Paltu joke লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Paltu joke লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ১৫ জুন, ২০১২

গাধা, দাদা, বউদি


আমাদের পল্টু রাস্তা দিয়ে হেঁটে যেতে যেতে হঠাৎ করে একটা গাধার সামনে আছাড় খেয়ে পড়ে গেলো।
gap
ঠিক ঐসময়েই রাস্তা দিয়ে দুজন মেয়ে যাচ্ছিলো। তারা পল্টুর ঐ অবস্থা দেখে হেসে কুটোপাটি। পল্টুকে খ্যাপানোর জন্য দুজনেই বললো, "কিগো, তোমার দাদার আশীর্বাদ নিচ্ছো না কি?"
gap
পল্টুও সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠলো, "হ্যাঁগো বউদি, একদম ঠিক বলেছো।"

কখন ফোন করবো

পল্টুর কিছুদিন হলো একটা কেস হয়েছে। কেস মানে ইয়ে, ঐ আর কি, গার্লফ্রেণ্ড। মেয়েটার নাম রেশমী।
paltu
তা পল্টু রেশমীকে জিজ্ঞেস করলো, "ডার্লিং তোমাকে কোন সময় ফোন করতে পারবো?"
রেশমী বললো, "তোমার যখন ইচ্ছে তখনই করতে পারো।"
পল্টু, "গতকাল তো আমি তোমাকে ফোন করেছিলাম।"
রেশমী, "ওঃহো! তখন তো আমি শুয়ে ছিলাম। অতো তাড়াতাড়ি আমি ঘুম থেকে উঠিই না।"
পল্টু, "আচ্ছা! তাহলে কাল এগারোটার সময় ফোন করবো।"
রেশমী, "না না! তখন বাবা ঘরে থাকবেন।"
পল্টু, "তাহলে তিনটার সময় করবো।"
রেশমী, "আরে না। তখন তো লাঞ্চ টাইম।"
পল্টু, "তাহলে পাঁচটার সময়?"
রেশমী, "না না! তখন তো আমার ফেভারিট সিরিয়ালটা দেখায়।"
পল্টু, "ঠিক আছে। তাহলে আমি রাতে ফোন করবো।"
রেশমী, "না। রাতে সবাই ঘরে থাকবে।"
পল্টু, এবার বিরক্ত হয়ে, "তাহলে ফোনটা করবো কখন?"
রেশমী, "যখন তোমার ইচ্ছে হয় তখনই করে নিয়ো!"
paltu
শুনলাম পল্টু এরপর তার লাভ স্টোরিকে আর এগিয়ে নিয়ে যায় নি। ওখানেই দি এণ্ড করে দিয়েছে!

আয়ু লম্বা হওয়ার রাস্তা

আমাদের পল্টুর নাকি কদিন ধরে শরীরটা খারাপ যাচ্ছে। তাই গতকাল পল্টু ডাক্তারের কাছে গেছিলো। সেখানে যা ঘটেছে, সেটা হুবহু তুলে দিচ্ছি।

চেম্বারে ঢোকার সাথে সাথে ডাক্তারবাবু পল্টুকে জিজ্ঞেস করলেন, "আপনার কি হয়েছে?"
পল্টু বললো, "কদিন থেকে শরীরটা ভালো যাচ্ছে না। কেমন জানি দুর্বলও লাগছে।"
ডাক্তার, "আচ্ছা। শুয়ে পড়ুন দেখি। আপনার চেক-আপ করতে হবে।"
চেক-আপ হয়ে যাওয়ার পর ডাক্তার যখন প্রেসক্রিপশন লিখছেন, তখন পল্টু জিজ্ঞেস করলো, "আচ্ছা ডাক্তারবাবু, আমার আয়ু যাতে লম্বা হয়, তার জন্য কোন রাস্তা আছে কি?"
ডাক্তারবাবু, "বিয়ে করেছেন?"
পল্টু, "না।"
ডাক্তার, "বিয়েটা করে ফেলুন।"
পল্টু, "বিয়ে করলে আয়ু লম্বা হবে?"
ডাক্তার, "নাঃ! তবে আয়ু লম্বা হওয়ার ইচ্ছেটাও আর থাকবে না।"

