সর্দার জোক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সর্দার জোক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১ জুন, ২০১৫

সান্টা সিং এর প্রার্থনা

সান্টা সিং এর গ্রামের অনেকেই কানাডা চলে যাওয়ায় তারও ইচ্ছা হলো ভারত ছেড়ে কানাডা চলে যাবে। এদিকে তার কাছে অতো টাকাও নেই যে এরোপ্লেনের টিকেট কেটে কানাডা যেতে পারবে।
বাংলা জোক
অনেক ভেবেচিন্তে সান্টা শেষমেষ ভগবানের কাছে কাতর প্রার্থনা শুরু করলো। প্রার্থনায় সাড়া দিয়ে ভগবান এসে বললেন, "বলরে সান্টা, কি চাস তুই?"
সান্টা সিং জোক
সান্টা বললো, "প্রভু আমার বাড়ি থেকে কানাডা পর্যন্ত একটা রাস্তা বানিয়ে দাও, যাতে আমি ট্রাক চালিয়েই কানাডা চলে যেতে পারি।"
সবার জন্য জোক
ভগবান আঁৎকে উঠে বললেন, "অসম্ভব! তুই অন্য কিছু চা।"
এস এম এস জোক
একটু ভেবে নিয়ে সান্টা বললো, "ঠিক আছে। তাহলে আমাকে এমন একজন মেয়ের সাথে মিলিয়ে দাও যে শুধু আমাকেই ভালোবাসবে।"
সর্দার জোক
একটা হেঁচকি তুলে ভগবান জিজ্ঞেস করলেন, "বেটা সান্টা, রাস্তাটা সিঙ্গল লেন হবে না ডাবল লেন?"
চালু জোক
ফ্রেশ জোক

সোমবার, ১৫ এপ্রিল, ২০১৩

ইন্টারভিউ

চাকরীর ইন্টারভিউ চলছে ...
বস, "আমরা কাউকে চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে মাত্র দুইটা রুল ফলো করি।"
সান্টা সিং, "কি কি স্যার?"
বস, "আমাদের দ্বিতীয় রুল হচ্ছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা। আপনি কি এখানে আসার আগে রুমের বাইরে রাখা ম্যাট এ জুতোর তলা মুছে এসেছেন?"
সান্টা সিং, “হ্যাঁ স্যার, হ্যাঁ স্যার!”
বস, "আমাদের প্রথম রুল হলো বিশ্বাসযোগ্যতা এবং আপনার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে বাইরে কোন ম্যাট ছিলোই না! কাজেই আপনাকে বিশ্বাস করা যাচ্ছে না। আর চাকরীর ব্যাপারটাও ভুলে যান!"




মঙ্গলবার, ২৬ জুন, ২০১২

সান্টা সিং এর হেলিকপ্টার ক্র্যাশ

সান্টা সিং হেলিকপ্টারে করে যাচ্ছিল। হঠাৎ করে ইঞ্জিনে গোলমাল হওয়ায় হেলিকপ্টার খুব দ্রুত নীচে নেমে আসতে লাগলো। পাইলট অনেক কসরত করে হেলিকপ্টারটাকে জলের ওপরে কোনও বিশেষ ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই নামিয়ে আনতে পারলো।
জলের ওপর নামার পর পাইলট যাত্রীদেরকে বললো, "আপনারা যে যার জায়গায় বসে থাকুন এবং কোনও ভাবেই দরজা খোলার চেষ্টা করবেন না। এই হেলিকপ্টার এমনভাবে তৈরী যে কোন আপাতকালীন পরিস্থিতিতে জলের ওপর নামলেও এটা আধঘন্টা-চল্লিশ মিনিট পর্যন্ত ওপরে ভেসে থাকবে। এর ফলে উদ্ধারকারী দল আমাদের কাছে এসে পৌঁছুনোর সুযোগ পাবে। কিন্তু এর জন্য আমাদের সবকটা দরজাই ভালোভাবে বন্ধ করে রাখতে হবে।"
পাইলটের কথা শেষ হওয়া মাত্রই সান্টা সিং সিট থেকে উঠে দরজার দিকে দৌড়ে গিয়ে হাতল ধরে টানাটানি শুরু করে দিলো।
পাইলট প্রচণ্ড রেগে গিয়ে সান্টাকে টেনে সিটের দিকে নিয়ে বললো, "কি ব্যাপার, তুমি কি আমার কথা শুনতে বা বুঝতে পারো নি?"
সান্টা সিং বললো, "এই হেলিকপ্টারটা তো ওড়ার জন্যও তৈরী হয়েছিল। তা নিজেই তো দেখলাম কি অবস্থা হলো!"

