সিং লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সিং লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ২৩ জুন, ২০১২

সান্টা সিং এম বি বি এস

সান্টা সিং এর বাবার খুব ইচ্ছা ছিলো যে তার ছেলে ডাক্তার হবে। তাই হায়ার সেকেণ্ডারির পর সান্টা সিং বাবার ইচ্ছা পূরণের জন্য মেডিকাল এন্ট্রান্সে বসে পড়লো। আমাদের ভাগ্য ভালো যে সান্টা এন্ট্রান্সে পাশ করতে পারেনি! কিন্তু কেনো, সেটা আপনার জানেন কি?
অত্যন্ত গোপন সূত্রে আমাদের কাছে সান্টা সিং এর মেডিকাল এন্ট্রান্সের খাতাটা এসেছে। সান্টার দেওয়া উত্তরগুলো নীচে তুলে দিলাম।
এন্টিবডি (Antibody) - যে সবার বিরুদ্ধে।
আর্টারি (Artery) - পেইন্টিং, অর্থাৎ আর্ট সম্বন্ধে পড়াশুনা।
ব্যাক্টেরিয়া (Bacteria) - ক্যাফেটেরিয়ার ব্যাকডোর অর্থাৎ পেছনের দরজা।
সিজারিয়ান সেকশন (Caesarean section) - সিজারের দেশ রোমের একটি অংশ।
কার্ডিওলজি (Cardilogy) - পোকার খেলা শেখার ওপর এ্যাডভান্সড ট্রেনিং।
ক্যাটস্ক্যান (Cat scan) - ক্যাট, মানে বেড়ালকে খুঁজে বের করা।
ক্রনিক (Chronic) - কাকের (ক্রো) ঘাড় (নেক)।
কোমা (Coma) - যতিচিহ্ণ।
কর্টিজন (Cortisone) - কোর্টের আশপাশের এলাকা।
সিস্ট (Cyst) - সিস্টারকে ছোট করে ডাকা।
ডায়াগনসিস (Diagnosis) - যে লোকের নাক (নোজ) ব্যাঁকা।
ডায়ালেট (Dilate) - লেট প্রিন্সেস ডায়ানা।
ডিসলোকেশন (Dislocation) - এই জায়গা।
ডুয়োডেনাম (Duodenum) - ডেনিম জিনস পরিহিত দুজন।

শুক্রবার, ২২ জুন, ২০১২

র‍্যাশ ড্রাইভার সান্টা সিং

সান্টা সিং শনিবার রাতে পার্টিতে গিয়ে একটু বেশীমাত্রায় পান করে ফেলেছিলো। তারপর ঐ অবস্থায় গাড়ি চালাতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যায়। পরদিন পুলিশ সান্টাকে কোর্টে পেশ করে।
মামলা শুরু হওয়ার একটু আগে হঠাৎ করে আদালতের ভেতরে বেশ উঁচু গলায় কথা কাটাকাটি শুরু হয়ে যায়। জজসাহেব তাতে বিরক্ত হয়ে তাঁর হাতুড়িটা টেবলে ঠুকে বললেন, "অর্ডার, অর্ডার।"
কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা সান্টা সিং সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠলো, "থ্যাংক ইউ, থ্যাংক ইউ, ইয়োর অনার! আমি একটা লার্জ স্কচ আর সোডা নেবো।"

মঙ্গলবার, ১৯ জুন, ২০১২

সান্টা বান্টা আর এটিএম পিন

বান্টা সিং এটিএম থেকে টাকা তুলছিলো। সান্টা সিং ঠিক তার পেছনেই লাইনে দাঁড়িয়েছিলো।
বান্টার টাকা তোলা শেষ হওয়ার পর সান্টা বললো, "হাঃ, হাঃ। আমি তোর পাসওয়ার্ড দেখে ফেলেছি! তোর পাসওয়ার্ড হলো চারটে তারা (*)।"
বান্টা সিং বললো, "আব্বে ছাড় ছাড়! হাঃ, হাঃ, হাঃ! তুই শালা একটা ভোঁদড়! তুই পুরো ভুল বলছিস। ওটা চারটে তারা নয়, ১২৫৮।"

