husband joke লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
husband joke লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ১৫ জুন, ২০১২

সিংহ থেকে ইঁদুর

পশুরাজ সিংহ বিয়ে করছে। তাই জঙ্গলে খুব ধুমধাম করে পার্টির আয়োজন করা হয়েছে। সবাই আনন্দে আর উৎসাহে টগবগ করছে। পুরো জঙ্গলের সব জন্তু-জানোয়ারকেই এই পার্টিতে নিমন্ত্রণ করা হয়েছে।
gap
প্যাণ্ডেলের ভেতরে একটা স্পেশ্যাল মঞ্চ করা হয়েছে যেখানে শুধুমাত্র সিংহরাই নাচতে পারবে। হঠাৎ করে বর দেখলো যে ঐ স্টেজে একটা ইঁদুর নাচছে।
gap
এই দেখে খুব অবাক হয়ে বর সিংহ গিয়ে ইঁদুরকে জিজ্ঞেস করলো, "তুমি কি জানো না যে এই স্টেজটা শুধুই সিংহদের জন্য? অন্য কোন জন্তু এই স্টেজে উঠে নাচতে পারবে না।"
gap
ইঁদুরটা এই শুনে বললো, "আমি জানি রে ভাই। খুব ভালোভাবেই জানি। বিয়ের আগে আমিও সিংহই ছিলাম। বিয়ের পর, দেখতেই পাচ্ছো, ইঁদুর হয়ে গেছি।"

সোমবার, ৪ জুন, ২০১২

খ্যাতি, সম্মান, অর্থ

ধনী পরিবারের স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে কথা হচ্ছে -
gap
স্বামী, "আজ আমার এতো খ্যাতি,সম্মান! আমি জীবনের সবকিছু তোমার সঙ্গে শেয়ার করতে চাই।"
gap
স্ত্রী, "ঠিক আছে সোণা, তাহলে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট দিয়েই শুরু করা যাক!"

আত্মভোলা

দুই মহিলা এক জায়গায় বসে কথা বলছিলেন।
কথা প্রসঙ্গে প্রথম মহিলা দ্বিতীয় জনকে বললেন, "আমার স্বামী এতই আত্মভোলা যে বাজারে গেলে মাছ কিনবে তো তরকারি ভুলে আসবে। আর তরকারি কিনবে তো মাছ কিনবে না।"
একথা শুনে দ্বিতীয় মহিলা বললেন, "আমার স্বামী তো আর এক কাঠি বেশি। সেদিন বাজার করতে গিয়েছিলাম। সেখানে অফিস যাত্রী স্বামী আমাকে দেখে বললেন, 'কিছু মনে করবেন না ম্যাডাম। আপনাকে যেন আমার পরিচিত মনে হচ্ছে। কোথায় যেনো আপনাকে আগে দেখেছি!'"

শুক্রবার, ১ জুন, ২০১২

যুদ্ধ নয় শান্তি চাই

আমাদের স্কুলের সিনিয়র রাজাদা এনডিএ থেকে আর্মির অফিসার হয়ে বেরিয়েছে। ছুটি-ছাটায় বাড়ি এলে রাজাদার সঙ্গে আমাদের জোর আড্ডা হয়। তা এইবার রাজাদা আড্ডায় এসে বললো যে একটা জব্বর ঘটনা ঘটেছে। রাজাদার কথায়ই বাকিটা শোনা যায়।
রাজাদা, "আমার কোম্পানিতে দুজন নতুন জওয়ান যোগ দিয়েছে। একদিন আমি ছাউনির ভেতরেই হেঁটে যাচ্ছি, হঠাৎ করে এই দুজনের কথাকানে এলো।
প্রথম জওয়ান, 'তা তুমি সেনাবাহিনীতে কেনো যোগ দিলে?'
দ্বিতীয় জওয়ান, 'আমার বউ নেই, আর আমার যুদ্ধ করতে ভালো লাগে। কিন্তু তুমি কেনো যোগ দিলে?"
প্রথম জওয়ান, 'আমার বাড়িতে বউ আছে। আর আমার শান্তি ভালো লাগে।'
তা দেখলি, লোকে কি কি কারনের জন্য সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়!"

বুধবার, ৩০ মে, ২০১২

আদর্শ মুড

পচাদার তখন নতুন নতুন বিয়ে হয়েছে। একজন স্পেশ্যালিস্ট ডাক্তারের কাছে যুগলে গেছে।
ডাক্তার নবদম্পতিকে বললেন, "দেখুন, সেক্স করার জন্য নিজের আদর্শ মুড পরস্পরকে বোঝানো খুবই দরকার। এর ওপর দাম্পত্য জীবনের খুশী অনেকটা নির্ভর করে।"
বাড়ি ফিরে পচাবৌদি পচাদাকে বললো, "শোনো, অফিস থেকে বাড়ি ফিরে তুমি যদি দ্যাখো যে আমার চুল খুব পরিপাটি করে বাঁধা, তখন বুঝবে আমার ইচ্ছে করছে না। যদি দ্যাখো যে আমার চুল আলগা করে বাঁধা, তাহলে বুঝবে যে আমার ইচ্ছে হলেও হতে পারে। আর যেদিন দ্যাখবে আমার চুল খোলা, সেদিন বুঝবে যে আমার প্রচণ্ড ইচ্ছে করছে।"
পচাদা এই শুনে বললো, "যেদিন দেখবে আমি অফিস থেকে ফিরে এক পেগ ড্রিঙ্ক করেছি, সেদিন বুঝবে যে আমার ইচ্ছে নেই। যেদিন দেখবে যে তিন পেগ খেয়েছি, সেদিন ইচ্ছে হলেও হতে পারে। আর যেদিন দেখবে ছয় পেগ খেয়েছি, সেদিন বুঝবে যে আমার খুব ইচ্ছে করছে। অবশ্য ছয় পেগ খাওয়ার পর তোমার চুল কি অবস্থায় আছে সেটা বুঝতে পারবো না।"

