্টায় একত্রিশটা দুর্ঘটনা ঘটেছে এবং মোট এক হাজার তেত্রিশ জন প্রাণ হারিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের নতুন স্লোগান, "ট্রেন মে যাত্রা কিজিয়ে আউর দেশকী আবাদি কো বঢ়নে সে রোকিয়ে!"
  • ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বীকার করেছেন যে কার্ল মার্ক্সের জন্মগ্রহণ করাটা এক ঐতিহাসিক ভুল ছিলো।

হর এক ফ্রেণ্ড জরুরি হোতা হ্যায়

পল্টু গতকাল বাড়ি ফিরতে অনেক রাত করে ফেলেছিলো। তাই ঘরে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই তার বাবার ফায়ারিং লাইনে বেচারা পড়ে গেলো!
gap
পল্টুর বাবা খুব গম্ভীর হয়ে পল্টুকে জিজ্ঞেস করলেন, "এতো দেরী কেনো? কোন চুলোয় ছিলে এতক্ষণ?"
পল্টু, একটু মাথা চুলকে জবাব দিলো, "আমার বন্ধুর বাড়িতে ছিলাম।"
পল্টুর বাবা, "আচ্ছা! দাঁড়াও আমি তোমার বন্ধুদের ফোন করে জিজ্ঞেস করছি।"
gap
এই বলে পল্টুর বাবা তার সামনেই দশজন বন্ধুকে ফোন করলেন।
চারজন বন্ধু বললো, "হ্যাঁ আংকল, ও তো এখানেই ছিলো।"
দুজন বললো, "আংকল, এইতো মাত্র একটু আগেই তো আমার এখান থেকে বেরোলো।"
তিনজন বললো, "হ্যাঁ আংকল, এখানেই আছে। পড়ছে! ফোনটা ওকে দেবো কি?"
আর শেষের জন তো সব লিমিট পার করে দিয়ে বললো, "হ্যাঁ বাবা, বলো কি হয়েছে!"
gap
এখন বলো ভাইসব, "হর এক ফ্রেণ্ড জরুরী হোতা হ্যায়!"

বুধবার, ১৩ জুন, ২০১২

ডাকাত আর গরু

এক গরু বিক্রেতা কোরবাণীর পশুর হাট থেকে গরু নিয়ে বাড়ী ফেরার পথে ডাকাতে ধরলো!
ডাকাত, "এই শালা, কী কী আছে দে!"
গরু বিক্রেতা, "ভাই, আমার কাছে কিছুই নাই!"
ডাকাত, "কিছু নাই কেন ?"
গরু বিক্রেতা, "ভাই,গরুটা বিক্রি করতে পারি নাই।"
ডাকাত, "গরুটা বিক্রি করতে পার নাই কেন?"
গরু বিক্রেতা, "ভাই,গরুটার দাম কম বলেছে, তাই বিক্রি করি নাই।"
ডাকাত, "এই শালা, গরুটার দাম কম হলে আমরা টাকা কম পেতাম, তুই গরুটা বিক্রি করলিনা কেন?"
:-o

মঙ্গলবার, ১২ জুন, ২০১২

শেয়ার বাজার

এক বিখ্যাত বিজনেস ম্যাগাজিনের নতুন সংখ্যায় একটা মার্কেট সার্ভের রিপোর্ট বেরিয়েছে। এই রিসার্চটা করা হয়েছিলো শেয়ার বাজারে যেসব বিনিয়োগকারী বা ইনভেস্টররা টাকা লাগান, তাদের শেয়ার বাজার সম্বন্ধে জ্ঞানের বহরটা মাপার জন্য। যাইহোক, আসুন আমরা রিসার্চের ফল, অর্থাৎ রিপোর্টে কি বলা হয়েছে সেটা দেখি।