হর এক ফ্রেণ্ড জরুরি হোতা হ্যায়

পল্টু গতকাল বাড়ি ফিরতে অনেক রাত করে ফেলেছিলো। তাই ঘরে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই তার বাবার ফায়ারিং লাইনে বেচারা পড়ে গেলো!
gap
পল্টুর বাবা খুব গম্ভীর হয়ে পল্টুকে জিজ্ঞেস করলেন, "এতো দেরী কেনো? কোন চুলোয় ছিলে এতক্ষণ?"
পল্টু, একটু মাথা চুলকে জবাব দিলো, "আমার বন্ধুর বাড়িতে ছিলাম।"
পল্টুর বাবা, "আচ্ছা! দাঁড়াও আমি তোমার বন্ধুদের ফোন করে জিজ্ঞেস করছি।"
gap
এই বলে পল্টুর বাবা তার সামনেই দশজন বন্ধুকে ফোন করলেন।
চারজন বন্ধু বললো, "হ্যাঁ আংকল, ও তো এখানেই ছিলো।"
দুজন বললো, "আংকল, এইতো মাত্র একটু আগেই তো আমার এখান থেকে বেরোলো।"
তিনজন বললো, "হ্যাঁ আংকল, এখানেই আছে। পড়ছে! ফোনটা ওকে দেবো কি?"
আর শেষের জন তো সব লিমিট পার করে দিয়ে বললো, "হ্যাঁ বাবা, বলো কি হয়েছে!"
gap
এখন বলো ভাইসব, "হর এক ফ্রেণ্ড জরুরী হোতা হ্যায়!"

সোমবার, ৪ জুন, ২০১২

টিচার কিচ্ছু জানে না

আমাদের পল্টু যখন ছোট ছিলো, তখন থেকেই তার নখরাবাজিতে সব্বাই অস্থির।
গাপ
একদিন হয়েছে কি, পল্টু স্কুল থেকে ফিরে এসেই তার মার কাছে ঘোষণা করলো, "মা, আমি কাল থেকে আর স্কুলে যাবো না।"
গাপ
পল্টুর মা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "সেকিরে, কেনো যাবিনা?"
গাপ
পল্টু বললো, "দেখো মা, আমাদের স্কুলের মিস নিজেই কিচ্ছুটি জানে না। তাই স্কুলে গিয়ে কি শিখবো?"
গাপ
মা বললেন, "তুই কি করে বুঝলি যে মিস কিছুই জানেন না?"
গাপ
পল্টু খুব কনফিডেন্টলি বললো, "দেখো মা, আজকে অংকের ক্লাসে মিস প্রথমে বললো যে টু প্লাস টু ইজ ইকুয়াল টু ফোর। একটু পরে আবার বলে কি না থ্রি প্লাস ওয়ান এইজ ইকুয়াল টু ফোর।"

মেশিন নষ্ট

পল্টু বেচারা গরমে কাহিল হয়ে গেছে। আর জল কম খাওয়ায় ওর প্রস্রাবও ঠিকমতো হচ্ছে না। শেষে পল্টু এক ডাক্তারের কাছে গেলো।
gap
পল্টু ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকে বললো, "ডাক্তার সাহেব, আমার প্রস্রাবে প্রচণ্ড জ্বালাপোড়া হচ্ছে। আর পরিমাণেও কম হচ্ছে।"
gap
ডাক্তার পল্টুর দিকে তাকিয়ে বললেন, "বাড়ি চলে যান, বাড়ি চলে যান। মেশিন নষ্ট হয়ে গেছে।"
gap
এই শুনে পল্টুর তো হয়ে গেছে। খুব ঘাবড়ে গিয়ে সে ডাক্তারকে বললো, "মানে? আমি কি আর বাঁচবো না ডাক্তারবাবু?"
gap
ডাক্তার একটু অবাক হয়ে বললেন, "আরে ধুর! আপনি কেনো মরবেন মশাই? আমি যে মেশিন দিয়ে পরীক্ষা করবো সেটাই নষ্ট হয়ে গেছে!"

বুধবার, ৩০ মে, ২০১২

সন্ধেবেলা লেডিজ হোস্টেলে

আমাদের পল্টু সন্ধেবেলা কলেজের লেডিজ হোস্টেলের সামনে ঘুরঘুর করছিলো। হঠাৎ করে দারোয়ান তাকে ক্যাঁক করে পাকড়াও করে মেট্রনের কাছে নিয়ে গেলো।
মেট্রন কড়াভাবে পল্টুর দিকে তাকিয়ে আরো কড়াভাবে বললেন, "কার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলে? অঞ্জনা না নন্দিনী?"
পল্টু চুপ করে মাথাটাকে একটু ঝুকিয়ে দাঁড়িয়ে রইলো।
মেট্রন ফের প্রশ্ন করলেন, "তাহলে কে? প্রমিতা? অপরাজিতা?"
পল্টু তবুও চুপ করে দাঁড়িয়ে আছে দেখে মেট্রন বললেন, "তোমাকে লাস্ট ওয়ার্নিং দিচ্ছি। তোমাকে এই চত্বরে যেনো আর না দেখি।"
পল্টু পাড়ায় ফিরে এসে বললো, "মেট্রনটা একেবারে খাণ্ডারনি। তবে চারটে মেয়ের নাম জানতে পেরেছি।" :D