সান্টা সিং এর লাইফ ইন্স্যুরেন্স

সান্টা সিং এর বউ প্রীতো তার বরের চেয়েও বেশী বুদ্ধিমান ছিলো।
সান্টা সিং এর একটা এলআইসি-র লাইফ ইন্স্যুরেন্স পলিসি ছিলো। একদিন হঠাৎ এলআইসি-র অফিসে প্রীতোর একটা চিঠি এলো। চিঠিতে এলআইসিকে অনুরোধ করা হয়েছিল যে তার বরের পলিসিটা দুর্ভাগ্যবশতঃ ক্যানসেল করতে হবে।
প্রীতো লিখেছিল, "আমরা সবসময়ই আমাদের ইন্স্যুরেন্স পলিসির প্রিমিয়াম সময়মতো দিয়েছি, কিন্তু আমার বর, সান্টা সিং গতবছর মারা যাওয়ার পর থেকে আমাদের আর্থিক অবস্থা খুব একটা ভালো যাচ্ছে না, তাই আমরা আপনাদের কাছে অনুরোধ করছি, যাতে আমাদের এই প্রিমিয়াম আর দিতে হয় না।"

শনিবার, ২৩ জুন, ২০১২

সান্টা সিং এম বি বি এস

সান্টা সিং এর বাবার খুব ইচ্ছা ছিলো যে তার ছেলে ডাক্তার হবে। তাই হায়ার সেকেণ্ডারির পর সান্টা সিং বাবার ইচ্ছা পূরণের জন্য মেডিকাল এন্ট্রান্সে বসে পড়লো। আমাদের ভাগ্য ভালো যে সান্টা এন্ট্রান্সে পাশ করতে পারেনি! কিন্তু কেনো, সেটা আপনার জানেন কি?
অত্যন্ত গোপন সূত্রে আমাদের কাছে সান্টা সিং এর মেডিকাল এন্ট্রান্সের খাতাটা এসেছে। সান্টার দেওয়া উত্তরগুলো নীচে তুলে দিলাম।
এন্টিবডি (Antibody) - যে সবার বিরুদ্ধে।
আর্টারি (Artery) - পেইন্টিং, অর্থাৎ আর্ট সম্বন্ধে পড়াশুনা।
ব্যাক্টেরিয়া (Bacteria) - ক্যাফেটেরিয়ার ব্যাকডোর অর্থাৎ পেছনের দরজা।
সিজারিয়ান সেকশন (Caesarean section) - সিজারের দেশ রোমের একটি অংশ।
কার্ডিওলজি (Cardilogy) - পোকার খেলা শেখার ওপর এ্যাডভান্সড ট্রেনিং।
ক্যাটস্ক্যান (Cat scan) - ক্যাট, মানে বেড়ালকে খুঁজে বের করা।
ক্রনিক (Chronic) - কাকের (ক্রো) ঘাড় (নেক)।
কোমা (Coma) - যতিচিহ্ণ।
কর্টিজন (Cortisone) - কোর্টের আশপাশের এলাকা।
সিস্ট (Cyst) - সিস্টারকে ছোট করে ডাকা।
ডায়াগনসিস (Diagnosis) - যে লোকের নাক (নোজ) ব্যাঁকা।
ডায়ালেট (Dilate) - লেট প্রিন্সেস ডায়ানা।
ডিসলোকেশন (Dislocation) - এই জায়গা।
ডুয়োডেনাম (Duodenum) - ডেনিম জিনস পরিহিত দুজন।