এই রিপোর্ট অনুযায়ী বিনিয়োগকারীদেরকে মোট তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে। আর শ্রেণীগুলো বানানো হয়েছে শেয়ার মার্কেট সম্বন্ধে জ্ঞান অনুযায়ী।
  • প্রথম শ্রেণীতে সেইসব বিনিয়োগকারীদেরকে রাখা হয়েছে, যারা নিজেরাই স্বীকার করেছেন যে শেয়ার বাজার সম্বন্ধে তারা বিশেষ কিছুই জানেন না। মোট বিনিয়োগকারীদের মধ্যে দশ শতাংশ (১০%) লোক এই শ্রেণীতে পড়েন।
  • দ্বিতীয় শ্রেণীতে সেইসব বিনিয়োগকারীদেরকে রাখা হয়েছে, যারা শেয়ার বাজার সম্বন্ধে মোটামুটিভাবে জানেন। এই শ্রেণীতেও মোট বিনিয়োগকারীর দশ শতাংশ (১০%) লোক আছেন।
  • তৃতীয় শ্রেণীতে সেইসব বিনিয়োগকারীদেরকে রাখা হয়েছে যারা শেয়ার বাজার সম্বন্ধে কিছুই জানেন না। এমনকি তারা যে শেয়ার বাজার সম্বন্ধে সম্পূর্ণ অজ্ঞ, সেটাও তাদের জানা নেই। মোট বিনিয়োগকারীর আশি শতাংশই (৮০%) এই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত!

স্কুল ছুটি

অর্ক স্কুল থেকে অনেক তাড়াতাড়ি বাড়ি চলে এসেছে। ছেলেকে এতো তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরতে দেখে তার মা খুবই অবাক হয়ে গেলেন।
gap
মা ছেলেকে জিজ্ঞেস করলেন, "কিরে, তুই এতো তাড়াতাড়ি স্কুল থেকে চলে এলি যে?"
gap
অর্ক খুব গম্ভীরভাবে বললো, "তার কারণ হলো যে একমাত্র আমিই একটা প্রশ্নের উত্তর দিতে পেরেছি।"
gap
মা আরো অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "কোন প্রশ্ন?"
gap
অর্ক, "ক্লাস চলার সময়ে টীচারের দিকে কে ডাস্টারটা ছুঁড়ে মেরেছিলো!"

সান্টা সিং এর চীন ভ্রমণ

সান্টা সিং কয়েকদিন আগে চীনে বেড়াতে গেছিলো। সেখান থেকে অনেক শস্তার চীনা মাল নিয়ে ভাটিণ্ডাতে ফিরে এলো। কিন্তু একটা প্রশ্ন তার মনের মধ্যে অনেকক্ষণ ধরেই উঠছিলো।

শেষে আর থাকতে না পেরে সান্টা তার বউকে জিজ্ঞেস করলো, "ওয়ে প্রীতো, একটা কথা বলো তো দেখি। আমাকে কি দেখতে বিদেশীদের মতন লাগে?"

প্রীতো এই কথা শুনে খুবই চিন্তিত হয়ে ভালো করে খুঁটিয়ে দেখে বললো, "ওয়ে জি না। কি কথা বলছো! তোমাকে তো কোনও এ্যাঙ্গেল থেকেই বিদেশী লাগছে না!"

সান্টা এই কথা শুনে খুবই নিশ্চিন্ত হয়ে প্রীতো কে বললো, "আররে, সেটাই তো কথা। এই চাইনিজগুলোর মাথায় একফোঁটাও বুদ্ধি নেই! আমি চীনে যাওয়ার পর সেখানকার লোকেরা যেখানেই আমাকে দেখে, শুধু ফরেনার - বিদেশী বলছিলো। ধ্যাত্তেরিকা, আমিও ফালতু এতোক্ষণ চিন্তা করলাম!"

রজনীকান্ত বনাম টম ক্রুজ

এক অনুষ্ঠানে দুনিয়ার সব হিরোরা যোগ দিতে লণ্ডন গেছে। সেখানে আমাদের রজনীকান্তের সাথে হঠাৎ করে টম ক্রুজের কিছু একটা নিয়ে ঝামেলা শুরু হয়ে যায়।
gap
তো টম ক্রুজ রজনীকান্তকে নিজের ধন-দৌলতের নমুনা বুঝিয়ে দিতে গিয়ে বললো, "আববে রজনীকান্ত, আমার বাড়ি এতো বড় যে ওটার ভেতরে লোকাল ট্রেন চলে!"
gap
রজনীকান্ত এই শুনে বললো, "ইয়ান্না রাসকালা, ঠম ক্রুজ, আমার ঘরের কোনায় গিয়ে মোবাইল ফোনে কথা বললে রোমিং চার্জ লেগে যায়।"

