couple joke লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
couple joke লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ৪ জুলাই, ২০১৫

কোনটা ভালো লাগে?

আমাদের পচাদার বউ পচাদাকে জিজ্ঞেস করলো, "আচ্ছা, তোমাকে একটা প্রশ্ন করছি, সত্যি সত্যি উত্তর দেবে?"
বাংলা জোক, চুটকি জোক
পচাদা বললো, "কোন কথাটা আমি তোমাকে মিথ্যা বলি? পুছো তোমার কোশ্চেন!"
এস এম এস জোক, পচাদা জোকা, পচাবৌদি
পচাবৌদি বললো, "আচ্ছা, তোমার কোন জিনিসটা সবচেয়ে বেশী ভালো লাগে? আমার সৌন্দর্য্য, না আমার বুদ্ধি?"
অনাবিল হাসি, সুস্থ জোক, ফ্যামিলি জোক
পচাদা একটা মুচকি হাসি দিয়ে বললো, "আররে, তোমার এই জোক করার অভ্যেসটাই আমার সবচেয়ে ভালো লাগে!"
Bengali joke, bangla joke, sms joke
pochada, clean joke

সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

প্রার্থনা

একটা সুন্দর রেস্তোরাঁতে ...
কর্তা :- চল, খাবার এসে গেছে টেবিলে, খাওয়া যাক
গিন্নি :- কিন্তু তুমি তো বল, খাওয়ার আগে ভগবানের কাছে প্রার্থনা করতে!
কর্তা :- সে তো বাড়ীতে,এখানকার রাঁধিয়ে জানে, কি ভাবে রান্না করতে হয়।



সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

কোথায় আছো?

আমাদের পল্টু হোয়াটস আপে তার বান্ধবীকে মেসেজ দিলো, "হাই, কোথায় আছো?"

বান্ধবী উত্তর দিলো, "হ্যাললো! আমি এখন বাবার বিএমডব্লিউ চড়ে ক্লাবে যাচ্ছি। ড্রাইভার আমাকে ক্লাবে ছেড়ে চলে যাবে। ক্লাব থেকে বেরিয়ে আমি মলে শপিং করতে যাবো। তখন তোমায় ফোন করবো। তুমি কোথায়?"

পল্টু মেসেজ করলো, "আমি ৪০৩ নম্বর বাসে করে যাচ্ছি। তোমার সিটের ঠিক পেছনেই দাঁড়িয়ে আছি। তুমি টিকিট করো না। আমি তোমার টিকিটও কেটে নিয়েছি।"


শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

ফুল নিয়ে যান

এক ফুলওয়ালা একজন লোককে দেখে বললো, "সাহেব, আপনার গার্লফ্রেণ্ডের জন্য একটা ফুলের বোকে নিয়ে যান।"

লোকটা বললো, "আমার গার্লফ্রেণ্ড নেই।"

ফুলওয়ালা আবার বললো, "তাহলে আপনার বাগদত্তার জন্য নিয়ে যান।"

লোকটা বললো, "আমার বাগদত্তাও নেই।"

ফুলওয়ালা শেষ চেষ্টা করলো, "তাহলে আপনার স্ত্রীর জন্য ফুল নিয়ে যান।"

লোকটা আবারো বললো, "আমার স্ত্রীও নেই রে ভাই।"

ফুলওয়ালা এবার বললো, "তাই নাকি বস! তাহলে আমার তরফ থেকে এই ফুলের গোছাটা তোমায় দিলাম। কারন তোমার চেয়ে সৌভাগ্যশালী লোক এই পৃথিবীতে আছে বলে মনে হয় না।"


শনিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৩

পাগলে কি না করে

পচাদা রোববার সকালে বাড়িতে বসে কাগজ পড়ছে, এমন সময় পচাবৌদি এসে আদুরে গলায় বললো, "হ্যাঁগো, আমি মরে গেলে তুমি কি করবে?"

পচাদা কাগজ থেকে মুখ না উঠিয়েই বললো, "আমিতো পুরো পাগল হয়ে যাবো!"

বৌদি, "তুমি আরেকটা বিয়ে করবে না তো?"

