Pakistan joke লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Pakistan joke লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১৬ জুন, ২০১২

নরকে ফোন কল


ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী সৌজন্য সফরে গেলেন পাকিস্তানে।
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট অতি আনন্দের সঙ্গে তাঁকে দেখালেন যে তাঁদের দেশের টেলি-কমিউনিকেশনের কেমন প্রভূত উন্নতি হয়েছে। 
ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী তৎক্ষণাৎ নরকে ডায়াল করে যমরাজের সঙ্গে কিছুক্ষণ বাক্যালাপ করে নিলেন। টেলিফোন বিল উঠল মাত্র ১ টাকা।
পাকি জোক
কিছুদিন পরে, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট এলেন নয়াদিল্লি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বললেন তাঁরাও টেলি-কমিউনিকেশনে প্রচুর উন্নতি করেছেন।
সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ডায়াল করলেন দোজখে। কথা বললেন ইবলিশ নামক এক শয়তানের সঙ্গে। কিন্তু সামান্য এক মিনিটের কথায় বিল উঠল ১০০ টাকা।
জোক
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট তো অবাক! বললেন, "এটা কি হলো? আপনাদের ভারতে টেলিফোন তো খুবই ব্যয়বহুল!"
ভারতের প্রধানমন্ত্রী সবিনয়ে বললেন, "আপনাদের দেশ থেকে নরক -লোকাল কল। তাই এক মিনিটে মাত্র এক টাকা বিল হয়। কিন্তু আমাদের দেশ থেকে নরকে ফোন করতে হলে আই এস ডি চার্জ দিতে হয়।"

সান্টা সিং বনাম পাকিস্তানী সৈনিক


ভারত থেকে লাহোরের দিকে চলেছে সমঝোতা এক্সপ্রেস। এক কামরায় মাত্র ৪ জন যাত্রী। একজন দারুণ সুন্দরী তরুণী। অন্যজন মাঝবয়সী মহিলা। আর আছে একজন পাকিস্তানী সৈনিক। চতুর্থ জন পাঞ্জাবের বিখ্যাত সান্টা সিং।
জোক
ট্রেন হঠাৎ ঢুকল একটা অন্ধকার টানেলের ভিতর। কামরার ভেতরটা নিমেষে অন্ধকার হয়ে গেলো। সেই অন্ধকারের ভেতর থেকে, ট্রেনের শব্দ ছাপিয়ে, শোনা গেল চুম্বনের শব্দ। ঠিক তারপরই একটা জোরাল থাপ্পড়ের আওয়াজ।
বাংলা
পরমুহূর্তে ট্রেন টানেল পেরিয়ে আলোর মধ্যে চলে এল। দেখা গেল, পাকিস্তানী সেনাটি গালে হাত দিয়ে বসে আছে। আর সান্টা সিং জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকার চেষ্টা করছে।
সান্টা জোক
মাঝবয়সী মহিলা ভাবছে, পাকিস্তানী সেনা ওই সুন্দরী তরুণীকে চুমু খেয়েছে বলে মেয়েটি তাকে খুব জোর থাপ্পড় মেরেছে!
পাকিস্তান
তরুণী ভাবছে, আচ্ছা বেয়াকুব পাকিস্তানী সেনা। কাণ্ডজ্ঞান নেই, মাঝবয়সী মহিলাকে চুমু খেয়ে থাপ্পড় খেলো!
চুমু
পাকিস্তানী সেনা ভাবছে, কী বদমাস ওই ভারতীয় শিখ, সটান চুমু খেল সুন্দরীকে, আর থাপ্পড় খেলাম আমি!!
গাধা
আর আমাদের সান্টা সিং ভাবছে, কী স্মার্ট আমি! চুমু খেলাম আমার নিজের হাতের তালুতে, তারপর সপাটে চড় কষিয়ে দিলাম পাকিস্তানীটার গালে!!!