শনিবার, ১৬ জুন, ২০১২

সান্টা সিং বনাম পাকিস্তানী সৈনিক


ভারত থেকে লাহোরের দিকে চলেছে সমঝোতা এক্সপ্রেস। এক কামরায় মাত্র ৪ জন যাত্রী। একজন দারুণ সুন্দরী তরুণী। অন্যজন মাঝবয়সী মহিলা। আর আছে একজন পাকিস্তানী সৈনিক। চতুর্থ জন পাঞ্জাবের বিখ্যাত সান্টা সিং।
জোক
ট্রেন হঠাৎ ঢুকল একটা অন্ধকার টানেলের ভিতর। কামরার ভেতরটা নিমেষে অন্ধকার হয়ে গেলো। সেই অন্ধকারের ভেতর থেকে, ট্রেনের শব্দ ছাপিয়ে, শোনা গেল চুম্বনের শব্দ। ঠিক তারপরই একটা জোরাল থাপ্পড়ের আওয়াজ।
বাংলা
পরমুহূর্তে ট্রেন টানেল পেরিয়ে আলোর মধ্যে চলে এল। দেখা গেল, পাকিস্তানী সেনাটি গালে হাত দিয়ে বসে আছে। আর সান্টা সিং জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকার চেষ্টা করছে।
সান্টা জোক
মাঝবয়সী মহিলা ভাবছে, পাকিস্তানী সেনা ওই সুন্দরী তরুণীকে চুমু খেয়েছে বলে মেয়েটি তাকে খুব জোর থাপ্পড় মেরেছে!
পাকিস্তান
তরুণী ভাবছে, আচ্ছা বেয়াকুব পাকিস্তানী সেনা। কাণ্ডজ্ঞান নেই, মাঝবয়সী মহিলাকে চুমু খেয়ে থাপ্পড় খেলো!
চুমু
পাকিস্তানী সেনা ভাবছে, কী বদমাস ওই ভারতীয় শিখ, সটান চুমু খেল সুন্দরীকে, আর থাপ্পড় খেলাম আমি!!
গাধা
আর আমাদের সান্টা সিং ভাবছে, কী স্মার্ট আমি! চুমু খেলাম আমার নিজের হাতের তালুতে, তারপর সপাটে চড় কষিয়ে দিলাম পাকিস্তানীটার গালে!!!

মঙ্গলবার, ১২ জুন, ২০১২

সান্টা সিং এর চীন ভ্রমণ

সান্টা সিং কয়েকদিন আগে চীনে বেড়াতে গেছিলো। সেখান থেকে অনেক শস্তার চীনা মাল নিয়ে ভাটিণ্ডাতে ফিরে এলো। কিন্তু একটা প্রশ্ন তার মনের মধ্যে অনেকক্ষণ ধরেই উঠছিলো।

শেষে আর থাকতে না পেরে সান্টা তার বউকে জিজ্ঞেস করলো, "ওয়ে প্রীতো, একটা কথা বলো তো দেখি। আমাকে কি দেখতে বিদেশীদের মতন লাগে?"

প্রীতো এই কথা শুনে খুবই চিন্তিত হয়ে ভালো করে খুঁটিয়ে দেখে বললো, "ওয়ে জি না। কি কথা বলছো! তোমাকে তো কোনও এ্যাঙ্গেল থেকেই বিদেশী লাগছে না!"

সান্টা এই কথা শুনে খুবই নিশ্চিন্ত হয়ে প্রীতো কে বললো, "আররে, সেটাই তো কথা। এই চাইনিজগুলোর মাথায় একফোঁটাও বুদ্ধি নেই! আমি চীনে যাওয়ার পর সেখানকার লোকেরা যেখানেই আমাকে দেখে, শুধু ফরেনার - বিদেশী বলছিলো। ধ্যাত্তেরিকা, আমিও ফালতু এতোক্ষণ চিন্তা করলাম!"