পচাদা এবার গম্ভীরভাবে বললো, "পাগল লোকেরা যেকোনও কিছুই করতে পারে।"


বৃহস্পতিবার, ১ আগস্ট, ২০১৩

দুই সৈনিকের গপ্পো

ডিউটি শেষ হওয়ার পর দুজন সৈনিক বসে গল্প করছিল।
প্রথমজন জিজ্ঞেস করলো, "তুমি সেনাবাহিনীতে কেনো যোগ দিয়েছ?"
দ্বিতীয় সৈনিক বললো, "আমি বিয়ে করিনি আর যুদ্ধটুদ্ধ করতেও আমার বেশ ভালো লাগে - তাই আমি আর্মিতে যোগ দিয়ে দিলাম।" এই বলে সে আবার জিজ্ঞেস করলো, "আর তুমি? তুমি কেন সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছ?"
প্রথম সৈনিক একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললো, "বাড়িতে আমার একটা বউ আছে আর আমি শান্তিতে থাকতে বেশ ভালোবাসি। তাই সেনাবাহিনীতেই যোগ দিলাম।"


সোমবার, ১২ নভেম্বর, ২০১২

ফোনালাপ

আমাদের পচাদা একটা টেলিফোন বুথের সামনে দশ মিনিট ধরে দাঁড়িয়ে আছে। বুথের ভেতরে একটা লোক ফোনটা ধরে কানে লাগিয়ে রেখেছে, কিন্তু কোন কথাই বলছে না। এদিকে আবার বিলও উঠেই যাচ্ছে।
অধৈর্য্য হয়ে পচাদা শেষপর্যন্ত বলেই ফেললো, "দাদা, কি হলো? এতক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছেন, কোন কথাই বলছেন না, বিলও উঠছে, আর আমরাও লাইনে দাঁড়িয়ে বোর হয়ে যাচ্ছি! কেসটা কি?"
লোকটা মাউথপিসের ওপর হাতচাপা দিয়ে বললো, "আরে দাদা, আমি আমার বৌয়ের সাথে কথা বলছি!"


বুধবার, ৮ আগস্ট, ২০১২

পচাবউদির পিঠব্যথা

পচাবউদির সাথে মোড়ের মাথায় দেখা।
বউদি খুব দুঃখ করে বললো, "এই দেখনা, ডাক্তারের কাছে গেছিলাম। পিঠের ব্যথায় আর পারছি না।"
আমি বললাম, "হঠাৎ কিভাবে ব্যথা হয়ে গেলো?"
বউদি, "আর বলিস না, সকালবেলা ড্রইংরুমের সোফাটাকে একটু সরিয়ে ঠিক করে সাজিয়ে রাখতে গেলাম, আর ওই করতে গিয়েই হ্যাঁচকা টান লেগে গেলো।"
আমি, "আরে, একা একা এসব টানাটানি করতে গেলে কেনো? পচাদা বাড়ি ফিরে আসার পরই তো করতে পারতে!"
বউদি, "তা করতে পারতাম। তবে তোদের পচাদা না থাকলে সোফাটা সরানো একটু সোজা। মানে ওটার ওপর কেউ বসে না থাকলে ওজনটা তো একটু কম হয় আর কি!"

রবিবার, ১৭ জুন, ২০১২

স্ত্রীর বিরুদ্ধে এফ আই আর

মিঃ নাইডু সকালবেলাই থানায় গিয়ে হাজির। বড়বাবুকে বললেন যে তিনি নাকি তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ আনতে চান।
বড়বাবু মিঃ নাইডুকে চেয়ারে বসিয়ে ঠাণ্ডা হওয়ার সময় দিয়ে, তারপর বললেন, "তা অভিযোগটা ঠিক কি হবে?"
মিঃ নাইডু, "যেকোনও ছোটখাটো কথা কাটাকাটির মধ্যেও আমার স্ত্রী আমাকে চপ্পল ছুঁড়ে মারে!"
বড়বাবু, "এই অত্যাচার কদ্দিন ধরে চলছে?"
নাইডু, "পাঁচ বছর।"
বড়বাবু, "পাঁচ বছর? আর আপনি এখন কমপ্লেন লেখাতে এসেছেন?"
নাইডু, "কি বলবো স্যার! পাঁচ বছর ধরে প্র্যাকটিস করতে করতে ওর টিপ এখন অব্যর্থ হয়ে গেছে। আজকাল একবারও টার্গেট মিস করে না!"