বৃহস্পতিবার, ৫ এপ্রিল, ২০১২

জেনারেল নলেজ

পচাদা পাড়ার চায়ের দোকানে বসে পল্টুর জি কে টেস্ট করছে।
পচাদা, "বল তো, যে লোক ভুল করে স্বীকার করে, তাকে কি বলে?"
পল্টু, "জানি না।"
পচাদা, "গর্দভ। তাকে বলে সৎ। আচ্ছা বল যে লোকটা ফ্যাসাদে পড়ে ভুলটা স্বীকার করে নেয়, তাকে কি বলে?"
পল্টু, "এটাও জানিনা।"
পচাদা, "রামছাগল! তাকে বলে বুদ্ধিমান। এবার বল তো যে লোক কোন ভুল না করেও ভুল স্বীকার করে নেয়, তাকে কি বলে?"
পল্টু, উৎসাহিত হয়ে, "এটা জানি গো। তাকে বলে বিবাহিত।"

ছুরি না পিস্তল

জজসাহেব আসামীকে জিজ্ঞেস করলেন, "আচ্ছা মশাই, আপনার কাছে তো পিস্তলও ছিলো। তা আপনি পিস্তল দিয়ে আপনার স্ত্রীকে খুন না করে ছুরি দিয়ে করলেন কেনো?"
আসামীর চটপট জবাব, "আজ্ঞে হুজুর ধর্মাবতার, এটার দুটো কারন। প্রথমটা হলো যে আজকাল একটা গুলির দাম প্রায় দুশো টাকা, তা অতো টাকা ঐ মহিলার ওপর বরবাদ করার কোনও ইচ্ছে আমার হয় নি। আর প্রধান কারনটা হলো, ঐ সময়ে আমার ছেলেমেয়ে ঘুমোচ্ছিল। আর আমি তাদের ঘুম নষ্ট করতে চাই নি।"

শনিবার, ৩১ মার্চ, ২০১২

পচাদার রজতজয়ন্তী

পচাদার বিয়ের পঁচিশ বছর হয়ে গেলো। সবাই মিলে চাপাচাপি করাতে একটা বড়সড় গেট-টুগেদারেরও আয়োজন করা হল। কিন্তু অনুষ্ঠানে সবাই আনন্দ-হুল্লোড় করছে, আর পচাদা মনমরা হয়ে এককোনে চুপচাপ বসে রয়েছে।
পচাবৌদি এসে জিজ্ঞেস করলো, "কিগো, এতো মনমরা হয়ে বসে রয়েছো কেনো? পুরোনো দিনের কথা বুঝি মনে পড়ে যাচ্ছে?"
একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে পচাদা বললো, "আজকে ভাবছি সত্যি কথাটা বলেই ফেলি। জানো, তোমাকে বিয়ে করার কোন ইচ্ছেই আমার ছিলো না। কিন্তু তোমার ঐ যমের মতন উকিল বাবা হুমকি দিয়ে বলেছিলো যে আমি যদি তোমায় বিয়েটা না করি, তাহলে নাকি আমাকে সোজা হাজতে পাঠানোর বন্দোবস্ত করবে। আর আমার নাকি পঁচিশ বছরের জেল হবে।" একটু থেমে, অনেকটা স্বগোতক্তির মত পচাদা আবার বললো, "সেদিন যদি তোমার বাবার কথাটা না মানতাম, তাহলে আজকের দিনে আমি মুক্তি পেয়ে যেতাম!"

রবিবার, ১৮ মার্চ, ২০১২

পচাদার বিবাহবার্ষিকী

পচাদা বিয়ে করেছে। তা বছরখানেক হতে চললো। পচাবৌদি বললো, "হ্যাঁগো, সব্বারই আজকাল গাড়ি আছে। তা, বিবাহবার্ষিকীতে তুমি আমায় একটা গাড়ি দেবে?"
পচাদা বললো, "দেখি!"
বিবাহবার্ষিকীর দিন। পচাদা বাড়ি ফিরলো হাতে একটা নেকলেসের বাক্স নিয়ে। বৌদিকে বললো, "ডার্লিং, এই দেখো তোমার জন্য কি এনেছি!"
বৌদি নেকলেসটা দেখে মনে মনে খুশী হল, কিন্তু মুখে বললো, "কিগো, তুমি না বলেছিলে যে আজকে একটা গাড়ি গিফট করবে?"
পচাদা বললো, "কি করবো বলো, ইমিটেশন গাড়ি তো আর পাওয়া যায় না!"

শনিবার, ৫ নভেম্বর, ২০১১

আসামীর স্বীকারোক্তি

এক পুলিশ অফিসার নতুন বিয়ে করেছেন। হানিমুনের পর অফিসার আবার চাকরিতে যোগ দিলেন। নতুন বউ খুব সোহাগ করে খাবার বানিয়ে বরের জন্য প্যাক করে দিলেন। দুপুরবেলা ভদ্রমহিলা ফোন করে বরের কাছে জানতে চাইলেন, "হ্যাঁগো, খাবারটা খেয়েছো? খেতে কেমন হয়েছে?"
পুলিস অফিসার আহ্লাদিত হয়ে বললেন, "আরে তোমার বানানো খাবার দারুণ হয়েছে। একটা আসামীর মুখে চেপে ধরতেই গড়গড় করে সব স্বীকার করে ফেললো!"