পচাদার ই-মেল

অফিসের কাজে পচাদা দিল্লীতে গিয়ে একটা হোটেলে উঠেছিলো। হোটেলের রুমে কম্পিউটার আর ইনটারনেটের কানেকশন পেয়ে পচাদা ভাবলো যে বউদিকে একটা ই-মেল করে সব কিছু জানিয়ে দেবে।
gap
কিন্তু, লোকটা যেহেতু পচাদা, তাই ই-মেল করতে গিয়ে একটা ভুল এ্যাড্রেস বসিয়ে দিলো। ভুল এ্যাড্রেসের ব্যাপারটা না বুঝে মেইলটা পাঠিয়েও দিলো। ওদিকে ঠিক সেই সময় মুম্বাইয়ে একজন ভদ্রমহিলা তাঁর বরের শেষকৃত্য করে শ্মশান থেকে বাড়ি ফিরলেন। 
gap
বাড়ি ফিরে তিনি ভাবলেন যে একবার ই-মেলটা চেক করে নেবেন। প্রথম মেইলটা পড়েই তিনি এক ভয়ানক চীৎকার করে উঠে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেলেন। তাঁর চীৎকার শুনে তাদের ছেলে দৌড়ে ঘরে ঢুকে দেখলো যে তার মা অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে আছেন আর সামনে কম্পিউটারে একটা ই-মেল খোলা।
gap
মেইলটা পড়ে সে দেখলো তাতে লেখা আছে, 
gap
সাবজেক্টঃ আমি পৌঁছে গেছি
তারিখঃ ১০ মে ২০১২
gap
প্রিয়তমা,
gap
আমি জানি যে তুমি এই মেইলটা পেয়ে অবাক হয়ে যাবে। আসলে এখানে আমাকে কম্পিউটার আর ইনটারনেট কানেকশন দিয়েছে। তাই ভাবলাম যে তোমাকে মেইলটা করেই ফেলি।
gap
আমি একটু আগে পৌঁছে গেছি আর চেক-ইনও করে নিয়েছি। এখানে তোমার আগামীকাল আসার জন্য সব ব্যবস্থাও হয়ে গেছে। কাল বিকেলে তোমার সাথে দেখা হচ্ছে।
gap
লাভ,
তোমার প্রিয়তম!
gap
পচাদার ই-মেলটা কলকাতার জায়গায় মুম্বাই পৌছে গেছে!

সোমবার, ১১ জুন, ২০১২

চোর-পুলিশ

পথ সুরক্ষা সপ্তাহ চলাকালীন ট্রাফিক পুলিসের ইন্সপেকটর একটা গাড়ি থামিয়ে ড্রাইভারের আসনে বসা ভদ্রলোককে বললেন, "অভিনন্দন! এখন পথ সুরক্ষা সপ্তাহ চলছে, আর আপনিও সিটবেল্ট পরে গাড়ি চালাচ্ছেন। তাই আপনাকে ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে পাঁচ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হলো। তা আপনি এই পুরস্কারের টাকা দিয়ে কি করবেন?"
gap
ড্রাইভার, "এই টাকা দিয়ে আমি নিজের ড্রাইভিং লাইসেন্সটা বানিয়ে নেবো!"
gap
পেছনের সিটে বসে থাকা তার মা সঙ্গে সঙ্গে বললেন, "অফিসার, ওর কথা বিশ্বাস করবেন না। মদ খেলে ও উল্টোপাল্টা কথা বলেই থাকে।"
gap
এবার ওর বাবা বলে উঠলেন, "আমি জানতাম যে চুরির গাড়ি নিয়ে বেশী দূরে যেতে পারবো না!"
gap
ঠিক তখনই পেছনের ডিকির ভেতর থেকে একটা আওয়াজ শোনা গেলো, "ভাই, আমরা বর্ডার ক্রস করে গেছি নাকি?"

রবিবার, ১০ জুন, ২০১২

হরি ওম

একদিন কয়েকজন সাধু একসঙ্গে মন্দিরে যাচ্ছিলেন।
সাধুদের মধ্যে একজন বললেন, "দেখো, রাস্তায় অনেক মেয়ে দেখতে পাবে। কোন মেয়ে যদি কারো চোখে পড়ে, তাহলে সাথে সাথে, হরি ওম বলে নাম জপ করবে। দেখবে চিত্ত চঞ্চল হবে না।"
সাধুরা মন্দিরের উদ্দেশ্যে এরপর রওয়ানা দিলেন।
কিছক্ষণ পরে হঠাৎ এক সাধু বললেন, "হরি ওম, হরি ওম!"
বাকি সব সাধুরা একযোগে বলে উঠলো, "কোথায়, কোথায়? কোনদিকে?"