শনিবার, ১৬ জুন, ২০১২

লাইনে আসুন


আমাদের পচাদার মর্নিং ওয়াক করাটা প্রায় নেশার মতন। রাতভোর থাকতেই বেরিয়ে পড়ে আর মোটামুটি ঘন্টা দেড়েক হাঁটাহাঁটি করে তারপর বাজারটাজার সেরে একসাথে বাড়ি ফেরে। তা আজ সকালবেলা বেরিয়ে পচাদা দেখলো, দুটো খাটিয়ায় করে এক জোড়া মৃতদেহ চলেছে শ্মশানের দিকে। খাটিয়া দুটোর সামনে একজন মাঝবয়সী ভদ্রলোক একটা বড়সড় কুকুরকে নিয়ে চলেছেন, আর তার পেছনেই একগাদা লোকের লম্বা মিছিল। 
জোক
পচাদা ভাবলো যে কোন বড়সড় লোকের মৃত্যু হয়েছে। তাই সে এগিয়ে গিয়ে মিছিলের একেবারে সামনের ভদ্রলোককে বললো, "কিছু মনে করবেন না, আপনাদের এই শোকের সময় বিরক্ত করছি। এই মৃতদেহ দুটো কার?"
বাংলা
ভদ্রলোক বললেন, "সামনের খাটিয়াতে আছেন আমার স্ত্রী। আর পিছনে আমার শাশুড়ি।"
পচাদা, একটু অবাক হয়ে, জিজ্ঞেস করলো "কি করে মারা গেলেন ওঁরা?"
ভদ্রলোক বললেন, "আমাদের কুকুরটা প্রথমে আমার শ্বাশুড়িকে কামড়ায়। তারপর আমার স্ত্রী তাঁকে বাঁচাতে এলে তেড়ে গিয়ে আমার শাশুড়িকেও কামড়ে দেয়।"
পচাদা সাথে সাথে বলে উঠলো, "ওই কুকুরটা আমাকে একদিনের জন্য ভাড়া দিতে পারেন?"
ভদ্রলোক স্মিত হেসে বললেন, "হ্যাঁ পারি । তবে আপনাকে লাইনে আসতে হবে। দেখতেই তো পাচ্ছেন, পেছনের ওরা আপনার আগে থেকেই লাইনে আছেন!"

শুক্রবার, ১৫ জুন, ২০১২

সিংহ থেকে ইঁদুর

পশুরাজ সিংহ বিয়ে করছে। তাই জঙ্গলে খুব ধুমধাম করে পার্টির আয়োজন করা হয়েছে। সবাই আনন্দে আর উৎসাহে টগবগ করছে। পুরো জঙ্গলের সব জন্তু-জানোয়ারকেই এই পার্টিতে নিমন্ত্রণ করা হয়েছে।
gap
প্যাণ্ডেলের ভেতরে একটা স্পেশ্যাল মঞ্চ করা হয়েছে যেখানে শুধুমাত্র সিংহরাই নাচতে পারবে। হঠাৎ করে বর দেখলো যে ঐ স্টেজে একটা ইঁদুর নাচছে।
gap
এই দেখে খুব অবাক হয়ে বর সিংহ গিয়ে ইঁদুরকে জিজ্ঞেস করলো, "তুমি কি জানো না যে এই স্টেজটা শুধুই সিংহদের জন্য? অন্য কোন জন্তু এই স্টেজে উঠে নাচতে পারবে না।"
gap
ইঁদুরটা এই শুনে বললো, "আমি জানি রে ভাই। খুব ভালোভাবেই জানি। বিয়ের আগে আমিও সিংহই ছিলাম। বিয়ের পর, দেখতেই পাচ্ছো, ইঁদুর হয়ে গেছি।"

