পাকিস্তান জোক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
পাকিস্তান জোক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১২

ঋষি কাশ্যপ ও এক পাকিস্তানি

কয়েকদিন আগে রাষ্ট্রসঙ্ঘে পাকিস্তানের তরফ থেকে কাশ্মীর নিয়ে আলোচনার দাবী জানানো হয়।
এর ঠিক পরেই ভারতীয় প্রতিনিধি তার বক্তব্য রাখতে উঠে দাঁড়ান। তিনি বক্তব্যের শুরুতেই বলেন, "অন্য কোনও কিছু বলার আগে, আমি আপনাদেরকে ঋষি কাশ্যপ সম্বন্ধে জানাতে চাই, যার নাম থেকেই কাশ্মীরের নামকরণ হয়েছে বলে মনে করা হয়। অনেকদিন আগের ঘটনা এটা। ঋষি কাশ্যপ কাশ্মীর বলে আজকাল যে এলাকা পরিচিত, সেই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। ঘুরতে ঘুরতে, একটা জায়গায় এক পাথরের ওপরে তিনি তাঁর লাঠি দিয়ে মারায় ফোয়ারার মতন জল বেরিয়ে আসে। ঋষি কাশ্যপ এই দেখে ভাবলেন যে এতো সুন্দর জলে একটু স্নান করে নেওয়া যাক। যেমন ভাবনা, তেমনি কাজ। কাশ্যপ জামা-কাপড় খুলে রেখে স্নান করতে লাগলেন। স্নান শেষ করে কাপড় পরতে গিয়ে দেখেন কাপড়চোপড় পুরো ভ্যানিশ। একটা পাকিস্তানি এক ফাঁকে কাশ্যপের কাপড়গুলো চুরি করে নিয়ে পালিয়েছে!"
এই শুনেই পাকিস্তানের প্রতিনিধি লাফিয়ে উঠে বললেন, "কি যাতা বলছেন! তখন পাকিস্তানই ছিলো না, তো পাকিস্তানি কোত্থেকে আসবে?"
ভারতীয় প্রতিনিধি মুচকি হেসে বললেন, "যাহোক, আমরা যখন বুঝতেই পারছি যে ব্যাপারটা কি, তখন আমি এবার বাকি বক্তৃতাটা শেষ করি!"
আর পাকিস্তানিরা "কাশ্মীর হামারা হ্যায়" বলে থাকে! :P


শনিবার, ১৬ জুন, ২০১২

নরকে ফোন কল


ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী সৌজন্য সফরে গেলেন পাকিস্তানে।
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট অতি আনন্দের সঙ্গে তাঁকে দেখালেন যে তাঁদের দেশের টেলি-কমিউনিকেশনের কেমন প্রভূত উন্নতি হয়েছে। 
ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী তৎক্ষণাৎ নরকে ডায়াল করে যমরাজের সঙ্গে কিছুক্ষণ বাক্যালাপ করে নিলেন। টেলিফোন বিল উঠল মাত্র ১ টাকা।
পাকি জোক
কিছুদিন পরে, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট এলেন নয়াদিল্লি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বললেন তাঁরাও টেলি-কমিউনিকেশনে প্রচুর উন্নতি করেছেন।
সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ডায়াল করলেন দোজখে। কথা বললেন ইবলিশ নামক এক শয়তানের সঙ্গে। কিন্তু সামান্য এক মিনিটের কথায় বিল উঠল ১০০ টাকা।
জোক
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট তো অবাক! বললেন, "এটা কি হলো? আপনাদের ভারতে টেলিফোন তো খুবই ব্যয়বহুল!"
ভারতের প্রধানমন্ত্রী সবিনয়ে বললেন, "আপনাদের দেশ থেকে নরক -লোকাল কল। তাই এক মিনিটে মাত্র এক টাকা বিল হয়। কিন্তু আমাদের দেশ থেকে নরকে ফোন করতে হলে আই এস ডি চার্জ দিতে হয়।"

বুধবার, ২৮ মার্চ, ২০১২

পাকিস্তানের চন্দ্রাভিযান

যেদিন ভারত চন্দ্রায়ণের সাফল্যের কথা প্রচার করলো, সেদিন থেকেই পাকিস্তানের নেতা, মন্ত্রী, সান্ত্রী, জেনারেল, আম-আদমি সব্বাই বলা আরম্ভ করলো যে যদ্দিন পর্যন্ত পাকিস্তানের তরফে চাঁদে কোন স্যাটেলাইট রকেট পাঠানো হচ্ছে না, ততোক্ষণ ভারতের কাছে মুখ দেখানো যাবে না।
ব্যাস, তখন থেকেই পাকিস্তানের বিজ্ঞানিরা আদাজল খেয়ে লেগে পড়লেন। যেভাবেই হোক চন্দ্রাভিযান করতেই হবে। অবশেষে সেই দিন এলো। কাউন্টডাউনের পর হুশ করে রকেটে ভর করে পাকিস্তানের চাঁদে যাওয়ার স্যাটেলাইট "মামুদ" উড়ে গেলো।
কিছুক্ষণ পরেই পাকিস্তানের চ্যানেল পি-টিভি থেকে সংবাদপাঠক খুবই আনন্দের সঙ্গে জানালেন, "পাকিস্তানের প্রথম চন্দ্রাভিযান আশাতীত সাফল্য পেয়েছে। আমাদের স্যাটেলাইট থেকে পাঠানো ছবি এবং তথ্য থেকে জানা গেছে যে চাঁদে পৃথিবীর মতই সাগর আছে। সাগরে জল, মাছ এবং আরো অনেক রকমের সামুদ্রিক প্রাণীও আছে। পাকিস্তানের উজির-এ-আজম এক বার্তায় বলেছেন যে এতোদিন ধরে এইসব খবর চেপে  রেখে চাঁদের জলবায়ু এবং প্রাণের অস্তিত্ব অস্বীকার করাটা এক বিরাট ষড়যন্ত্র, যেটার মূল ষড়যন্ত্রকারী হ'ল ভারতবর্ষ। আমাদের দেশের মহান বিজ্ঞানীরা এই ব্যাপক ষড়যন্ত্রকে বানচাল করে ভারতের এবং ইসরায়েলের মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছেন। এইজন্য রাষ্ট্রপতিও বিজ্ঞানীদের উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন। এই উপলক্ষে পাকিস্তানের সরকার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় ছুটি ঘোষণা করেছেন।"
এদিকে বিবিসি এবং সিএনএন এর সংবাদ পাঠকের বক্তব্যটা একটু অন্যরকম ছিলো। আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থার খবরে প্রকাশ, "এইমাত্র পাওয়া খবরে জানা গেছে যে পাকিস্তানের চন্দ্রাভিযান সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। পাকিস্তান থেকে চাঁদের উদ্দেশ্যে যে স্যাটেলাইটটা পাঠানো হয়েছিল, সেটাকে আরব সাগরে ভেঙ্গে পড়তে দেখা গেছে। বিমান থেকে উপগ্রহটির ধ্বংসাবশেসও খুঁজে পাওয়া গেছে। সৌভাগ্যবশতঃ এই দুর্ঘটনায় কেউ হতাহত হন নি। পাকিস্তান উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করবে এটা জেনে আগে থেকেই রেড-এলার্ট জারি করা হয়েছিল। ফলে ঐ অঞ্চলে কোন জাহাজ, মাছ ধরার ট্রলার বা বিমান উপগ্রহটি ভেঙ্গে পড়ার সময়ে ছিলো না।"