শুক্রবার, ২২ জুন, ২০১২

র‍্যাশ ড্রাইভার সান্টা সিং

সান্টা সিং শনিবার রাতে পার্টিতে গিয়ে একটু বেশীমাত্রায় পান করে ফেলেছিলো। তারপর ঐ অবস্থায় গাড়ি চালাতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যায়। পরদিন পুলিশ সান্টাকে কোর্টে পেশ করে।
মামলা শুরু হওয়ার একটু আগে হঠাৎ করে আদালতের ভেতরে বেশ উঁচু গলায় কথা কাটাকাটি শুরু হয়ে যায়। জজসাহেব তাতে বিরক্ত হয়ে তাঁর হাতুড়িটা টেবলে ঠুকে বললেন, "অর্ডার, অর্ডার।"
কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা সান্টা সিং সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠলো, "থ্যাংক ইউ, থ্যাংক ইউ, ইয়োর অনার! আমি একটা লার্জ স্কচ আর সোডা নেবো।"

বৃহস্পতিবার, ২১ জুন, ২০১২

এক বিহারী ছিলো

একজন বিহারী একটা বাসস্টপে দাঁড়িয়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলো। বেশ কিছুক্ষণ পর বাস এলে সে বাসটাতে উঠে পড়লো। বাসে ওঠার পর তো বিহারীবাবুর চক্ষু চড়কগাছ! পুরো বাসটাতে একমাত্র সে নিজে ছাড়া বাকি সব প্যাসেঞ্জারই সর্দার।
একজন একটু বয়স্ক সর্দারজি বিহারীকে বললো, "হ্যাঁরে ভাই, আমাদের কয়েকটা জোক শোনাও তো।"
এবার তো বিহারীর টেনশনে হাত-পা কাঁপতে আরম্ভ করলো। কারন সে যতগুলো জোক জানতো, সবকটাই সর্দারদের ওপর। বেশ কিছুক্ষণ ভাবার পর সে একটা উপায় বের করলো। যে যে জায়গাগুলোয় সর্দার আছে, ঐ জায়গায় সে বিহারী বসিয়ে দেবে বলে ঠিক করলো।
এই ভেবে সে বলতে আরম্ভ করলো, "অমুক শহরে তমুক সময়ে এক বিহারী থাকতো ..."।
এটুকু বলার পরই তার মাথায় সজোরে একটা চাঁটা পড়লো। বিহারী পেছনে তাকিয়ে দেখে যে তার পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা সর্দারই তাকে মেরেছে।
বিহারীকে ঘুরে তাকাতে দেখে ঐ সর্দার বেশ রাগতভাবে বললো, "বিহারী কেনো? সব সর্দার কি মরে গেছে?? অ্যাঁ??"

মঙ্গলবার, ১৯ জুন, ২০১২

সান্টা বান্টা আর এটিএম পিন

বান্টা সিং এটিএম থেকে টাকা তুলছিলো। সান্টা সিং ঠিক তার পেছনেই লাইনে দাঁড়িয়েছিলো।
বান্টার টাকা তোলা শেষ হওয়ার পর সান্টা বললো, "হাঃ, হাঃ। আমি তোর পাসওয়ার্ড দেখে ফেলেছি! তোর পাসওয়ার্ড হলো চারটে তারা (*)।"
বান্টা সিং বললো, "আব্বে ছাড় ছাড়! হাঃ, হাঃ, হাঃ! তুই শালা একটা ভোঁদড়! তুই পুরো ভুল বলছিস। ওটা চারটে তারা নয়, ১২৫৮।"

মঙ্গলবার, ১২ জুন, ২০১২

সান্টা সিং এর চীন ভ্রমণ

সান্টা সিং কয়েকদিন আগে চীনে বেড়াতে গেছিলো। সেখান থেকে অনেক শস্তার চীনা মাল নিয়ে ভাটিণ্ডাতে ফিরে এলো। কিন্তু একটা প্রশ্ন তার মনের মধ্যে অনেকক্ষণ ধরেই উঠছিলো।

শেষে আর থাকতে না পেরে সান্টা তার বউকে জিজ্ঞেস করলো, "ওয়ে প্রীতো, একটা কথা বলো তো দেখি। আমাকে কি দেখতে বিদেশীদের মতন লাগে?"