সোমবার, ২ এপ্রিল, ২০১২

সান্টা সিং আর পাকিস্তানী বর্ডার গার্ড

সান্টা সিং বাইকে করে ওয়াঘা চেকপোস্ট দিয়ে পাকিস্তান যাচ্ছিলো। পাকিস্তানি রেঞ্জার্স ওকে আটকে জিজ্ঞেস করলো, "সর্দার, তোমার বাইকের দুপাশে যে দুটো বড়ো বস্তা ঝুলিয়ে নিয়ে যাচ্ছো, সেটাতে কি আছে?"
সান্টা বললো, "জনাব, আমার দাদুর ছোটবেলার বন্ধু দেশভাগের সময় পাকিস্তানে চলে গেছিলেন। কিন্তু আজও নিজের গাঁয়ের কথা ভুলতে পারেন নি। আমি যতবারই পাকিস্তানে যাই, ওনার জন্য দুব্যাগ গ্রামের মাটি নিয়ে যেতে হয়।"
রেঞ্জার্সের অফিসার বললো, "শালা, আমাকে ঢপ দিচ্ছো? দাঁড়াও দেখাচ্ছি মজা!" বলেই গার্ডের দিকে তাকিয়ে বললো, "এই বাইক আর ব্যাগদুটো নিয়ে ভালো করে চেক কর।"
ঘন্টা দুয়েক চেক করার পরও কিছুই পাওয়া গেলো না। বাধ্য হয়ে অফিসারটা সান্টাকে চলে যেতে দিলো। 
একই ঘটনা বার-বার ঘটতে থাকলো। আর অফিসারেরও রোখ চেপে গেলো যে একদিন না একদিন সান্টাকে ধরবেই। কিন্তু সান্টাকে ধরার আগেই তার ট্রান্সফার অর্ডার এসে গেলো।
বছরখানেক পর হঠাৎ করে সান্টার সাথে সেই অফিসারের দেখা হয়ে গেলো। সান্টা তখন লাহোরের এক দোকানে বসে আরাম করে মালাই দেওয়া চা খাচ্ছিল।
অফিসারকে দেখে সান্টাও খুশী হয়ে বললো, "এসো ভাই, একটা চা খেয়ে যাও।"
অফিসার সেখানে বসে সান্টাকে বললো, "দেখো ইয়ার, তোমার সাথে আমার তো মোটামুটি বন্ধুত্বই হয়ে গেছে। আর এতোদিন ধরেও আমি ধরতে পারলাম না যে তুমি আসলে কি স্মাগলিং করছিলে, যদিও আমি নিশ্চিত যে তুমি স্মাগলিংই করতে। এখন তো আর বলতে অসুবিধে নেই। দয়া করে বলবে কি তুমি কোন জিনিসটা স্মাগলিং করছিলে?"
সান্টা সিং মুচকি হেসে, চায়ে একটা লম্বা চুমুক দিয়ে বললো, "মোটরবাইক!"  

সান্টা সিং বুদ্ধিমান

ভারত থেকে লাহোরের দিকে চলেছে সমঝোতা এক্সপ্রেস। 
একটি কামরায় মাত্র ৪ জন যাত্রী। একজন দারুণ সুন্দরী তরুণী, একজন মাঝবয়সী মহিলা, একজন পাকিস্তানী সৈনিক এবং চতুর্থজন হলো সান্টা সিং।
ট্রেন হঠাৎ ঢুকল একটা অন্ধকার টানেলের ভিতর। কামরার ভেতরটা নিমেষে অন্ধকার হয়ে গেল।
সেই অন্ধকারের ভেতর হঠাৎ শোনা গেল চুম্বনের শব্দ এবং ঠিক তারপরেই একটা বিরাশী সিক্কার চড়ের আওয়াজ।
ট্রেনটা টানেল পেরিয়ে আলোর মধ্যে চলে এলে দেখা গেল যে পাকিস্তানী সেনাটি গালে হাত দিয়ে বসে আছে আর সান্টা জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকার চেষ্টা করছে।
মাঝবয়সী মহিলা কড়া চোখে পাকিস্তানী সেনাটির দিকে তাকিয়ে মনে মনে ভাবলো, ওই সুন্দরী তরুণীকে চুমু খেয়েছে বলে মেয়েটি তাকে খুব জোর থাপ্পড় মেরেছে।
তরুণী ভাবছে, আচ্ছা বেয়াকুব তো পাকিস্তানী সেনাগুলো! কোনও কাণ্ডজ্ঞান নেই, এক মাঝবয়সী মহিলাকে চুমু খেয়ে থাপ্পড় খেলো!
পাকিস্তানী সেনাটা গালে হাত বুলোতে বুলোতে ভাবছে, শালা, কি ধরণের বদমাস ওই ভারতীয় সর্দারটা। অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে চুমু খেল সুন্দরীকে, আর থাপ্পড়টা খেলাম আমি!!

