animal joke লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
animal joke লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১২

গরু আকাশে ওড়ে না!

সরদার সান্টা সিং বিকেলবেলা মর্ণিংওয়াক করতে বেরিয়েছিলো। পাড়ার মোড়ে দাঁড়িয়ে সান্টা আকাশ দেখছে, এমন সময় একটা পায়রা ঠিক সান্টার মুখের ওপর পটি করে বেরিয়ে গেলো।
সান্টা কোমরে হাত দিয়ে ওপরের দিকে তাকিয়ে বললো, "ভাগ্যিস, গরুগুলো আকাশে ওড়ে না!"

বুধবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১২

ট্র্যাকসুটে গাধা

সান্টা সিং কে একটা গাধা হঠাৎ করে একটা লাথি কষিয়ে ছুটে পালালো!
সান্টাও সাথে সাথে "ও তেরিকা" বলে গাধাটাকে ধরতে পেছন-পেছন ছুটলো!
একটু দূরে গিয়েই সান্টা একটা জেব্রাকে দেখতে পেয়ে সেটাকেই পাকড়াও করলো।
এবার ঐ জেব্রাকে বেদম মার দেওয়া শুরু করে সান্টা বললো, "শাল্লা! ট্র্যাকস্যুট পরে আমাকে ধোঁকা দিবি বলে ভেবেছিলি?"


বুধবার, ৮ আগস্ট, ২০১২

পচাদার রাতের ঘুম গুম


পচাদার বাড়ির পাশের মাঠটাতেই রাজ্যের সব কুকুরের রাত্রিকালীন মহাসভা বসে। তুমুল ঘেউ ঘেউ আওয়াজে পচাদার ঘুম মাটি। শেষমেষ পচাদা ডাক্তারের কাছে গেলো।
বাংলা পচাদা জোকস
পচাদা ডাক্তারবাবুকে বললো, "বাড়ির পাশের রাস্তায় কুকুরগুলো রোজ রাতে নিয়ম করে হল্লা করে। কিছুতেই ঘুমোতে পারি না।"
ডাক্তার পচাদাকে পরীক্ষা করে বললেন, "এই ঘুমের বড়িটা নতুন এসেছে। খুব ভালো কাজ দেয়।"
ডাক্তার, পচাদা, কুকুর, ঘুমের ওষুধ
পচাদা ডাক্তারের ভিজিট দিয়ে, অনেক ধন্যবাদ জানিয়ে এবং ওষুধ নিয়ে চলে গেল। কিন্তু এক সপ্তাহ বাদেই ফিরে এসে বলল, "এখনো আমার ঘুমের সমস্যা হচ্ছে।"
ডাক্তার প্রশ্ন করেন, "কিন্তু ওষুধটা তো বেশ ভালো। অনেকেরই কাজ হয়েছে।"
ঘেউ ঘেউ ভৌ ভৌ
পচাদা এবার বেশ বিরক্তভাবে বললো, "তাতে কি মশাই? সারা রাত কুকুরগুলোকে ধাওয়া করে একটা যদিও ধরতে পারি, কিছুতেই বদমাশটাকে ওষুধ গেলানো যায় না।"

মঙ্গলবার, ২৬ জুন, ২০১২

হিসেব করা কাকে বলে

একজন এ্যাকচুয়ারি (মানে যারা ইন্স্যুরেন্স পলিসি বানায়) এবং একজন চাষী ট্রেনে করে দিল্লী যাচ্ছিলো। ট্রেনটা একটা বিশাল মাঠের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মাঠে অনেকগুলো ভেড়া চরতে দেখে এ্যাকচুয়ারি বললো, "এই দেখো, ওখানে ১২৪৮ টা ভেড়া আছে।"
এটা শুনে চাষী অবাক হয়ে বললো, "অসাধারণ! এই ভেড়াগুলোর মালিককে আমি চিনি, তাই বলতে পারছি যে তোমার কথা একশ শতাংশ সত্য! কিন্তু, একটা কথা বলোতো, এত তাড়াতাড়ি তুমি কোন পদ্ধতিতে এতগুলো ভেড়াগুলোকে গুনতে পারলে?"
এ্যাকচুয়ারি বললো, "আরে, এটা তো খুবই সহজ। আমি শুধু ভেড়াগুলোর পা গুনেছি, আর তারপর মোট যোগফলকে চার দিয়ে ভাগ করে দিয়েছি!"

