রবিবার, ১৫ জুলাই, ২০১২

নতুন টেস্টার

একটা মদের ফ্যাক্টরির টেস্টার লিভার সিরোসিস হয়ে সোজা ওপরে চলে গেলো। কোম্পানির মালিক একজন নতুন টেস্টারের জন্য কাগজে বিজ্ঞাপন দিলেন।
পরদিন একটা মোদো-মাতাল টাইপের লোক ছেঁড়া-নোংরা কাপড় চোপড় পরে ইন্টারভিউ দিতে চলে এলো।
মালিকের লোকটাকে দেখে একদমই পছন্দ হয় নি, কিন্তু পরীক্ষা না নিয়ে ওকে তাড়ানোও যায় না। তাই সবাই মিলে ঠিক করলেন যে পরীক্ষায় লোকটা নিশ্চয়ই ফেল করবে আর তখন ওকে তাড়িয়ে দেওয়া যাবে।
লোকটাকে প্রথমে একটা ওয়াইনের গ্লাস দেওয়া হলো। সে ওটা খেয়ে বললো, "রেড ওয়াইন। ম্যাসকট, তিন বছর পুরোনো, উত্তরের ঢালে হওয়া আঙ্গুর থেকে তৈরী, আর স্টিলের পিপেতে রেখে এটাকে ম্যাচিওর করা হয়েছে।" বস দেখলেন যে লোকটা একদম ঠিকঠাক উত্তর দিয়েছে।
তাই ওকে আরো একটা গ্লাস ভর্তি পানীয় দেওয়া হলো। লোকটা একটু খেয়ে বললো, "রেড ওয়াইন। ক্যাবেরনেট, আট বছরের পুরোনো, দক্ষিণের ঢালের আঙ্গুর দিয়ে তৈরী আর ওক কাঠের পিপেতে ম্যাচিওর করা হয়েছে।" বস একটু অবাক হয়ে বললেন, "একদম ঠিক!"
এরকম আরো কিছুক্ষণ চললো, আর লোকটার প্রত্যেকটা উত্তরই সঠিক হচ্ছিলো।
হঠাৎ মালিক তার সেক্রেটারির দিকে তাকিয়ে চোখ টিপলেন। মিনিট পাঁচেক পর সেক্রেটারি একটা গ্লাসে করে কিছু একটা তরল পদার্থ নিয়ে ঢুকলো আর লোকটার হাতে দিলো।
লোকটা গ্লাসে এক চুমুক দিয়েই বললো, "মেয়েটা একটা ব্লণ্ড। ২৬ বছর বয়সী, মাস তিনেকের প্রেগনেন্ট, আর যদি আমাকে চাকরীটা না দাও, তাহলে এটাও বলে দেবো যে বাচ্চাটার বাবা কে!"
সেদিন থেকেই মাতাল লোকটার চাকরী হয়ে গেলো।

বুধবার, ১১ জুলাই, ২০১২

ব্যাডলাকই খারাপ

যখন ব্যাডলাকটাই খারাপ হয়, তখন কোনও কিছুই ঠিকঠাক হয় না!
পরেশবাবু একটা বারের টেবিলে পেপসির বোতল সামনে রেখে উদাস হয়ে বসেছিলেন।
হঠাৎ করে ওখানে ওর এক বন্ধু এলো। পেপসিটা দেখে, এক চুমুকে সেটা শেষ করে বললো, "কি রে পরেশ! এতো উদাসভাবে বসে আছিস কেনো?"
পরেশ হতাশভাবে বললো, "সকালবেলা বউ এর সাথে প্রচণ্ড ঝগড়া হয়ে গেছে। তারপর ব্রেকফাস্ট না করেই অফিসের জন্য বেরিয়ে পড়লাম। এমন কপাল, শালা, রাস্তায় গাড়িটা নষ্ট হয়ে গেলো। অফিসে পৌঁছতে লেট হয়ে গেলো। ওদিকে আজকে আবার খুব জরুরী ক্লায়েন্ট মিটিং ছিলো। লেটে পৌঁছানোয় বস রেগেমেগে এমন সব কথা বললো, যে চাকরীটাই ছেড়ে দিলাম। ...
আর এখন, (হতাশভাবে ফোঁস ফোঁস করে কয়েকটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে) সুইসাইড করবো বলে পেপসিতে বিষ মিশিয়ে খাবো ভাবছিলাম, সেটাও শালা তুই খেয়ে ফেললি!"