সান্টা সিং জানালা দিয়ে বাইরের দৃশ্য দেখতে দেখতে মনে মনে হাসছে আর ভাবছে, পাকিস্তানিটাকে কেমন দিলাম! চুমু খেলাম আমার নিজের হাতের তালুতে, আর তারপর সপাটে চড় কষিয়ে দিলাম পাকিস্তানীর গালে।

বুধবার, ২৮ মার্চ, ২০১২

পাকিস্তানের চন্দ্রাভিযান

যেদিন ভারত চন্দ্রায়ণের সাফল্যের কথা প্রচার করলো, সেদিন থেকেই পাকিস্তানের নেতা, মন্ত্রী, সান্ত্রী, জেনারেল, আম-আদমি সব্বাই বলা আরম্ভ করলো যে যদ্দিন পর্যন্ত পাকিস্তানের তরফে চাঁদে কোন স্যাটেলাইট রকেট পাঠানো হচ্ছে না, ততোক্ষণ ভারতের কাছে মুখ দেখানো যাবে না।
ব্যাস, তখন থেকেই পাকিস্তানের বিজ্ঞানিরা আদাজল খেয়ে লেগে পড়লেন। যেভাবেই হোক চন্দ্রাভিযান করতেই হবে। অবশেষে সেই দিন এলো। কাউন্টডাউনের পর হুশ করে রকেটে ভর করে পাকিস্তানের চাঁদে যাওয়ার স্যাটেলাইট "মামুদ" উড়ে গেলো।
কিছুক্ষণ পরেই পাকিস্তানের চ্যানেল পি-টিভি থেকে সংবাদপাঠক খুবই আনন্দের সঙ্গে জানালেন, "পাকিস্তানের প্রথম চন্দ্রাভিযান আশাতীত সাফল্য পেয়েছে। আমাদের স্যাটেলাইট থেকে পাঠানো ছবি এবং তথ্য থেকে জানা গেছে যে চাঁদে পৃথিবীর মতই সাগর আছে। সাগরে জল, মাছ এবং আরো অনেক রকমের সামুদ্রিক প্রাণীও আছে। পাকিস্তানের উজির-এ-আজম এক বার্তায় বলেছেন যে এতোদিন ধরে এইসব খবর চেপে  রেখে চাঁদের জলবায়ু এবং প্রাণের অস্তিত্ব অস্বীকার করাটা এক বিরাট ষড়যন্ত্র, যেটার মূল ষড়যন্ত্রকারী হ'ল ভারতবর্ষ। আমাদের দেশের মহান বিজ্ঞানীরা এই ব্যাপক ষড়যন্ত্রকে বানচাল করে ভারতের এবং ইসরায়েলের মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছেন। এইজন্য রাষ্ট্রপতিও বিজ্ঞানীদের উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন। এই উপলক্ষে পাকিস্তানের সরকার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় ছুটি ঘোষণা করেছেন।"
এদিকে বিবিসি এবং সিএনএন এর সংবাদ পাঠকের বক্তব্যটা একটু অন্যরকম ছিলো। আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থার খবরে প্রকাশ, "এইমাত্র পাওয়া খবরে জানা গেছে যে পাকিস্তানের চন্দ্রাভিযান সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। পাকিস্তান থেকে চাঁদের উদ্দেশ্যে যে স্যাটেলাইটটা পাঠানো হয়েছিল, সেটাকে আরব সাগরে ভেঙ্গে পড়তে দেখা গেছে। বিমান থেকে উপগ্রহটির ধ্বংসাবশেসও খুঁজে পাওয়া গেছে। সৌভাগ্যবশতঃ এই দুর্ঘটনায় কেউ হতাহত হন নি। পাকিস্তান উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করবে এটা জেনে আগে থেকেই রেড-এলার্ট জারি করা হয়েছিল। ফলে ঐ অঞ্চলে কোন জাহাজ, মাছ ধরার ট্রলার বা বিমান উপগ্রহটি ভেঙ্গে পড়ার সময়ে ছিলো না।"