কখন ফোন করবো

পল্টুর কিছুদিন হলো একটা কেস হয়েছে। কেস মানে ইয়ে, ঐ আর কি, গার্লফ্রেণ্ড। মেয়েটার নাম রেশমী।
paltu
তা পল্টু রেশমীকে জিজ্ঞেস করলো, "ডার্লিং তোমাকে কোন সময় ফোন করতে পারবো?"
রেশমী বললো, "তোমার যখন ইচ্ছে তখনই করতে পারো।"
পল্টু, "গতকাল তো আমি তোমাকে ফোন করেছিলাম।"
রেশমী, "ওঃহো! তখন তো আমি শুয়ে ছিলাম। অতো তাড়াতাড়ি আমি ঘুম থেকে উঠিই না।"
পল্টু, "আচ্ছা! তাহলে কাল এগারোটার সময় ফোন করবো।"
রেশমী, "না না! তখন বাবা ঘরে থাকবেন।"
পল্টু, "তাহলে তিনটার সময় করবো।"
রেশমী, "আরে না। তখন তো লাঞ্চ টাইম।"
পল্টু, "তাহলে পাঁচটার সময়?"
রেশমী, "না না! তখন তো আমার ফেভারিট সিরিয়ালটা দেখায়।"
পল্টু, "ঠিক আছে। তাহলে আমি রাতে ফোন করবো।"
রেশমী, "না। রাতে সবাই ঘরে থাকবে।"
পল্টু, এবার বিরক্ত হয়ে, "তাহলে ফোনটা করবো কখন?"
রেশমী, "যখন তোমার ইচ্ছে হয় তখনই করে নিয়ো!"
paltu
শুনলাম পল্টু এরপর তার লাভ স্টোরিকে আর এগিয়ে নিয়ে যায় নি। ওখানেই দি এণ্ড করে দিয়েছে!

মঙ্গলবার, ১২ জুন, ২০১২

পচাদার ই-মেল

অফিসের কাজে পচাদা দিল্লীতে গিয়ে একটা হোটেলে উঠেছিলো। হোটেলের রুমে কম্পিউটার আর ইনটারনেটের কানেকশন পেয়ে পচাদা ভাবলো যে বউদিকে একটা ই-মেল করে সব কিছু জানিয়ে দেবে।
gap
কিন্তু, লোকটা যেহেতু পচাদা, তাই ই-মেল করতে গিয়ে একটা ভুল এ্যাড্রেস বসিয়ে দিলো। ভুল এ্যাড্রেসের ব্যাপারটা না বুঝে মেইলটা পাঠিয়েও দিলো। ওদিকে ঠিক সেই সময় মুম্বাইয়ে একজন ভদ্রমহিলা তাঁর বরের শেষকৃত্য করে শ্মশান থেকে বাড়ি ফিরলেন। 
gap
বাড়ি ফিরে তিনি ভাবলেন যে একবার ই-মেলটা চেক করে নেবেন। প্রথম মেইলটা পড়েই তিনি এক ভয়ানক চীৎকার করে উঠে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেলেন। তাঁর চীৎকার শুনে তাদের ছেলে দৌড়ে ঘরে ঢুকে দেখলো যে তার মা অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে আছেন আর সামনে কম্পিউটারে একটা ই-মেল খোলা।
gap
মেইলটা পড়ে সে দেখলো তাতে লেখা আছে, 
gap
সাবজেক্টঃ আমি পৌঁছে গেছি
তারিখঃ ১০ মে ২০১২
gap
প্রিয়তমা,
gap
আমি জানি যে তুমি এই মেইলটা পেয়ে অবাক হয়ে যাবে। আসলে এখানে আমাকে কম্পিউটার আর ইনটারনেট কানেকশন দিয়েছে। তাই ভাবলাম যে তোমাকে মেইলটা করেই ফেলি।
gap
আমি একটু আগে পৌঁছে গেছি আর চেক-ইনও করে নিয়েছি। এখানে তোমার আগামীকাল আসার জন্য সব ব্যবস্থাও হয়ে গেছে। কাল বিকেলে তোমার সাথে দেখা হচ্ছে।
gap
লাভ,
তোমার প্রিয়তম!
gap
পচাদার ই-মেলটা কলকাতার জায়গায় মুম্বাই পৌছে গেছে!