পচাদার ডেঙ্গু হলো


আমাদের পচাদার হঠাৎ করে ডেঙ্গু হয়ে গেলো। তা ডেঙ্গু হঠাৎই হয়, সেটা কোন ব্যাপার নয়, কিন্তু গোলমালটা বাঁধলো পচাদা ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পর।
ডাক্তারবাবু জিজ্ঞেস করলেন, "কি হয়েছে আপনার?"
পচাদা, "আর বলবেন না, শরীর খুবই খারাপ। পেটে, লিভারে ব্যথা করছে।"
ডাক্তারবাবু, "হুম! তা মদ-টদ চলে কি আপনার?"
পচাদা, "হ্যাঁ! তা তো চলেই। তবে এখন, এই সময়ে ... ঠিক আছে, ছোট পেগই বানান ডাক্তারবাবু!"

কনে বিদায়ে বরের গালে চড়

বিয়ের পর, কনের বিদায়ের সময় হঠাৎ করে বরের মোবাইল ফোনটা বেজে উঠলো। আর সাথে সাথেই কনের সপাট চড় বরের গালে আছড়ে পড়লো।
ভাবছেন কেনো?
মোবাইলের রিংটোন ছিলো একটা হিন্দি গান, শুনুন, এমনিতেই বুঝতে পারবেন - 
দিল মে ছুপাকে প্যার কা আরমান লে চলে,
হাম আজ আপনি মওত কা সামান লে চলে! 

সোমবার, ৪ জুন, ২০১২

আত্মহত্যা

একবার পাড়ার এক অনুষ্ঠানে পচাদাকে আত্মহত্যা সম্পর্কে কিছু বলতে বলা হয়েছিলো। সেই পচাদার শেষ বক্তৃতা।
gap
পচাদা ভাষণ দিচ্ছে, "বন্ধুগণ, আত্মহত্যা হচ্ছে এমন একটা খারাপ জিনিস যেটা করলে আপনার নিজেকে ক্ষতি করা হয়। আত্মহত্যা এমন এক জিনিস যেটা করলে পাপ হয়, যেটা করলে দোষ হয়। আত্মহত্যা করা মানে হল আপনার মাথায় যে বুদ্ধি নেই তার পরিচয় দেওয়া, আপনি যে পাগল তার পরিচয় দেওয়া।
তবে যাওয়ার আগে একটা কথা বলে যেতে চাই, এভাবে আত্মহত্যা করার চেয়ে নিজের মাথায় নিজে গুলি করে মরা ভালো!"

পদে বিপদ

স্যার, "সে গাছ থেকে পড়লো। নরেন, বলতো এটা কোন পদ।"
" "
" "
" "
" "
ছাত্র, "বিপদ স্যার!!"

প্রপোজ করার নতুন ফাণ্ডা

ছেলে, "আপনি দেখতে ঠিক আমার স্ত্রীর মত।"

মেয়ে, "তাই?! আপনার স্ত্রীর নাম কি?"

ছেলে, "আমি এখনো বিয়ে করিনি!"

মেয়ে (লাজুক হেসে), "আপনি না একদম ইয়ে ...!"

শিক্ষনীয় বিষয় - সবসময় নতুন নতুন উপায়ে প্রপোজ করার চেষ্টা করুন। ফলাফল পেলেও পেতে পারেন।

ট্রাফিক সিগন্যাল

এক মহিলা ট্রাফিক সিগন্যাল ভঙ্গ করে গাড়ি নিয়ে সরে পড়তে চেষ্টা করছিলেন।
পুলিশ হুইসেল বাজিয়ে বললো, "থামুন!"
মহিলা পুলিশকে অনুরোধ করলেন, "আমাকে যেতে দিন। আমি একজন টিচার।"
পুলিশ, "আহ! এই মুহুর্তটার জন্যই সারাজীবন অপেক্ষা করেছি। এখন আপনি খাতায় ১০০ বার লিখুন 'আমি জীবনেও আর কখনো ট্রাফিক সিগন্যাল ভঙ্গ করবো না'!"