প্রীতো এই কথা শুনে খুবই চিন্তিত হয়ে ভালো করে খুঁটিয়ে দেখে বললো, "ওয়ে জি না। কি কথা বলছো! তোমাকে তো কোনও এ্যাঙ্গেল থেকেই বিদেশী লাগছে না!"

সান্টা এই কথা শুনে খুবই নিশ্চিন্ত হয়ে প্রীতো কে বললো, "আররে, সেটাই তো কথা। এই চাইনিজগুলোর মাথায় একফোঁটাও বুদ্ধি নেই! আমি চীনে যাওয়ার পর সেখানকার লোকেরা যেখানেই আমাকে দেখে, শুধু ফরেনার - বিদেশী বলছিলো। ধ্যাত্তেরিকা, আমিও ফালতু এতোক্ষণ চিন্তা করলাম!"

বুধবার, ৩০ মে, ২০১২

সান্টা সিং এর মেয়ে

একজোড়া প্রেমিক-প্রেমিকা রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলো।
হঠাৎ একটা দশতলা বাড়ির ছাদে এক সর্দারকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ছেলেটা বললো, "একটা মজার জিনিস দেখবে? ঐ ওপরে দেখো সর্দার দাঁড়িয়ে আছে। ওকে খ্যাপাচ্ছি দেখো!"
এই বলেই ছেলেট ওপরে সর্দারের দিকে তাকিয়ে বললো, "ওয়ে সান্টা সিং, দেখো, আমি তোমার মেয়েকে ভাগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।"
সর্দার এই কথা শুনেই রেগে গিয়ে বললো, "ওয়ে, তেরী তো! তু আবভি রুক জা, ওয়ারনা বহুত পছতায়েগা।"
এই কথা বলেই তাড়াতাড়ি ওদেরকে ধরার জন্য দশতলার ওপর থেকেই দিলো এক ঝাঁপ।
সর্দার এবার ওপর থেকে নীচে পড়ছে।  
আটনম্বর ফ্লোর ক্রস করার সময় সর্দারের মনে পড়লো, "আরে, আমার তো কোনও মেয়ে নেই।"
আরো দু-তিনটে ফ্লোর পড়ার পর তার আবারো মনে পড়লো, "আরে আমার তো বিয়েই হয় নি।"
এইবার আর মাত্র একটা ফ্লোর বাকি, তারপরেই সর্দার মাটিতে আছড়ে পরবে, এমন সময় তার মনে পড়লো, "আরে, ছেলেটা আমাকে বুদ্ধু বানিয়ে গেলো! আমার নাম তো সান্টা সিং-ই নয়!"
তারপরেই ধপাস এবং হাসপাতাল!

