wife joke লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
wife joke লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

কিচেন থেকে নুন নিয়ে এসো

পচাবৌদি পচাদাকে ডেকে বললো, "হ্যাঁগো, কিচেন থেকে একটু নুনের কৌটোটা নিয়ে এসো।"

পচাদা কিচেন থেকে উত্তর দিলো, "এখানে তো নুনের কৌটো নেই।"

বৌদি বলে উঠলো, "জানতাম তুমি খুঁজে পাবে না। কোনও কাজই তো ঠিকঠাক করতে পারো না। কিছু করতে বললেই হয়ে গেলো! তাই আমি আগেই নুনের কৌটোটা কিচেন থেকে নিয়ে এসেছিলাম।"

পচাদা শুনে "থ" এবং "দ"।


শুক্রবার, ১ জুন, ২০১২

যুদ্ধ নয় শান্তি চাই

আমাদের স্কুলের সিনিয়র রাজাদা এনডিএ থেকে আর্মির অফিসার হয়ে বেরিয়েছে। ছুটি-ছাটায় বাড়ি এলে রাজাদার সঙ্গে আমাদের জোর আড্ডা হয়। তা এইবার রাজাদা আড্ডায় এসে বললো যে একটা জব্বর ঘটনা ঘটেছে। রাজাদার কথায়ই বাকিটা শোনা যায়।
রাজাদা, "আমার কোম্পানিতে দুজন নতুন জওয়ান যোগ দিয়েছে। একদিন আমি ছাউনির ভেতরেই হেঁটে যাচ্ছি, হঠাৎ করে এই দুজনের কথাকানে এলো।
প্রথম জওয়ান, 'তা তুমি সেনাবাহিনীতে কেনো যোগ দিলে?'
দ্বিতীয় জওয়ান, 'আমার বউ নেই, আর আমার যুদ্ধ করতে ভালো লাগে। কিন্তু তুমি কেনো যোগ দিলে?"
প্রথম জওয়ান, 'আমার বাড়িতে বউ আছে। আর আমার শান্তি ভালো লাগে।'
তা দেখলি, লোকে কি কি কারনের জন্য সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়!"

বুধবার, ২৩ মে, ২০১২

বুদ্ধিমান বাচ্চা

আমাদের পাড়ার বিল্টু তার বুদ্ধিমত্তার জন্য এবং ইষৎ পাকামির জন্যও পুরো কলকাতায় ওয়ার্ল্ড ফেমাস!
কয়েকদিন আগে বিল্টুর খুব টাকার দরকার। নতুন কি একটা আইসক্রিম এসেছে তাই সেটা চাখতে যাবে।
বিল্টু তার মাকে বললো, "মা মা, তাড়াতাড়ি আমাকে পঞ্চাশ টাকা দাও না, প্লিজ!"
মা, "এখন হবে না। আমি দিতে পারবো না।"
বিল্টু, "আচ্ছা মা, তুমি যদি আমাকে পঞ্চাশ টাকাটা দাও, তাহলে তুমি যখন বিউটি পার্লারে গেছিলে তখন বাবা কাজের মাসীকে কি বলেছিলো সেটা তোমায় বলবো।"
সঙ্গে সঙ্গেই মার কান খাড়া। তাড়াতাড়ি বিল্টুকে পঞ্চাশ টাকা দিয়ে বললো, "হ্যাঁ রে, তা পয়সা তো দিলাম। এবার বল।"
বিল্টু টাকাটা পকেটে ঢুকিয়ে দরজার কাছাকাছি গিয়ে বললো, "বাবা কাজের মাসীকে বলছিলো -গেলো সপ্তাহের মতন শার্টের কলারে যেন দাগ না থাকে। মেশিনে দেওয়ার আগে কলারগুলোকে একটু সাবান লাগিয়ে ঘসে, তারপর মেশিনে দিও।"
:-P