খ্যাতি, সম্মান, অর্থ

ধনী পরিবারের স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে কথা হচ্ছে -
gap
স্বামী, "আজ আমার এতো খ্যাতি,সম্মান! আমি জীবনের সবকিছু তোমার সঙ্গে শেয়ার করতে চাই।"
gap
স্ত্রী, "ঠিক আছে সোণা, তাহলে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট দিয়েই শুরু করা যাক!"

ইচ্ছেপূরণ


প্রেমিকার বাবা, "তুমি কি আমার মেয়ের সব ইচ্ছে পূরণ করতে পারবে?"
প্রেমিক, "হ্যাঁ স্যার, নিশ্চয়ই পারবো!"
প্রেমিকার বাবা, "এতো শিওর হচ্ছ কি করে?"
প্রেমিক, "আপনার মেয়ে বলেছে, সে আমাকে ছাড়া কিছুই চায় না!"

দেরী কেনো

টিচার, "তুমি দেরীতে এসেছ কেন?"
ছাত্র, "স্যার, বাবা মা ঝগড়া করছিলো।"
টিচার, "তার সাথে তোমার দেরীতে আসার সম্পর্ক কি?"
ছাত্র, "আমার একপাটি জুতো বাবার হাতে, আর আরেক পাটি জুতো মার হাতে ছিল!"

কতটুকু ভালোবাসো

মোরগ মুরগীকে দেখে ডেকে বললো, "এই শোনো!"
মুরগি ঘুরে দাঁড়িয়ে বললো, "আমাকে বলছেন?"
মোরগ, "হ্যাঁ, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি। তোমার জন্য আমি সবকিছু করতে পারি।"
মুরগি একটু হেসে বললো, "সত্যি! তুমি আমার জন্য সবকিছু করতে পারো? তাহলে কষ্ট করে একটা ডিম পেড়ে দেখাও না!"

নামে কি আসে যায়

শিক্ষক জিজ্ঞেস করলেন, "এমন একটি পদার্থর নাম বল যেটা বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন নামে রূপান্তরিত হয়।"
ছাত্র, "স্যার, চুল।"
শিক্ষক, "চুল? কিভাবে?"
ছাত্র, "স্যার যেমন ধরুন মাথায় থাকলে চুল, চোখের উপরে থাকলে ভুরু, চোখে থাকলে পাপড়ি, নাকের নিচে থাকলে গোঁফ, ঠোঁট এর নিচে থাকলে দাড়ি, বুকে থাকলে লোম আর ..."
শিক্ষক রেগেমেগে বললেন, "চুপ বেয়াদপ! আর নিচে যাবি না।"

এক দুই

একবিংশ শতাব্দীর একজন মহাপুরুষ জগতের বাকি সব পুরুষদের জন্য একটা উপদেশ দিয়ে গেছেন। তিনি বলেছিলেন -
সংসারী হলে বিয়ে তো করতেই হবে। তা আপনার যদি একজন বউ থাকে, তাহলে তার সাথে আপনার ঝগড়াঝাটি লেগেই থাকবে। কিন্তু, আপনার যদি দু'জন বউ থাকে, তাহলে তারা আপনার জন্যই নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করবে! :D

আত্মভোলা

দুই মহিলা এক জায়গায় বসে কথা বলছিলেন।
কথা প্রসঙ্গে প্রথম মহিলা দ্বিতীয় জনকে বললেন, "আমার স্বামী এতই আত্মভোলা যে বাজারে গেলে মাছ কিনবে তো তরকারি ভুলে আসবে। আর তরকারি কিনবে তো মাছ কিনবে না।"
একথা শুনে দ্বিতীয় মহিলা বললেন, "আমার স্বামী তো আর এক কাঠি বেশি। সেদিন বাজার করতে গিয়েছিলাম। সেখানে অফিস যাত্রী স্বামী আমাকে দেখে বললেন, 'কিছু মনে করবেন না ম্যাডাম। আপনাকে যেন আমার পরিচিত মনে হচ্ছে। কোথায় যেনো আপনাকে আগে দেখেছি!'"