ছেলে না মেয়ে - কে বেশী কথা বলে

পল্টু তার প্রেমিকাকে গিয়ে বললো, "জানিস এইমাত্র কাগজে পড়ে এলাম। বৃটেনের বিজ্ঞানীরা রিসার্চ করে বের করেছেন যে ছেলেরা কথা বলতে দিনে ২২০০ শব্দ ব্যবহার করে, আর মেয়েরা ৪৪০০ শব্দ ব্যবহার করে। এর থেকে প্রমাণ হয়েই গেলো যে মেয়েদের বুদ্ধিসুদ্ধি কম। নিজের মনের ভাব প্রকাশ করতে তোদের বেশী শব্দ লাগে।"
পল্টুর প্রেমিকা প্রিয়াংকা খচে বোম হয়ে বললো, "খুব স্বাভাবিক কথা। মেয়েদের একই কথা ছেলেদের দুবার করে বলতে হয়!"
পল্টু ভ্যাবাচাকা খেয়ে বললো, "তার মানে? আবার বল।"

সত্যবাদী পল্টু

আমাদের পাড়ার পার্থ এসে আমাকে বললো, "জানিস কাল বিকেলে পল্টু আমার কাছে দুশো টাকা ধার চেয়েছিলো।"
আমি, "তাই! তা তুই কি টাকাটা দিয়ে দিয়েছিস?"
পার্থ বললো, "হ্যাঁ রে। টাকাটা আমি দেওয়ার পর পল্টু আমাকে অনেকবার থ্যাংকস জানিয়ে বললো যে ও আমার কাছে চিরঋণী হয়ে থাকবে।"
আমি, "তুই তো একদম যাচ্ছেতাই রে। ও বললো, আর তুইও বিশ্বাস করে নিলি? ঐ টাকা আর জীবনে তুই ফেরত পাবি না।"
পার্থ, "যাই বলিস না কেন রে ভাই, পল্টুটার কিন্তু একটা গুণ আছে। ছেলেটা সত্যবাদী। তাই তো বলেছে যে চিরঋণী হয়ে থাকবে!"

বৃহস্পতিবার, ৫ এপ্রিল, ২০১২

জেনারেল নলেজ

পচাদা পাড়ার চায়ের দোকানে বসে পল্টুর জি কে টেস্ট করছে।
পচাদা, "বল তো, যে লোক ভুল করে স্বীকার করে, তাকে কি বলে?"
পল্টু, "জানি না।"
পচাদা, "গর্দভ। তাকে বলে সৎ। আচ্ছা বল যে লোকটা ফ্যাসাদে পড়ে ভুলটা স্বীকার করে নেয়, তাকে কি বলে?"
পল্টু, "এটাও জানিনা।"
পচাদা, "রামছাগল! তাকে বলে বুদ্ধিমান। এবার বল তো যে লোক কোন ভুল না করেও ভুল স্বীকার করে নেয়, তাকে কি বলে?"
পল্টু, উৎসাহিত হয়ে, "এটা জানি গো। তাকে বলে বিবাহিত।"

বিবাহের ফিউচার টেন্স

কলেজের ফার্স্ট ইয়ারে ইংলিশের স্যার পল্টুকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, "বলতো বিবাহের ফিউচার টেন্স কি?"
পল্টুর হাতেগরম জবাব, "ডিভোর্স স্যার!"

চিরকাল ঋণী হয়ে থাকবো

পল্টু এসে আমাকে বললো, "জানিস ভাই, সেদিন পচাদাকে আমি দুশো টাকা ধার দিলাম। টাকাটা পকেটে ঢুকিয়ে পচাদা বললো যে ও আমার কাছে চিরঋণী হয়ে থাকবে।"
আমি, "যাঃহ। তুই কি বোকা রে! জীবনেও ঐ টাকা আর ফেরত পাবি না।"
পল্টু মাথাটা একটু চুলকে বললো, "যাই বলিস না ভাই, পচাদার কিন্তু একটা গুণ আছে। ও সত্যবাদী। তাই তো আমাকে বললো যে চিরঋণী হয়ে থাকবে।"

বুধবার, ২৮ মার্চ, ২০১২

কলে কতো করে

পল্টু উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে তার মাসির বাড়িতে বেড়াতে এলো। মাসি-মেসো থাকেন শ্যামবাজারে। এদিকে হয়েছে কি পল্টুর সিলেটি ছাড়া আর কোনও ভাষাই খুব ভালোভাবে বলতে পারে না। 
তা মাসি ওকে বললেন, "পল্টুরে, একটু দোকান থেকে চিড়া, গোটা জিরা আর কলা নিয়ে আয় না।"
পল্টুবাবু তো গেলেন দোকানে। গিয়ে বললো, "দাদা চিড়া দিন না।" 
দোকানদার উচ্চারণ শুনেই বুঝেছে যে শ্রীমান বাইরে থেকে এসেছে। তাই ও বললো, "আচ্ছা, চিড়ে চাইছেন তো?"
পল্টু বললো, "হুম। আর জিরাও দিন।"
দোকানদার একট্য হেসে বললো, "জিরে, দাদা বুঝলেন, এখানে জিরে বলা হয়।"
পল্টু যা বোঝার বুঝে নিয়ে ফলের দোকানে গেলো। সেখানে আর কোনও রিস্ক না নিয়ে বললো, "দাদা, কলে কত করে।"