শনিবার, ২৩ জুন, ২০১২

মাতাদোর এবং ষাঁড়

মেক্সিকো সিটির পুলিশ একজন বাইশ বছর বয়সী মাতাদোরকে (যে ষাঁড়ের সঙ্গে লড়াই করে) রাস্তায় অনেক ছুটোছুটির পর ধরতে পারে। এই মাতাদোর ষাঁড়ের সঙ্গে লড়াই মাঝপথে ফেলে রেখে, হঠাৎ করে এরিনা থেকে লাফিয়ে জনতার মধ্যে দিয়ে দৌড়ে গিয়ে স্টেডিয়ামের বাইরের রাস্তায় চলে যায়।
তো মাতাদোরকে যখন জজ-এর সামনে আনা হলো, তখন মাতাদোরের উকিল বললেন, "হুজুর, ধর্মাবতার, আমার মক্কেলের পক্ষে আমি টেম্পোরারি স্যানিটির এ্যাপিল করছি।" জজ মোটেও সন্তুষ্ট হলেন না!

সোমবার, ৪ জুন, ২০১২

কতটুকু ভালোবাসো

মোরগ মুরগীকে দেখে ডেকে বললো, "এই শোনো!"
মুরগি ঘুরে দাঁড়িয়ে বললো, "আমাকে বলছেন?"
মোরগ, "হ্যাঁ, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি। তোমার জন্য আমি সবকিছু করতে পারি।"
মুরগি একটু হেসে বললো, "সত্যি! তুমি আমার জন্য সবকিছু করতে পারো? তাহলে কষ্ট করে একটা ডিম পেড়ে দেখাও না!"

শুক্রবার, ৩০ মার্চ, ২০১২

বনের রাজা কে


ঘুম থেকে উঠে সিংহ ভাবলো একটু রাজ্যপাট ঘুরে আসা যাক! যেমন ভাবনা, তেমনই কাজ। 
একটু এগোনোর পর একটা চিতাকে দেখে তার দিকে এগিয়ে গিয়ে সিংহ, জিজ্ঞেস করল, "বনের রাজা কে?"
চিতার যেহেতু ঘাড়ে একটাই মাথা, তাই সে ঝটপট উত্তর দিলো, "কে আবার! আপনি।"
আরো একটু এগিয়ে বানরকে দেখে সিংহ একই প্রশ্ন করল, "এই ব্যাটা। বলতো বনের রাজা কে?"
বানরও কোন ঝামেলায় না গিয়ে বললো, "কে আবার! আপনিই হুজুর।"
চলার পথে বনের সব পশুকে একই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে সিংহ একই উত্তর পেল। 
এবার মনের আনন্দে বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎ দেখতে পেলো একটা হাতি কলাগাছ খাচ্ছে। সিংহ তার কাছে গিয়ে জানতে চাইল, "বনের রাজা কে?"
প্রশ্নের কোনো উত্তর না দিয়ে হাতি একইভাবে কলাগাছ খেতে থাকলো।
এবার সিংহের একটু রাগ হয়ে গেলো। সে বেশ রেগেই বললো, "এই ব্যাটা মোটা হাতি, তোকে যে জিজ্ঞেস করছি শুনতে পাচ্ছিস না? তাড়াতাড়ি বল যে বনের রাজা কে?" 
হাতি কোন কথা না বলে সিংহকে শুঁড়ে পেঁচিয়ে তুলে আছড়ে ফেলল মাটির ওপরে। সিংহ সংবিৎ ফিরে পাওয়ার আগেই আবারও একই কাজ করল হাতি। 
ব্যথা নিয়েও কোনরকমে দৌড়ে একটু দূরে সরে গিয়ে সিংহ বলল, "আরে ভাই, এতে এতো রাগ করার কি আছে? উত্তরটা জানো না, তা বললেই পারতে!"