মৃত্যুতে আনন্দ

পচাদা আর পচাবৌদির মধ্যে ঝগড়া হচ্ছিলো। হঠাৎ করে পচাবৌদি ইমোশনাল হয়ে পড়লো।
বেশ একটু ভারী গলায় বৌদি পচাদাকে বললো, "কখনো ভেবে দেখেছ, আমি একদিন মরে যাব।"
পচাদা জোর গলায় বললো, "আরে না না! তুমি মরে গেলে আমিও যে মারা যাব!"
বৌদি বললো, "কিন্তু কেনো?"
পচাদা উদাসভাবে বললো, "কারণ এত আনন্দ আমি সহ্য করতে পারবো না!"

জুয়েলারি

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ফোনে কথা হচ্ছে।
স্ত্রী (ধমকের স্বরে), "কোথায় তুমি?"
স্বামী, "প্রিয়তমা, তোমার কি সেই জুয়েলারির দোকানটার কথা মনে আছে, যে দোকানের একটা গয়নার সেট তুমি পছন্দ করেছিলে এবং বলছিলে, ‘ইশ্! যদি এটা কিনতে পারতাম?’"
স্ত্রী (গদগদ স্বরে), "হ্যাঁ প্রিয়তম, মনে আছে!"
স্বামী, "আমি সেই জুয়েলারির দোকানের ঠিক পাশেই যে বারটা আছে সেখানে বসে বিয়ার খাচ্ছি!"

গাড়ি পার্কিং

এক ভদ্রলোক এসে পুলিশকে জিজ্ঞেস করলেন, "দাদা, আমি কি এখানে গাড়িটা পার্ক করতে পারি?"
gap
পুলিশ ভদ্রলোক খুব গম্ভীরভাবে ছোট্ট জবাব দিলেন, "না।"
gap
ভদ্রলোক, ওখানে পার্ক করা বেশ কয়েকটা গাড়ি দেখিয়ে বললেন, "তাহলে এই গাড়িগুলো এখানে কেন?"
gap
পুলিশের আবারো ছোট্ট জবাব, "যারা রেখেছে, তারা কেউ আমাকে জিজ্ঞেস করেনি।"

টিচার কিচ্ছু জানে না

আমাদের পল্টু যখন ছোট ছিলো, তখন থেকেই তার নখরাবাজিতে সব্বাই অস্থির।
গাপ
একদিন হয়েছে কি, পল্টু স্কুল থেকে ফিরে এসেই তার মার কাছে ঘোষণা করলো, "মা, আমি কাল থেকে আর স্কুলে যাবো না।"
গাপ
পল্টুর মা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "সেকিরে, কেনো যাবিনা?"
গাপ
পল্টু বললো, "দেখো মা, আমাদের স্কুলের মিস নিজেই কিচ্ছুটি জানে না। তাই স্কুলে গিয়ে কি শিখবো?"
গাপ
মা বললেন, "তুই কি করে বুঝলি যে মিস কিছুই জানেন না?"
গাপ
পল্টু খুব কনফিডেন্টলি বললো, "দেখো মা, আজকে অংকের ক্লাসে মিস প্রথমে বললো যে টু প্লাস টু ইজ ইকুয়াল টু ফোর। একটু পরে আবার বলে কি না থ্রি প্লাস ওয়ান এইজ ইকুয়াল টু ফোর।"

কথায় কথা বাড়ে

পচাদা পাবলিক টয়লেটে বসে একটু হালকা হচ্ছিলো। হঠাৎ করে পাশের টয়লেট থেকে কথা ভেসে এলো, "কি দাদা, কেমন আছেন?"
gap
পচাদা খুবই অবাক হয়ে বলল, "এইতো, আমি মোটামুটি ভালোই আছি।"
gap
কথার পিঠে আবার কথা ভেসে এলো, "তা এখন কি করছেন?"
gap
পচাদা চিন্তিত হয়ে উত্তর দিল, "এইতো ভাই, কমোড এ বসে আছি।"
gap
পাশের টয়লেট থেকে লোকটা আবারও বললো, "আচ্ছা, আমি কি এখন আসতে পারি?"
gap
পচাদা এবার পুরো ঘাবড়ে গিয়ে বললো, "আরে না না না! প্লিজ, আমি এখন খুবই ব্যস্ত আছি।"
gap
আবার কণ্ঠ শোনা গেল, "আচ্ছা দাদা, আমি আপনাকে ৫-১০ মিনিট পরে আবার ফোন করছি। কোনও একটা আহাম্মক জানি আবার সব কথার উত্তর দিয়ে আমার সাথে ইয়ার্কি মারছে।"