মঙ্গলবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১২

ফুটবলের নিয়ম কানুন

ইন্টার স্কুল ফুটবলের ফাইন্যাল খেলা চলছিলো।
একটা ফাউলের জন্য একটু সময় খেলা বন্ধ করা হলো। এই ফাঁকে এক দলের কোচ তার একজন প্লেয়ারকে ডেকে বললেন, "আচ্ছা ফুটবল খেলাটা যে টিমগেম সেটা বুঝেছো?"
ছেলেটা বললো, "হ্যাঁ স্যার।"
কোচ বললেন, "ভালো। এটাও বুঝেছো কি যে এই খেলায় একা একা জেতা যায় না? একটা দল হিসেবে খেলেই জিততে হয়। আর রেফারির সিদ্ধান্তই খেলার মধ্যে চূড়ান্ত? খেলার মধ্যে একটু আধটু ধাক্কাধাক্কি হবেই। কিন্তু তাই বলে কোন প্লেয়ার মাটিতে পড়ে গেলেই ফাউল হয় না? আর লাইন্সম্যান বা রেফারি কোন একটা অফসাইড না দিলে বা ফাউল না ধরলেও দল হিসেবে খেলা চালিয়ে যেতে হয়? রেফারি বা লাইন্সম্যানের দিকে তেড়ে যাওয়া উচিত নয় বা তাদের এবং তোমার বিপক্ষ দলের ফুটবলারদেরকে মারধরের হুমকি দেওয়া বা গালাগালি করা উচিত নয়?"
ছেলেটা ঘাড় নেড়ে বললো, "হ্যাঁ স্যার, এগুলো সবই তো আমি জানি।"
কোচ বললেন, "গুড, খুব ভালো কথা! এখন যাও, গিয়ে তোমার মাকে পুরো ব্যাপারটা বুঝিয়ে এসো।"

শনিবার, ৩১ মার্চ, ২০১২

পচাদার রজতজয়ন্তী

পচাদার বিয়ের পঁচিশ বছর হয়ে গেলো। সবাই মিলে চাপাচাপি করাতে একটা বড়সড় গেট-টুগেদারেরও আয়োজন করা হল। কিন্তু অনুষ্ঠানে সবাই আনন্দ-হুল্লোড় করছে, আর পচাদা মনমরা হয়ে এককোনে চুপচাপ বসে রয়েছে।
পচাবৌদি এসে জিজ্ঞেস করলো, "কিগো, এতো মনমরা হয়ে বসে রয়েছো কেনো? পুরোনো দিনের কথা বুঝি মনে পড়ে যাচ্ছে?"
একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে পচাদা বললো, "আজকে ভাবছি সত্যি কথাটা বলেই ফেলি। জানো, তোমাকে বিয়ে করার কোন ইচ্ছেই আমার ছিলো না। কিন্তু তোমার ঐ যমের মতন উকিল বাবা হুমকি দিয়ে বলেছিলো যে আমি যদি তোমায় বিয়েটা না করি, তাহলে নাকি আমাকে সোজা হাজতে পাঠানোর বন্দোবস্ত করবে। আর আমার নাকি পঁচিশ বছরের জেল হবে।" একটু থেমে, অনেকটা স্বগোতক্তির মত পচাদা আবার বললো, "সেদিন যদি তোমার বাবার কথাটা না মানতাম, তাহলে আজকের দিনে আমি মুক্তি পেয়ে যেতাম!"

রবিবার, ১৮ মার্চ, ২০১২

পচাদার বিবাহবার্ষিকী

পচাদা বিয়ে করেছে। তা বছরখানেক হতে চললো। পচাবৌদি বললো, "হ্যাঁগো, সব্বারই আজকাল গাড়ি আছে। তা, বিবাহবার্ষিকীতে তুমি আমায় একটা গাড়ি দেবে?"
পচাদা বললো, "দেখি!"
বিবাহবার্ষিকীর দিন। পচাদা বাড়ি ফিরলো হাতে একটা নেকলেসের বাক্স নিয়ে। বৌদিকে বললো, "ডার্লিং, এই দেখো তোমার জন্য কি এনেছি!"
বৌদি নেকলেসটা দেখে মনে মনে খুশী হল, কিন্তু মুখে বললো, "কিগো, তুমি না বলেছিলে যে আজকে একটা গাড়ি গিফট করবে?"
পচাদা বললো, "কি করবো বলো, ইমিটেশন গাড়ি তো আর পাওয়া যায় না!"

শনিবার, ৫ নভেম্বর, ২০১১

আসামীর স্বীকারোক্তি

এক পুলিশ অফিসার নতুন বিয়ে করেছেন। হানিমুনের পর অফিসার আবার চাকরিতে যোগ দিলেন। নতুন বউ খুব সোহাগ করে খাবার বানিয়ে বরের জন্য প্যাক করে দিলেন। দুপুরবেলা ভদ্রমহিলা ফোন করে বরের কাছে জানতে চাইলেন, "হ্যাঁগো, খাবারটা খেয়েছো? খেতে কেমন হয়েছে?"
পুলিস অফিসার আহ্লাদিত হয়ে বললেন, "আরে তোমার বানানো খাবার দারুণ হয়েছে। একটা আসামীর মুখে চেপে ধরতেই গড়গড় করে সব স্বীকার করে ফেললো!"