স্মার্টনেস

সালটা ২০১২। 
পচাদার ছেলে গজাও পচাদার মতনই ডেঞ্জারাস হয়েছে।
ওদের স্কুল থেকে পচাদাকে ডাকিয়েছিল। ফেরত এসে পচাদা গল্প করছে, "বুঝলি, ঘটনাটা হেবভি হয়েছে রে!"
গজা ওদের ক্লাসের মিসকে বলেছে, "মিস, আমাকে তোমার কেমন লাগে?"
মিস, "সো সুইট! মিষ্টি ছেলে!" এই বলে গাল টিপে দিলো।
গজা, "তাহলে মিস, আমি বাবা-মাকে তোমার বাড়িতে যেতে বলি?"
মিস, একটু অবাক হয়ে, "কেনো?"
গজা, "কেনো আবার! ওরা তোমার বাড়িতে গিয়ে আমাদের কথাটা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে।"
মিস, এবার রেগে গিয়ে, "কি উল্টোপাল্টা কথা বলছো?"
গজা, এবার আগের বাক্যটাকে শেষ করলো, "... টিউশন পড়ানোর জন্য!" :P

কঠিন কথা

পচাদা সন্ধেবেলা পাড়ার আড্ডায় এসে বললো, "হ্যাঁরে, একটা কথা বলতো। কোন চারটে শব্দ একসাথে উচ্চারণ করাটা সবচেয়ে কঠিন?"
সব্বাই এ ওর মুখ চাওয়া-চাওয়ি করছে দেখে পচাদা নিজেই বললো, "পারলি না তো! পেট্রোল পাম্পে গিয়ে এ্যাটেনডেন্টকে বলা, 'ট্যাংকটা ফুল করে দাও ... ভাই'!"

মঙ্গলবার, ১০ জুলাই, ২০১২

পাগলা গারদ থেকে পলায়ন

বিখ্যাত বংশানুক্রমে পাগল দাশু পাগলা গারদে ফোন করলো।
রিসেপসনিস্ট মহিলা ফোন ধরে বললেন, "হ্যাঁ, বলুন?"
দাশু বললো, "ম্যাডাম, একটু কষ্ট করে সাতাশ (২৭) নম্বর রুমে গিয়ে দেখে আসবেন যে ওখানে কে আছে?"
রিসেপসনিস্ট, "একটু ধরুন স্যার। আমি গিয়ে দেখে আসছি।"
ভদ্রমহিলা ফিরে এসে বললেন, "না স্যার, ঐ রুমে তো কেউই নেই।"
এই শুনে দাশু খুবই আনন্দিত হয়ে বললো, "আঃ, শান্তি হলো। রুমে যখন কেউ নেই, তার মানে আমি সত্যিই পালাতে পেরেছি।"

১৯৪৭ সালের সেরা এস এম এস

আমাদের পচাদা, সন্ধেবেলার আড্ডাতে এসেই বললো, "তোরা জানিস কি, ১৯৪৭ সালের সেরা এস এম এস কোনটা ছিলো?"
সব্বাই এ-ওর মুখের দিকে চাওয়াচাওয়ি করছে।
পচাদা মিনিট পাঁচেক আমাদের অবস্থাটা উপভোগ করে আনার বললো, "গর্দভের দল। ১৯৪৭ সালে মোবাইল ফোন বলে কোনও জিনিস ছিলো কি?"
আমাদের হাঁ মুখের দিকে তাকিয়ে, মুচকি হেসে পচাদা আবার বললো, "মাঝেমাঝে তোদের ব্রেনটাকেও একটু ব্যবহার করিস! নাহলে জং ধরে যাবে। ব্যস, এস এম এসের কথা শুনলি, আর অমনি ভাবতে বসলি। এস এম এস পড়ার জন্য জিভ লকলক করছে! যত্তোসব!"

রাম-রাবণ আর রজনীকান্ত

রাম আর রাবণের মধ্যে তুমুল যুদ্ধ হচ্ছিলো। যুদ্ধ আর শেষই হয় না।
হঠাৎ রাম যুদ্ধ থামিয়ে দিয়ে বললো, "চল বাই। আমি গেলাম।"
রাবণ বললো, "কেনো রে, ভয় পেয়ে গেলি?"
রাম বললো, "আরে না! তোর পেছন দিকটায় তাকিয়ে দেখ। রজনীকান্ত আসছে!"