মেশিন নষ্ট

পল্টু বেচারা গরমে কাহিল হয়ে গেছে। আর জল কম খাওয়ায় ওর প্রস্রাবও ঠিকমতো হচ্ছে না। শেষে পল্টু এক ডাক্তারের কাছে গেলো।
gap
পল্টু ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকে বললো, "ডাক্তার সাহেব, আমার প্রস্রাবে প্রচণ্ড জ্বালাপোড়া হচ্ছে। আর পরিমাণেও কম হচ্ছে।"
gap
ডাক্তার পল্টুর দিকে তাকিয়ে বললেন, "বাড়ি চলে যান, বাড়ি চলে যান। মেশিন নষ্ট হয়ে গেছে।"
gap
এই শুনে পল্টুর তো হয়ে গেছে। খুব ঘাবড়ে গিয়ে সে ডাক্তারকে বললো, "মানে? আমি কি আর বাঁচবো না ডাক্তারবাবু?"
gap
ডাক্তার একটু অবাক হয়ে বললেন, "আরে ধুর! আপনি কেনো মরবেন মশাই? আমি যে মেশিন দিয়ে পরীক্ষা করবো সেটাই নষ্ট হয়ে গেছে!"

সুখবর

পচাদার ছোটভাই রাজীবদা দু-বছর হল বিয়ে করেছে। রাজীবদা অনেক বছর ধরেই ব্যাঙ্গালোর প্রবাসী।
gap
তো একদিন রাজীবদা কোন খবর না দিয়ে হঠাৎ করে কলকাতায় হাজির। বাড়িতে ঢুকেই রাজীবদা তার মাকে গিয়ে বলছে, "মা, একটা সুখবর আছে! আমরা দুজন থেকে তিন জন হয়ে গেছি।"
gap
মা খুব খুশী হয়ে বললেন, "ভারী আনন্দের কথা তো বাবা! তা নাতি না নাতনী, কি হয়েছে?"
gap
রাজীবদা তাড়াতাড়ি বললো, "আরে না না! ওসব কিছু না। আমি আরেকটা বিয়ে করে ফেলেছি।"

পরামর্শ

পচাদার ভীষণ শরীর খারাপ। তো সবাই মিলে ঠেলেঠুলে একজন বড় স্পেশ্যালিস্ট ডাক্তারের কাছে পচাদাকে পাঠানো হলো।
gap
ডাক্তার বাবু বেশ কিছুক্ষণ ধরে পচাদাকে ভালোভাবে দেখেটেখে বললেন, "হুমম! কেসটা বেশ সিরিয়াস বাঁধিয়েছেন দেখছি। তা এর আগে কারো কাছে গেছিলেন নাকি?"
gap
পচাদা, "হ্যাঁ! ঐতো, আমাদের পাড়ার ঔষধের দোকান আছে, ওখানে গিয়েছিলাম।"
gap
ডাক্তার বাবু এবার একটু বিরক্ত হয়েই বললেন, "ঐ তো ভুল করেন! কেন যে ঔষধের দোকানে যান! আরে ওরা কি ডাক্তার? ওরা হল দোকানদার। তা সে দোকানদারটা নিশ্চয়ই ছাগলের মতো কিছু একটা পরামর্শ দিয়ে দিয়েছে?"
gap
পচাদা, "হ্যাঁ! তা অবশ্য দিয়েছে।"
gap
ডাক্তার বাবু একটু ব্যঙ্গচ্ছলে বললেন, "কি উল্টোপাল্টা পরামর্শ দিয়েছে শুনি।"
gap
পচাদা কানটাকে একটু চুলকে নিয়ে বললো, "ঐ আপনার কাছে আসতে বলল।"

এক মাস পর

রোগী এবং ডাক্তারের মধ্যে কথা হচ্ছে। 
gap
ডাক্তার, "এই ঔষধগুলো এখন খেতে থাকুন।। আর ১ মাস পর আবার আসবেন।"
gap
রোগী বেশ চিন্তিতভাবে বললেন, "ডাক্তার বাবু আপনি যে বলছেন ১ মাস পর আসতে, এর মধ্যে যদি আমি মরে যাই?"
gap
ডাক্তার, "তাহলে আর আসবেন না।"