রবিবার, ১০ জুন, ২০১২

কনে বিদায়ে বরের গালে চড়

বিয়ের পর, কনের বিদায়ের সময় হঠাৎ করে বরের মোবাইল ফোনটা বেজে উঠলো। আর সাথে সাথেই কনের সপাট চড় বরের গালে আছড়ে পড়লো।
ভাবছেন কেনো?
মোবাইলের রিংটোন ছিলো একটা হিন্দি গান, শুনুন, এমনিতেই বুঝতে পারবেন - 
দিল মে ছুপাকে প্যার কা আরমান লে চলে,
হাম আজ আপনি মওত কা সামান লে চলে! 

সোমবার, ৪ জুন, ২০১২

প্রপোজ করার নতুন ফাণ্ডা

ছেলে, "আপনি দেখতে ঠিক আমার স্ত্রীর মত।"

মেয়ে, "তাই?! আপনার স্ত্রীর নাম কি?"

ছেলে, "আমি এখনো বিয়ে করিনি!"

মেয়ে (লাজুক হেসে), "আপনি না একদম ইয়ে ...!"

শিক্ষনীয় বিষয় - সবসময় নতুন নতুন উপায়ে প্রপোজ করার চেষ্টা করুন। ফলাফল পেলেও পেতে পারেন।

খ্যাতি, সম্মান, অর্থ

ধনী পরিবারের স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে কথা হচ্ছে -
gap
স্বামী, "আজ আমার এতো খ্যাতি,সম্মান! আমি জীবনের সবকিছু তোমার সঙ্গে শেয়ার করতে চাই।"
gap
স্ত্রী, "ঠিক আছে সোণা, তাহলে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট দিয়েই শুরু করা যাক!"

ইচ্ছেপূরণ


প্রেমিকার বাবা, "তুমি কি আমার মেয়ের সব ইচ্ছে পূরণ করতে পারবে?"
প্রেমিক, "হ্যাঁ স্যার, নিশ্চয়ই পারবো!"
প্রেমিকার বাবা, "এতো শিওর হচ্ছ কি করে?"
প্রেমিক, "আপনার মেয়ে বলেছে, সে আমাকে ছাড়া কিছুই চায় না!"

দেরী কেনো

টিচার, "তুমি দেরীতে এসেছ কেন?"
ছাত্র, "স্যার, বাবা মা ঝগড়া করছিলো।"
টিচার, "তার সাথে তোমার দেরীতে আসার সম্পর্ক কি?"
ছাত্র, "আমার একপাটি জুতো বাবার হাতে, আর আরেক পাটি জুতো মার হাতে ছিল!"

এক দুই

একবিংশ শতাব্দীর একজন মহাপুরুষ জগতের বাকি সব পুরুষদের জন্য একটা উপদেশ দিয়ে গেছেন। তিনি বলেছিলেন -
সংসারী হলে বিয়ে তো করতেই হবে। তা আপনার যদি একজন বউ থাকে, তাহলে তার সাথে আপনার ঝগড়াঝাটি লেগেই থাকবে। কিন্তু, আপনার যদি দু'জন বউ থাকে, তাহলে তারা আপনার জন্যই নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করবে! :D

আত্মভোলা

দুই মহিলা এক জায়গায় বসে কথা বলছিলেন।
কথা প্রসঙ্গে প্রথম মহিলা দ্বিতীয় জনকে বললেন, "আমার স্বামী এতই আত্মভোলা যে বাজারে গেলে মাছ কিনবে তো তরকারি ভুলে আসবে। আর তরকারি কিনবে তো মাছ কিনবে না।"
একথা শুনে দ্বিতীয় মহিলা বললেন, "আমার স্বামী তো আর এক কাঠি বেশি। সেদিন বাজার করতে গিয়েছিলাম। সেখানে অফিস যাত্রী স্বামী আমাকে দেখে বললেন, 'কিছু মনে করবেন না ম্যাডাম। আপনাকে যেন আমার পরিচিত মনে হচ্ছে। কোথায় যেনো আপনাকে আগে দেখেছি!'"