সোমবার, ২ এপ্রিল, ২০১২

সান্টা সিং আর পাকিস্তানী বর্ডার গার্ড

সান্টা সিং বাইকে করে ওয়াঘা চেকপোস্ট দিয়ে পাকিস্তান যাচ্ছিলো। পাকিস্তানি রেঞ্জার্স ওকে আটকে জিজ্ঞেস করলো, "সর্দার, তোমার বাইকের দুপাশে যে দুটো বড়ো বস্তা ঝুলিয়ে নিয়ে যাচ্ছো, সেটাতে কি আছে?"
সান্টা বললো, "জনাব, আমার দাদুর ছোটবেলার বন্ধু দেশভাগের সময় পাকিস্তানে চলে গেছিলেন। কিন্তু আজও নিজের গাঁয়ের কথা ভুলতে পারেন নি। আমি যতবারই পাকিস্তানে যাই, ওনার জন্য দুব্যাগ গ্রামের মাটি নিয়ে যেতে হয়।"
রেঞ্জার্সের অফিসার বললো, "শালা, আমাকে ঢপ দিচ্ছো? দাঁড়াও দেখাচ্ছি মজা!" বলেই গার্ডের দিকে তাকিয়ে বললো, "এই বাইক আর ব্যাগদুটো নিয়ে ভালো করে চেক কর।"
ঘন্টা দুয়েক চেক করার পরও কিছুই পাওয়া গেলো না। বাধ্য হয়ে অফিসারটা সান্টাকে চলে যেতে দিলো। 
একই ঘটনা বার-বার ঘটতে থাকলো। আর অফিসারেরও রোখ চেপে গেলো যে একদিন না একদিন সান্টাকে ধরবেই। কিন্তু সান্টাকে ধরার আগেই তার ট্রান্সফার অর্ডার এসে গেলো।
বছরখানেক পর হঠাৎ করে সান্টার সাথে সেই অফিসারের দেখা হয়ে গেলো। সান্টা তখন লাহোরের এক দোকানে বসে আরাম করে মালাই দেওয়া চা খাচ্ছিল।
অফিসারকে দেখে সান্টাও খুশী হয়ে বললো, "এসো ভাই, একটা চা খেয়ে যাও।"
অফিসার সেখানে বসে সান্টাকে বললো, "দেখো ইয়ার, তোমার সাথে আমার তো মোটামুটি বন্ধুত্বই হয়ে গেছে। আর এতোদিন ধরেও আমি ধরতে পারলাম না যে তুমি আসলে কি স্মাগলিং করছিলে, যদিও আমি নিশ্চিত যে তুমি স্মাগলিংই করতে। এখন তো আর বলতে অসুবিধে নেই। দয়া করে বলবে কি তুমি কোন জিনিসটা স্মাগলিং করছিলে?"
সান্টা সিং মুচকি হেসে, চায়ে একটা লম্বা চুমুক দিয়ে বললো, "মোটরবাইক!"  

সান্টা সিং বুদ্ধিমান

ভারত থেকে লাহোরের দিকে চলেছে সমঝোতা এক্সপ্রেস। 
একটি কামরায় মাত্র ৪ জন যাত্রী। একজন দারুণ সুন্দরী তরুণী, একজন মাঝবয়সী মহিলা, একজন পাকিস্তানী সৈনিক এবং চতুর্থজন হলো সান্টা সিং।
ট্রেন হঠাৎ ঢুকল একটা অন্ধকার টানেলের ভিতর। কামরার ভেতরটা নিমেষে অন্ধকার হয়ে গেল।
সেই অন্ধকারের ভেতর হঠাৎ শোনা গেল চুম্বনের শব্দ এবং ঠিক তারপরেই একটা বিরাশী সিক্কার চড়ের আওয়াজ।
ট্রেনটা টানেল পেরিয়ে আলোর মধ্যে চলে এলে দেখা গেল যে পাকিস্তানী সেনাটি গালে হাত দিয়ে বসে আছে আর সান্টা জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকার চেষ্টা করছে।
মাঝবয়সী মহিলা কড়া চোখে পাকিস্তানী সেনাটির দিকে তাকিয়ে মনে মনে ভাবলো, ওই সুন্দরী তরুণীকে চুমু খেয়েছে বলে মেয়েটি তাকে খুব জোর থাপ্পড় মেরেছে।
তরুণী ভাবছে, আচ্ছা বেয়াকুব তো পাকিস্তানী সেনাগুলো! কোনও কাণ্ডজ্ঞান নেই, এক মাঝবয়সী মহিলাকে চুমু খেয়ে থাপ্পড় খেলো!
পাকিস্তানী সেনাটা গালে হাত বুলোতে বুলোতে ভাবছে, শালা, কি ধরণের বদমাস ওই ভারতীয় সর্দারটা। অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে চুমু খেল সুন্দরীকে, আর থাপ্পড়টা খেলাম আমি!!

সান্টা সিং জানালা দিয়ে বাইরের দৃশ্য দেখতে দেখতে মনে মনে হাসছে আর ভাবছে, পাকিস্তানিটাকে কেমন দিলাম! চুমু খেলাম আমার নিজের হাতের তালুতে, আর তারপর সপাটে চড় কষিয়ে দিলাম পাকিস্তানীর গালে।