বুধবার, ৩০ মে, ২০১২

সান্টা সিং এর মেয়ে

একজোড়া প্রেমিক-প্রেমিকা রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলো।
হঠাৎ একটা দশতলা বাড়ির ছাদে এক সর্দারকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ছেলেটা বললো, "একটা মজার জিনিস দেখবে? ঐ ওপরে দেখো সর্দার দাঁড়িয়ে আছে। ওকে খ্যাপাচ্ছি দেখো!"
এই বলেই ছেলেট ওপরে সর্দারের দিকে তাকিয়ে বললো, "ওয়ে সান্টা সিং, দেখো, আমি তোমার মেয়েকে ভাগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।"
সর্দার এই কথা শুনেই রেগে গিয়ে বললো, "ওয়ে, তেরী তো! তু আবভি রুক জা, ওয়ারনা বহুত পছতায়েগা।"
এই কথা বলেই তাড়াতাড়ি ওদেরকে ধরার জন্য দশতলার ওপর থেকেই দিলো এক ঝাঁপ।
সর্দার এবার ওপর থেকে নীচে পড়ছে।  
আটনম্বর ফ্লোর ক্রস করার সময় সর্দারের মনে পড়লো, "আরে, আমার তো কোনও মেয়ে নেই।"
আরো দু-তিনটে ফ্লোর পড়ার পর তার আবারো মনে পড়লো, "আরে আমার তো বিয়েই হয় নি।"
এইবার আর মাত্র একটা ফ্লোর বাকি, তারপরেই সর্দার মাটিতে আছড়ে পরবে, এমন সময় তার মনে পড়লো, "আরে, ছেলেটা আমাকে বুদ্ধু বানিয়ে গেলো! আমার নাম তো সান্টা সিং-ই নয়!"
তারপরেই ধপাস এবং হাসপাতাল!

মঙ্গলবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১২

সান্টা সিং এর পুলিশে চাকরীর প্রথম দিন

পরীক্ষায় পাশ করে সান্টা সিং দিল্লী পুলিশে চাকরী পেয়ে গেলো। ডিউটির প্রথম দিন। সান্টা সিংকে সিনিয়র ইন্সপেকটর বান্টা সিং এর সাথে জুড়ে দিয়ে ওসি বললেন, "আজ থেকে তোমরা দুজনে একসাথে কাজ করবে।" একটু পরে একটা জিপসি গাড়ি করে দুজনে এলাকা রাউণ্ডে বেরোলো।
হঠাৎ ওয়ারলেসে খবর এলো যে বেশ কিছু লোক নাকি রাস্তায় জড়ো হচ্ছে। সান্টা আর বান্টাকে কন্ট্রোল রুম থেকে নির্দেশ দেওয়া হলো যে ওই ভিড়টাকে যেনো ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
বান্টা গাড়ি ঘুরিয়ে ঐ রাস্তার মোড়ের দিকে চললো। একটা ট্রাফিক সিগন্যালের কাছে হঠাৎ সান্টা দেখতে পেলো যে অনেক লোক - প্রায় জনা চল্লিশ হবে - ভিড় করে দাঁড়িয়ে আছে।
সান্টা গাড়ির কাঁচ নামিয়ে ভিড়ের দিকে মুখ করে চীৎকার করলো, "এই তোমরা শোনো। ওখানে ভিড় করবে না। ওখান থেকে এক্ষুনি সরে যাও।"
লোকেরা অবাক হয়ে সান্টার দিকে তাকালো, কিন্তু কেউই ওখান থেকে নড়ার কোন চেষ্টা করলো না।
সান্টা রেগে গিয়ে আবার বললো, "কি হলো? আমার কথা কানে যাচ্ছে না বুঝি? এক মিনিটের মধ্যে এই জায়গাটা ফাঁকা হয়ে যাওয়া চাই!"
লোকেরা সান্টার দিকে অদ্ভুতভাবে তাকাতে তাকাতে জায়গাটা থেকে আস্তে আস্তে সরে পড়লো।
সান্টা বেশ খুশী হয়ে বান্টার দিকে তাকিয়ে বললো, "বান্টা স্যার, কেমন কাজ করলাম বলুন?"
বান্টা সিং হাসি চাপতে চাপতে বললো, "বহোত বড়িয়া, খুব ইম্প্রেসিভ। বিশেষ করে তুমি যেভাবে লোকগুলোকে বাস স্ট্যাণ্ড থেকে তাড়িয়ে দিলে, তা থেকে মনে হচ্ছে ভিড়টাকেও হালকা করে দিতে পারবে!"